চড়ুইভাতি । পর্ব_০২

 #চড়ুইভাতি

#শেখ_মরিয়ম_বিবি

#পর্ব_০২



[নকল/চুরি নিষিদ্ধ! ভালো লাগলে মেনশন করতে পারেন,শেয়ার করতে পারেন।]


১৮+


[আজকের পর্বটা প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য!]


চড়ুইভাতি.....

২...


দরজায় খিল এঁটে তৌকির শার্টের বোতাম খুলতে খুলতে লিলিকে বললো,


“ আগে গা গোসল দিয়ে নাস্তা করে বিশ্রাম নাও, তারপর সব ধীরে ধীরে দেখো।আমি যতটুকু বুঝেছি তোমার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এনে রেখেছি আর যা নেই তা ছুটির দিনে তোমাকে নিয়ে গিয়ে এনে দিবো নে।"


সে শার্ট,প্যান্টের বেল্ট খুলে খাটের এক কোনায় রাখে। এরপর প্যান্টটা কোমর থেকে খানিকটা নিচে নামিয়ে আরাম করে খাটের উপর বসে পা ঝুলিয়ে।এতে করে তার পুটুলির মতো ছোট ভুড়িটা নিচের দিকে ঝুঁলে থাকে।লিলি স্বামীর উদাম শরীর দেখে এখন‌ও খানিকটা শিউরে উঠলো লজ্জায়,এটা বরাবরই হয়।লোকটা বুঝে,তাও তার সামনে এভাবে বক্ষ মেলে ঘুরঘুর করে।যদিও এটা শুধু তার সামনেই,লিলি গত এক সপ্তাহে তাকে ছাড়া অন্য কারো সামনে তার স্বামীর এমন বেলেল্লাপনা রূপ দেখেনি। সেক্ষেত্রে তার মনে হয় এটা ইচ্ছে করেই করে, শুধুমাত্র লিলিকে রাঙানোর জন্য। সে নিজের দৃষ্টি সরিয়ে দ্রুত ব্যাগ খুলে তৌকিরের জন্য লুঙ্গি গামছা বের করলো,হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললো,


“ আপনার লুঙ্গি,আগে আপনি গোসল সেরে আসুন। তারপর আমি যাই!"


“ স্বামী স্ত্রী একসাথে গোসল করা সুন্নত, কতবার বলেছি তোমাকে লিলি। অন্তত দিনে একবার এই সুন্নাত আদায় করা যায়‌ই,এতে খুব বেশি কষ্ট‌ও তো হয় না,তাই নয় কি?"


লিলির দেহমন আবার চড়চড়িয়ে উঠলো মোহময় অনুভূতিতে,লোকটা লঞ্চেও শান্তি দেয়নি। সারারাত জ্বালিয়েছে।লিলি এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো লঞ্চে উঠেছিল,সে চেয়েছিল সারারাত লঞ্চের ছাদে কাটাবে, মধ্যরাতের চন্দ্র বিলাস করবে। কীর্তনখোলা,মেঘনার মোহনায় ভেসে ভেসে সে স্বামীর বুকে মাথা রেখে মধ্যিরাতের চাঁদ আর মেঘ দেখবে,নদীর মাঝের শীতল হাওয়ায় যখন শিউরে উঠবে দেহ তখন স্বামীর উষ্ণ ওমে সে নিজের সর্বাঙ্গ উষ্ণতায় জড়িয়ে করে রাখবে। টুকটাক খুচরো প্রেমালাপ আর না ছোঁয়া আদরে কাটিয়ে দিবে তার জীবনের অন্যতম রাতটা। কিন্তু হয়েছিল খানিকটা উল্টো। তৌকির হাওলাদার তার কথা রেখেও রাখেনি।প্রায় রাত বারোটা পর্যন্ত তাকে নিয়ে ছাদে কাটিয়েছিল, কিন্তু যখন‌ই বাতাসের হীম বেড়ে গিয়ে শীত শীত অনুভব হলো তখন‌ই তৌকির সাহেব বলে উঠলেন,


“ লিলি চলো কেবিনে চলো,রাত বাড়ছে। ঠান্ডা পড়েছে খুব, অসুখ বেঁধে যাবে আবার তোমার, এমনিতেই নতুন পরিবেশ।"


কিন্তু লিলি তো যেতে ইচ্ছুক নয়,সে মুখ ফুটে বলতেও পারছে না।তবে সে খানিকটা আদুরিনী হয়ে স্বামীর জড়িয়ে রাখা বাহুতে মাথা ছেড়ে দিয়ে একটু বিনয়ের সঙ্গে অনেকটা আবেগ ঢেলে বলেছিলো,


“ একটু পর যাই!"


তৌকির সাহেব অন্ধকারে লিলির মুখ দেখতে পেয়েছিল কি-না জানা নেই লিলির,তবে লিলি ঠাওর করতে চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়েছিল কিন্তু তার আবদার তৌকির সাহেব রেখেছিল।আর‌ও মিনিট তিরিশ কাটিয়ে যখন তৌকির সাহেব বললো,


“ তুমি কি এখানে থাকতে চাইছো? "


লিলি উত্তর দিতে পারেনি কারণ সে তখনও তার স্বামীর মন পাঠ করতে সক্ষম হয়নি। বলাবাহুল্য সে গ্রামে বড় হ‌ওয়া সহজ সরল তরুণী,শহরে বাস করা স্বামীর মনোপাঠ এত তাড়াতাড়ি তার দ্বারা আয়ত্তে আনা সম্ভব নয়।তবে তার আহ্লাদি আহ্বান কেমনে জানি তৌকির সাহেব বুঝতে পেরেছিল। কিন্তু তাতেও লাভ হয়নি কেননা তখন আশেপাশে বহু যুবক, বৃদ্ধ বসে নানা ভাবে সময় কাটাচ্ছিলো।কেউ কেউ ধুমপান করছে,কেউ তার চেয়েও বেশি কিছু নিয়ে ব্যস্ত,আবার কোথাও কোথাও জটলা বেঁধে বসেছে জুয়ার আসর মেলে।এত বাজে পরিবেশ,উশৃঙ্খলার মাঝে তৌকির সাহেব নিজের নবপরিণীতাকে নিয়ে সময় কাটাতে একটুও আগ্রহী নয়। বরঞ্চ সে তার নিজের কিছু ইচ্ছা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে বেশি আগ্রহী।


গম্ভীর, উচ্চ তরঙ্গের ভারী আওয়াজের অধিকারী তৌকির সাহেব লিলির কাঁধে থুতনি ঠেকিয়ে বিউটি বোনে ঠোঁট ছুঁয়ে কানের কাছে ফিসফিস করে বলেছিল,


“ রাত যদি ছাদে‌ই কাটাই তবে কেবিনে কে থাকবে লিলি। তাছাড়াও...."


লিলি নিজের ওড়না দিয়ে নিজেকে ঢেকে রেখেছিল,সে দাঁড়িয়েছিল রেলিংয়ের পাত ধরে, তৌকির ওকে পিছন থেকে জড়িয়ে রেখেছিলো। লম্বা সুঠামদেহী তৌকির পিছনে থেকে এভাবে জড়িয়ে ধরে দাঁড়িয়ে ছিলো যে ছোট্ট পাতলা শরীরের লিলিকে দেখাই যাচ্ছিল না।তার মধ্যে ঘন কুটকুটে অন্ধকার রাত। চাঁদ লুকোচুরি খেলছে মেঘের সাথে।ছাদের একটা মাত্র লাইট তাও এখন বন্ধ।সব মিলিয়ে পরিবেশ তৌকির সাহেবের আয়ত্তে ছিলো।সে ভীষণ আবেগি হয়ে লিলিকে আরো শক্ত করে চেপে ধরে নিজের সাথে।


লিলি স্বামীর গভীর ছোঁয়ায় তাল হারিয়ে ফেলে, রেলিং শক্ত করে ধরা রাখা হাতটা ছেড়ে দিয়ে তার পেটের উপর থাকা স্বামীর হাতের উপর রাখলো। তৌকির নিজের অধিকারবশেই লিলিকে আরো গভীর করে ছুঁয়ে বললো,


“ কেবিনের পয়সা বিফলে যাবে।এটা কিন্তু ঠিক না।চলো কেবিনে যাই। তাছাড়াও আমার ব‌উকে কেউ এভাবে দেখুক আমি চাই না।ব‌উটা আমার একান্ত সম্পত্তি,তাকে শুধু আমি দেখবো,সব ভাবে সব জায়গাতে।"


ততক্ষণে তৌকিরের ঠোঁট লিলির ঘাড়ের টনটনা নীলাভ রগের উপর লেহন করতে ব্যস্ত। অর্থাৎ সে লিলিকে নিজের আয়ত্তে নিতে ষড়যন্ত্র করছে।লিলিও তাল হারিয়ে নিজের ইচ্ছাকে জলাঞ্জলি দেয়।

বিনা শব্দে কেবিনে চলে যায়।রাত তখন প্রায় একটা। তৌকির সাহেব নিজের কেবিনের খরচ উসুল করতে ব‌উকে নিয়ে মেতে উঠে মন মাতোয়ারা খেলায়।সঙ্গ দেয় তার একান্ত সম্পত্তি মিসেস ফাতিমা লিলি মজুমদার।

লিলি তৌকিরের ভালোবাসা নামক খেলা থেকে মুক্তি পেয়েছিল প্রায় ফজরের সময়।তাই লঞ্চ থেকে নামার সময় তার চোখ ঘুমে ঢলে পড়েছিল।


“ কি হলো চলো! ঘুমাতে হবে লিলি,নয়তো গিয়ে কাজে মন দিতে পারবো না।"


লিলি নিজের কল্পনায় ডুবে রাতকে ভাবছে।

আর তার কল্পনার মাঝে তৌকির সাহেবের মৃদু চিৎকার।চমকে উঠে দ্রুত জড়ানো শব্দ বললো ,


“ আসছি।"


সে জানে তাকে যেতেই হবে,এটা বিয়ের রাত থেকেই হচ্ছে। তৌকির সাহেব তাকে বাসরেই এসব বলে দিয়েছে। অন্তত দিনে একবার তারা একসাথে গোসল করবে,এটা নাকি সুন্নাত।আসলেই সুন্নাত কি-না লিলি এখন‌ও জানে না তবে তার বান্ধবী তার থেকে শুনে বলেছিল,


“ ভাইয়া তো বেশ রোমান্টিক।শোন লিলি ভাইয়া কখনো এমন কিছু আবদার করলে একদম না করবি না। মনে রাখবি পুরুষ মানুষ এসবেই নারীতে আঁটকে থাকে।যত যাই বলুক লোকে, দিনশেষে এটাই সত্য পুরুষ আটকায় নারীর দেহে। যতদিন সুস্থ আছিস ততদিন স্বামীর এমন আবদারে কখনো মুখ ঝামটা মারবি না।এতে কিন্তু আল্লা‌হ‌ও নারাজ হবেন।"


বোকাসোকা লিলি সেসব কেবল শুনেছিল। তারপর তারা যখন ঢাকা আসবে তখন তার মা ,বড় আপাও খুব করে বুঝিয়ে দিয়েছে,


“ জামাইর মুখে মুখে তর্ক করবি না।সে কিন্তু শুধু তোর স্বামী‌ই না,বয়সে জ্ঞানে বড় একজন মানুষ।তার বয়সের অভিজ্ঞতা তোর চেয়ে ঢের বেশি।তাই তার কোন কথার পিঠে অহেতুক তর্ক করবি না।যদি কোন কিছু মনে না ধরে, তার কোন কাজ পছন্দ না হয় তবে তৎক্ষণাৎ না বলে একটু সময় নিয়ে ধৈর্য্য ধরে সুযোগ বুঝে বলবি।তাকে ভালোবেসে, সোহাগ করে নরম গলায় বলবি তোর ভালো লাগা, খারাপ লাগা।সে অবশ্যই শুনবে।মনে থাকবে?"


মেজো আপা বলেছিলো,


“ শোন পুরুষ মানুষকে বশে আনার কিছু সময় থাকে, বিশেষ সময়। এদের দিয়ে যেকোন কাজ হাসিল করা যায় যদি সেই সময় বুঝে বলা হয়।জামাইকে সবসময় তুষ্ট রাখবি! তার ভালো লাগা, খারাপ লাগা, ইচ্ছা অনিচ্ছার মুহূর্তগুলো নিজের বোঝাপড়ার মাঝে কখনোই অযাচিত ভাববি না। সবসময় মনে রাখবি তার যা সব‌ই তোর, সুতরাং তার সেই অনুভূতিগুলোও তোর‌ই মনে করবি।সে যখন তোকে কাছে চাইবে সব কাজ ফেলে রেখে তার দিকে ছুটবি। তার চেয়ে কোন কিছুই তোর কাছে বেশি গুরুত্ব যেন না পায়।যখন তুই তাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিবি তখন‌ই দেখবি সেও তোকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। বুঝলি তো, লোকে বলে এই সম্পর্কে দেওয়া পাওয়ার কোন জায়গা নেই কিন্তু এটা ভুল,এই একটাই মাত্র সম্পর্ক যেখানে সবচেয়ে বেশি লেনদেন থাকে।এখানেই সবচেয়ে বেশি চাওয়া পাওয়া রয়েছে।যতটা চাইবি ততাধিক দেওয়ার খোয়াইশ রাখবি, ইনশাআল্লাহ আজীবন একত্রে সুখে থাকতে পারবি। আরেকটি কথা সবসময় মনে রাখবি,রাগ করে কখনোই আলাদা থাকবি না, মনে রাখবি স্বামী স্ত্রী আলাদা থাকলে তাদের মধ্যে শয়তান ঢুকে পড়ে, অতঃপর দুরত্ব আরো বাড়িয়ে দিয়ে সেটাকে ভাঙ্গন অব্দি নিয়ে যায়।তাই যত যাই হোক, কখনোই জামাইকে নিজের কাছ ছাড়া করবি না,সে দুরে ঠেলে দিলেও তুই কাছে এগিয়ে যাবি।সে লাথি মেরে সরিয়ে দিলে তুই সে পায়ে নিজের ঠোঁটের ছোঁয়ায় তার মন গলিয়ে রাখবি।স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীর বেহেস্ত,এটা সত্য কি-না জানি না তবে ইইজগতে স্বামীই একজন নারীর প্রকৃত অভিভাবক,আর এই অভিভাবক যতদিন থাকবে ততদিন তোর দুনিয়া আলোকিত থাকবে। জীবনের খারাপ সময়ে লোকে হয়তো তোকে শান্তনা দিবে কিন্তু শান্তি তুই স্বামীর উপস্থিতিতেই পাবি।তাই বলছি কখনোই স্বামীকে নিরাশ করবি না, খবরদার এমন কোন কিছু যেন না শুনি ।"


লিলি সবার উপদেশ শুনেছে তার সঙ্গে বিগত সাত দিনের সংসার জীবনে বুঝতে পেরেছে তার স্বামী তার সঙ্গ ভীষণ উপভোগ করে। যতক্ষণ সে তার সান্নিধ্যে থাকে তার ভেতরে ডুবে থাকে।লোকটা তখন ইহজগতের সব অনুভূতি ত্যাগ করে কোন এক স্বর্গীয় সুখ খুঁজে পাওয়ার ন্যায় তৃপ্ত হয়।তাকেও নিজের সঙ্গে ডুবিয়ে রাখে।লিলি নিজেও হারিয়ে যায় অতলে,ভালোলাগার এক দেহ শিরশিরানি অনুভূতিতে।যেখানে লিলি শুধু উপভোগ করে কারো গভীর করে ছুঁয়ে দেওয়া।তার দেহ জুড়ে বিচরন করা এক সুঠামদেহী,তামাটে বর্ণের গাম্ভীর্যে ভরা পূর্নাঙ্গ যুবকের উথালপাতাল মাতাল করা কামুকে ছোঁয়া।যেথায় লিলির জন্য থাকে পরম সুখ, সোহাগ আনন্দ আর উল্লাস!


লিলিও নিজেও তাতে সমর্থ দেয়,সেও আদ্যোপান্ত ছুঁয়ে দেয় নিজের নরম ঠোঁট দিয়ে। শক্ত করে মিশিয়ে রাখে নিজের সাথে। সাতদিনের সাতটা রাত লিলি নৈস্বর্গিক সুখে ডুবে ছিলো,লিলি জানে না সামনে কি হবে তবে এতটুকু জানে এই লোক তাকে এভাবেই ডুবিয়ে মারবে।এখন যেমন করে লিলিকে লজ্জায় মিশিয়ে মারবে।গত সাতদিন ধরেই তারা একত্রে গোসল করছে,আর যখন গোসল করে তখন তৌকির সাহেব তার পা থেকে মাথা অবধি নিজ হাতে সাবান ঘষে ঘষে গোসল করায়।যেন লিলি শিশু বাচ্চা!


“ শোন সাবান তো এখানে নেই, আর এখন! কি ভাবছো এত? "


তৌকির লুঙ্গি কাঁধের উপর ফেলে রেখে গোসলখানায় ঢুকতেই এই কথাটা মনে পড়লো,লিলির ভাবলেশহীন ভাবে চেয়ে থাকায় উক্ত কথাটা বললো। বরাবরের মতোই তার কন্ঠস্বরে লিলি চমকালো, সংকুচিত হয়ে গেলো, তটস্থ হয়ে জিজ্ঞেস বললো,


“ জি না , তেমন কিছু না।"


“ আচ্ছা তেমন কিছু না হলে এখন তা ভাবা বন্ধ করে আসো। কিন্তু গোসল যে করবা, সাবান ছাড়া! গোসল তো করাও জরুরি,ফরজ গোসল না করে তো এভাবে একটা দিন কাটিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়।ফরজ গোসল করা একান্ত জরুরি।"


“ সাবান তো আছে!"


“ কোথায়?"


“ আমাদের ব্যাগেই!"


“ ক‌ই পেলা?"


“ ওমা ক‌ই‌ পাবো মানে কি? বিয়ে উপলক্ষে আপনাদের বাড়ি থেকে আমাকে দিলো না,সেই সাবান‌ই তো রয়ে গিয়েছে, তাতো আর ব্যবহার করা হয়নি।"


“ ওমা,তা নিয়ে আসছো?"


“ হ্যাঁ বড় আপা ব্যাগে ঢুকিয়ে দিলো সব,বললো,‘ তোমার জিনিস তুমি সব নিয়ে যাও' !"


“ যাক ভালো হয়েছে,এখন কাজে আসছে, আচ্ছা আসো তাহলে ঐ সাবান দিয়েই এখন কাজ সারি।"


“ জি আসতাছি, কাপড় নিয়ে নেই।"


বলেই লিলি নিজের কাপড়ের ব্যাগ খুলে একটা ফিরোজা রঙের হালকা সুতোর কাজ করা সুতি থ্রি পিস বের করে নিলো। এরপর..

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ