#সুখ_প্রান্তর
#শেখ_মরিয়ম_বিবি
#সারপ্রাইজ_পর্ব_২
“ আমাকে দাও আমি নিভো ”
“ সর তুহি,সর এখান থেকে।ব্যথা পেলে ভ্যাঁ ভ্যাঁ করবি না পরে! সর বলছি!"
তুহি তাইফের চারদিকে ঘুরছে আর লাটিম নেওয়ার জন্য হাত বাড়িয়ে চাইছে, এদিকে তাইফ সেদিকে কর্ণপাত না করে আপন মনে নাক টানছে আর লাটিম ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে জমিনে ছুড়ে মেরে আবার কৌশলে সুতোয় জড়িয়ে নিজের হাতের তালুতে নিয়ে একা একাই খেলছে।আর মাঝে মাঝে বিরক্ত গলায় থেমে থেমে তুহিকে ধমক দিচ্ছে।তুহি ছলছল চোখে চেয়ে আছে দেওয়ালে এক হাত রেখে অন্য হাত দিয়ে নিজের ফ্রকের নিচের কাপড় খামচে ধরে।কখন থেকে সে ভাইয়ার কাছে চাইছে কিন্তু দিচ্ছেই না।
তুহি পাত্তা না পেয়ে ফোপাতে ফোপাতে বাবা মায়ের ঘরের দিকে দৌড় দিলো।পরনে তার লাল একটা পাতলা সুতি ফ্রক, পায়ে চেরিওয়ালা সাদা স্যান্ডেল।
পড়ন্ত দুপুরের ভাত ঘুমে বিভোর বাড়ির সব বড়রা,তুলতুল কোচিং এ গিয়েছে। নাইফ ভার্সিটিতে,এখনো আসেনি।তাইফ,তুহিকে ঘুম পাড়িয়ে নিজেরা ঘুমিয়ে পড়ে। কিন্তু তাইফ, তুহি ঘুমের ভং ধরে শুয়ে থাকায় মা বাবাকে ঘুমাতে দেখেই উঠে পড়ে।
তাইফ নিজের লুকিয়ে রাখা লাটিম সুতো নিয়ে বাইরের বারান্দায় এসে খেলতে থাকে, পিছু পিছু তুহিও আসে। কিন্তু....
ঘরের দরজা ভিড়ানো,তুহি সেটার উপর নিজের ছোট্ট হাতটা রাখতেই দরজাটা ভেতরে ঢুকে হাট করে খুলে গেলো।
নাসিফ সহধর্মিণীর পা নিজের পা দিয়ে পেঁচিয়ে রেখে কোমর শক্ত করে জড়িয়ে ধরে ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে আছে।আফিয়াও বিপরীত মুখী হয়ে ঘুমাচ্ছে।তুহি দরজার সামনে দাঁড়িয়েই ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে ডাকতে আরম্ভ করলো,
“ বাবা বাবা বাবা বাবা বাবা!"
তুহি ভীষণ আহ্লাদি আর আদুরে গলায় বাবা শব্দটা উচ্চারণ করে।এক নাগাড়ে ডাকতে থাকে,থামার কোন প্রয়াস থাকে না যতক্ষণ না বাবা তার ডাকে সাড়া দিবে। তিন বছর না হওয়া তুহি ভাঙ্গা শব্দে আধো আধো গলায় সবাইকে ডাকে কিন্তু সব ডাককে ছাপিয়ে মনে দাগ কাটে তার ‘বাবা' ডাকটা।নাসিফ মুগ্ধ নয়নে মেয়েকে দেখে সবসময়। যতবার সে বাবা বলে ডাকবে নাসিফ সব ছেড়ে ছুটে এসে মেয়েকে বুকে মিশিয়ে নিবে,চুমুতে চুমুতে গাল মুখ ভিজিয়ে দিবে।আর যদি কাঁদো কাঁদো গলায় কিছু বলে তাহলে তো নাসিফ সাহেবের সব এলোমেলো হয়ে যায়।
ঠোঁট ফুলিয়ে কপালের ভ্রু জোড়া নামিয়ে এনে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদবে আর সবার নামে অভিযোগ করবে।এটা দেখতে যে ভীষণ লাগে তা বোধহয় সরাসরি না দেখলে বোঝানো যাবে না।
চৈত্রের শেষ সময়, ভ্যাপসা গরম চারদিকে।খা খা রোদে চারদিকে চৌচির,শহুরে জীবন বিলাসি আবাসন ছাড়া ভীষণ পীড়াদায়ক হয়ে উঠেছে এই গরমে। তাই সাধারণ সবার অপেক্ষা কেবল এক পশলা ঝুম বর্ষণের।যা শান্ত করতে পারে এই উত্তপ্ত ধরণীকে। এহেন পঁচা গরমেই শীতলীকরণ ছেড়ে গভীর ঘুমে মগ্ন দম্পতির পুরুষ নাসিফ সাহেব। তাই বোধহয় কারো আদুরে গলার কান্না কান অবধি পৌঁছাচ্ছে না।তুহি আবারও ডেকে উঠলো,
“ বাবা বাবা বাবা,বাবা বাবা!"
“ হিস্,বাবাকে কেন ডাকতেছিস? দেখিস না বাবা ঘুমায়? উঠে পড়লে মারবে তো!"
তাইফ তুহিকে এদিকে দৌড়ে আসতে দেখেই লাটিম হাতে নিয়েই ওর পিছু পিছু দৌড়ায়, উদ্দেশ্য তুহিকে আটকানো।বাবা মা উঠে পড়লেই তার পিঠে পড়বে, ছোট বোনকে কাঁদানোর অভিযোগে।
তুহি ভাইয়ের দিকে গাল ফুলিয়ে ঠোঁট উঁচিয়ে চাইলো একপলক,তার পরেই আবারও বাবা মায়ের দরজায় দাঁড়িয়ে ঘরের ভেতর চেয়ে ডাক দিলো, কিন্তু এবারও কোন সাড়া আসলো না।
তুহি ভেতরে ঢুকে পড়লো, পুরো দরজা মেলে গেলো।
তাইফ দরজা বরাবর দাঁড়ালো।আফিয়া এখনও গভীর ঘুমে মগ্ন।তুহি নিজের পেট চেপে একা একাই খাটে উঠলো,মায়ের বাহু খামচে ধরে।আফিয়া এতে নড়েচড়ে উঠলো, বিরক্ত গলায় বললো,
“ কি হচ্ছে কি?জ্বালাচ্ছো কেন এত তোমরা?"
বলেই সে পাশ ফিরে শুয়ে পড়লো,তুহি হাঁটু গেড়ে বিছানায় কিনার ঘেঁষে মায়ের পাশে বসে মায়ের কথা শুনলো।ভীত চোখে মায়ের মুখটা দেখলো
এরপর বাবার দিকে চাইলো।মা পাশ ফেরায় বাবা মায়ের মুখটা কাছাকাছি।সে মা'কে ডিঙিয়ে বাবা মায়ের মাঝে গিয়ে বসলো। বাবার মুখটা নিজের ছোট দু হাতের আঁজলায় তুলে ধরে আগের মতো করেই ডাক দিতে আরম্ভ করলো,
“ বাবা,বাবা বাবা বাবা!"
মুখটা বাবার কাছাকাছি তার,এত কাছ থেকে শব্দে নাসিফের ঘুম চট করে পালালো, চোখ মেলেই তার মেয়ের কাঁদো কাঁদো মুখটা দেখে আতংকিত হয়ে পড়লো,আধ শোয়া হয়ে বসলো,মেয়েকে বুকের সাথে মিশিয়ে নিয়ে বললো,
“ কি হয়েছে আম্মা? এমন..."
“ ভাইয়া নাতিম দেয় না!"
বাবু হয়ে বসা সে, ডান পায়ের তালু ডান হাতের মুঠোয় রেখে পা'টা খানিকটা উঁচু করে আগের মতোই চেয়ে আছে।নাসিফ মেয়ের কথা বোঝার চেষ্টা করতে করতে চোখ মুখ হাত দিয়ে ঢলে নিলো, অতঃপর জিজ্ঞেস করলো,
“ ভাইয়া কি করেছে?"
“ নাতিম দেয় না ভাইয়া! বকা দেয়!"
“ ভাইয়া লাটিম খেলছে?"
“ হুম,ঐ যে!"
উপরনিচ মাথা দুলিয়ে হ্যাঁ সূচক বোঝালো অতঃপর হাত দিয়ে ইশারা করে দরজার দিকে তাকালো।নাসিফ মেয়ের মাথাটা বুকের উপর চেপে ধরল,পিঠে হাত বুলাতে বুলাতে বললো,
“ আচ্ছা আমি ভাইয়াকে দেখছি,আপনি একটু ঘুমান!
_ তাইফ এইদিকে আসো!"
দরজায় দাঁড়ানো তাইফের উঁচু পেট উঁকি দিয়ে ছিলো এদিকে,নাসিফ তা দেখেই তাইফের উপস্থিতি আন্দাজ করে।বাবার ডাকে প্রথমে সাঁড়া না দিলেও পরে ভীত পায়ে ভেতরে ঢুকে এলো,নাসিফ ভারি কন্ঠে বললো,
“ উপরে উঠো,বাবার কাছে আসো!"
“ আমি ওকে বকিনি বাবা। শুধু বলেছি সরে যেতে।লাটিম লাগলে ব্যথা পাবে না,তাই!"
তুহি বাবার বুকের উপর শুয়ে থেকেই আড়চোখে ভাইকে দেখছে।নাসিফ আবারও বললো,
“ তোমাকে আমি এখানে আসতে বলছি। ওগুলো রেখে আসো!"
তাইফ ধীর পায়ে হেঁটে নিজের আমানত গুলো মায়ের সাজসজ্জার টেবিলে রাখলো, অতঃপর ওভাবেই উঠে গিয়ে বাবার পিছনে শুয়ে পড়লো।নাসিফ পিছু ফিরে ছেলেকে পরখ করে বললো,
“ বাবাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাও!"
অনিচ্ছা সত্ত্বেও তাইফকে তাই করতে হলো।নাসিফ বুকের উপর লেপ্টে থাকা মেয়েটার কপালে গালে চুমু দিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বললো,
“ একটু ঘুমান আম্মা!"
তুহিও বাবার আদরে সব ভুলে চোখ বন্ধ করলো,নাসিফ মেয়ের মাথায় ততক্ষণ হাত রাখলো যতক্ষণ না সে ঘুমালো। ঐদিকে বাবার ভয়ে চোখ বন্ধ করা তাইফও অচিরেই ঘুমিয়ে কাঁদা হয়ে যায়।
সন্ধ্যার আগ মুহুর্ত.....
“ আম্মু,আম্মু!"
নাইফ ঘরে ঢুকতে ঢুকতে হাঁক ছাড়লো, আফিয়া তখন রান্না ঘরে রাতের খাবারের প্রস্তুতি নিচ্ছে,বড় ছেলের হাঁকে সাড়া দিয়ে বেরিয়ে আসলো,
“ চলে আসছো!"
“ হুম, আসসালামু আলাইকুম!"
“ ওয়া আলাইকুম আসসালাম!"
“ যাও পরিষ্কার হও আমি নাস্তা দিচ্ছি তোমাকে!"
“ তুহি কই আম্মু?"
“ ঘুমায় আমাদের ঘরে।"
“ তাইফ?"
“ আছে, কোথায় কে জানে!"
“ ওহ!"
বলেই নাইফ সোজা বাবা মায়ের ঘরে ঢুকলো।তুহি কাত হয়ে ডান হাত ডান গালের নিচে রেখে গুটিসুটি মেরে ঘুমানো।তার গাঁয়ের উপর একটা পাতলা নকশিকাঁথা ফেলে রাখা।নাইফ ঘুমন্ত বোনকে দেখেই মিষ্টি হাসলো,নিচু কন্ঠে ডাক দিলো,
“ তুহি বুড়ি! উঠো! দেখো ভাইয়া চলে আসছি।"
উবু হয়ে বোনের গালে, কপালে চুমু দিতে থাকলো,তুহি নড়েচড়ে উঠলো।নাইফ তাতে হেসে গাল টানতেই তুহি চোখ মেললো।বোনকে চোখ মেলতে দেখেই নাইফ সোজা হয়ে বোনের বাম বাহু ধরে বললো,
“ উঠো ভাইয়া চলে আসছি তো।"
তুহি কাত থাকলেও উবু হয়েই আড়চোখে তাকালো, খানিকটা পাশ ঘুরিয়ে ঘুমুঘুমু চোখে।নাইফ দু'টো ললিপপ বের করে বোনের দিকে তাক করে বললো,
“ দেখো এটা কি? ভাইয়া কি এনেছে তুহি বুড়ির জন্য!"
ললিপপ দেখে তুহি নিঃশব্দে হাসলো, মিষ্টি করে।উবু থেকে কাত হয়ে সোজা হয়ে উঠতে উঠতে বললো,
“ লুলুপপ!"
“ হুম লুলুপপ,আমার বুড়িটার জন্য লুলুপপ!"
ততক্ষণে তুহি উঠে হাত বাড়িয়ে ললিপপ নিয়ে নিয়েছে।নাইফ বোনকে কোলে উঠিয়ে আবারও গালে চুমু দিলো,তুহি নিজের গুটুলি দু'টো হাতে দু'টো ললিপপ ধরে রেখে দাঁত বের করে হাসছে আর চকচকা রঙিন কাগজে মোড়ানো ললিপপ দেখছে।নাইফ নিজের বাচ্চা বোনের হাসি দেখে ঠোঁট ছড়িয়ে হাসলো। ললিপপ মুঠোয় রেখে তুহি ভাইয়ের দিকে চাইতেই কিছু মনে পড়তেই মুখটা কাঁদো কাঁদো করে বললো,
“ ভাইয়া নাতিম দেয় না।"
“ কিসের নাতিম?"
“ ভাইয়া নাতিম খেলে আমায় দেয় না!"
সে আবারও আগের মতোই আদুরে গলায় সুর করে বলতে থাকলো।নাইফ ভ্রু কুঁচকে ফেললো,পরেই কুঁচকানো কপাল টানটান করে চোখ উঁচিয়ে জিজ্ঞেস করলো,
“ ছোট ভাইয়া লাটিম খেলছে তোমাকে খেলতে দেয়নি?"
“ হুম!"
তুহি উপরনিচ মাথা দুলিয়ে দেখালো।নাইফ চেহারা ভঙ্গি স্বাভাবিক করে নিয়ে বললো,
“ আচ্ছা ঠিক আছে ছোট ভাইয়াকে ভাইয়া বকে দিবো নে, তুমি কেঁদো না।তুহি বুড়ি কাঁদলে বড় ভাইয়ার বুঝি কষ্ট হয় না!"
“ হুম!"
বলেই তুহি আবারও মাথা উপর নিচ করলো।নাইফ বোনকে দেখছে।সে ললিপপ মুখে দেওয়ার জন্য কাগজ ছেঁড়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।নাইফ হাত দুটো নিজের হাতের মুঠোয় ধরে বললো,
“ ঘুম থেকে উঠে আগে মুখ ধুতে হয় বুড়ি, এভাবেই গন্ধ মুখে খাবে তুমি!"
“ বালবাল ধুতে হয়!"
তুহি জিজ্ঞেস করলো, সকালে তো ধোয়,এখনও ধোঁয়া লাগবে? নাইফ মিষ্টি হেসে বাথরুমে ঢুকে বেসিনের সামনে বোনের মুখটা নিয়ে পানি দিয়ে কুলি করিয়ে দিলো, সুন্দর করে মুখটা ধুয়ে টিস্যু দিয়ে মুছে দিয়ে বললো,
“ হ্যাঁ বালবাল ধুতে হয়! নয়তো দাঁতে পোকা হবে; আমার পাকা বুড়িটা!"
বলেই গাল দুটো কচলে দিলো।তুহি ঠোঁট চেপে হেসে আছে।নাইফ তুহিকে বিছানার উপর দাঁড় করিয়ে প্যাকেট খুলে তুহির হাতে দিতেই কোথায় থেকে তাইফ চলে আসলো, জিজ্ঞেস করলো,
“ আমারটা কই? আমাকেও দাও ললিপপ!"
নাইফ বোনের থেকে চোখ সরিয়ে সরু নজরে ভাইকে দেখলো অতঃপর বললো,
“ তোকে দিবো না।তুই আমার বোনকে কাদিয়েছিস কেন?"
“ কাদাইনি তো, একটুও কাদাইনি!"
তাইফের বিস্ময় উত্তর,নাইফ কোমরে দু হাত রেখে দাঁড়ালো।
“ তাহলে ও মিথ্যা বলছে? ও যে বললো তুই ওকে বকা দিছিস?"
“ বকা কখন দিলাম আমি! মিথ্যা বলবি না তুহি! তুই সবসময় মিথ্যা বলিস, বেশি বেশি!তোকে আমি বকছি!"
তাইফ তুহির দিকে ক্ষ্যাপাটে চোখে চেয়ে আছে,তুহি ঠোঁট ফুলিয়ে বড় ভাইয়ের দিকে চেয়ে তার শার্ট খামচে ধরলো।নাইফ চোখ ছোট ছোট করে ছোট ভাইয়ের দিকে চেয়ে বললো,
“ ঐ, তুই আমার সামনেই ওকে এভাবে থ্রেট দিচ্ছিস! সাহস তো কম নয়,আর তুই!"
“ তাহলে কেন মিথ্যা বলে ও! আমি কি ওকে বকছি?"
“ সত্যিই বকিস নি!"
“ না,আমি তো ঘুমিয়ে ছিলাম, কখন বকলাম?"
নাইফ তুহির দিকে চাইতেই দেখলো তুহি ঠোঁট উল্টে চোখ কাঁদো কাঁদো করে তাকিয়ে আছে তার দিকে,নাইফ ফোঁস করে শ্বাস ছাড়লো, অতঃপর,
“ তুই ওকে লাটিম দিস নি কেন?"
“ হ্যাঁ পরে ব্যথা পেলেও তো আমাকেই বকবে সবাই,তাই বুঝি বলবে ওকে আমি বকা দিছি? আমি তো শুধু বলছি সরে যেতে!"
“ আচ্ছা বুঝছি,এখন তুইও সর!"
বলেই নাইফ তুহিকে কোলে তুলে ঘর থেকে বের হতেই তাইফ পিছ নিলো, ঘ্যানঘ্যানে স্বরে বলতে থাকলো,
“ আমাকেও ললিপপ দাও।আমি তো..."
এসব চলবে.... এটার একটা অংশ পরে দেওয়ার চেষ্টা করবো।
আমি চাইলেই লিখতে পারছি না।কয়েকট লাইন এলোমেলো ভাবে লেখা পড়ে রয়েছে।একটু ঐটা,একটু এইটা এমন অবস্থা।জানি না কেন,তবে আমার হাত চলছে না।মনও আগের মতো নেই।
তবে বেশ কয়েকদিন ধরে এটার কয়েকটি সারপ্রাইজ পর্ব মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে তাই কাল থেকে চেষ্টা করে এই অবধি লিখলাম,আরেকটু সংযোগ হবে এটার সাথে।যাই হোক আপনাদের মতামত জানাবেন আশাকরি।






0 মন্তব্যসমূহ