সুখ_প্রান্তর | পর্বসংখ্যা_৩০

 #সুখ_প্রান্তর 

#শেখ_মরিয়ম_বিবি 

#পর্বসংখ্যা_৩০

সুখ প্রান্তর, মরিয়ম বিবি - Morium Bibi


কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ‼️ 


“ টুমার ভাবী কি সিক? "

ভাঙা বাংলায় প্রশ্নটা করলো ফাতিন। তাদের বিবাহের বাজার চলছে।আফিয়া ননদ আর ননদাইয়ের সাথেই এসেছে।নাসিফ একটু পর যোগ দিবে।ফাতিনের আত্নীয় বর্গের অধিকাংশ কানাডায় তাই তাদের দ্বারা সব আয়োজন করা একটু কষ্ট বৈ।তবে যারা আছেন তারা যথেষ্ট চেষ্টা করছে।

নিজের বাগদত্তার কথায় গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলো আফিয়াকে নাফিসা।সে মূলত মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। ভাইয়ের ব‌উয়ের শারীরিক অবস্থা যে তার চোখে বিঁধছে না তেমন নয়। যদি স্বাভাবিক বিষয় ভাবে তবে বলা যায় এগুলো সব প্রেগন্যান্সি লক্ষন কিন্তু আফিয়ার ক্ষেত্রে তেমনটা ভাবার উপায় নাই।নাসিফ আফিয়াকে আরও ভালো ডাক্তার দেখানোর কথা বললে নাফিসা সাজেস্ট করে একবারে চেন্নাই কিংবা নেপালে গিয়ে ডাক্তার দেখিয়ে আনতে। কিন্তু তাতো এখন সম্ভব নয়।আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহেই নাফিসার শুভ প্রণয়ের কাজ সম্পন্ন হবে।তাই আপাতত আফিয়া এখানকার ডাক্তারের সাজেশন পাওয়া ট্রিটমেন্ট নিচ্ছে যদিও পরীক্ষা করাতে বললে আফিয়া যায় নি।তার আসলেই এই রোগশোগের জীবন ভালো লাগছে না।

নাফিসা আফিয়ার দিকে এগিয়ে গিয়ে বললো,

“ তুমি কি একটু বিশ্রাম নিবে ভাবী?"

আফিয়া নাকের উপর জমে থাকা ঘামটুকু মুছে বললো,

“ না,আমি ঠিক আছি।

_আচ্ছা তোমার ভাই কতদূর,একটু জিজ্ঞেস করো তো! আমাদের তো অনেক কেনাকাটা, একটু সময় নিয়ে না আসলে চলবে?"

“ সে আমি জিজ্ঞেস করছি।তুমি এখানে একটু বসো তো।"

বলেই নাফিসা আফিয়াকে পাশেই থাকা চেয়ারে বসিয়ে দিলো।আফিয়া নিজের এক হাত নাফিসার হাতের মুঠোয় রেখে গা ছেড়ে বসলো চেয়ারে।ফাতিন এগিয়ে এসে নিজের হাতে থাকা পানির বোতলটা খুলে আফিয়ার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললো,

“ ভাবী,পাই খান; ভালো লাগবে!"

“ শুকরিয়া ভাই!"

বলে আফিয়া বোতলটা নিয়ে নিকাবের নিচ দিয়ে পানি পান করলো।মিনিট তিনেক তিন জনের মধ্যে টুকটাক আলাপ চললো।এরপরেই নাফিসের আগমন।

“ আসসসালামু আলাইকুম!"

বলেই নাসিফ ফাতিনের এক মামাতো ভাই আবদুল্লাহ মির্জার সাথে করমর্দন করলো‌।উনি আর উনার সহধর্মিণী এসেছেন ফাতিনের সাথে বিয়ের কেনাকাটার জন্য।

ফাতিনের মা ফাতমা জাহাঙ্গীর পরিবেশ বদলের শিকার হয়ে বিছানায় পড়ে গেছে।তাই উনাকে দেখভালের দায়িত্ব নিয়ে ফাতিনের বাবা আব্বাস জিয়ান সহধর্মিণীর সঙ্গে ঘরেই অবস্থান করছে। অবশ্য হঠাৎ করেই পরিবেশের পরিবর্তন তার উপরেও প্রভাব ফেলেছে।

তাই ফাতিনের সঙ্গে এসেছে তার মামাতো ভাই আবদুল্লাহ মির্জা,তার সহধর্মিণী আঁখি হাওলাদার।নাফিসার ভাই,ভাবী। অবশ্য কেনাকাটা খুব একটা না।কারণ তারা ইতিপূর্বেই বিয়ের কেনাকাটা অর্ধেক সেড়ে ফেলেছেন।তবে নাফিসার জন্য নতুন কিছু অলংকার গড়াতে এবং সামান্য কিছু নতুন ডিজাইনের পোশাক তার শ্বশুর বাড়ি থেকে তাকে বিয়ের জন্য দিবে বলে আজ এখানে আসা।

ঐদিকে নাফিসার পরিবারের তরফ থেকে ফাতিনের জন্য বিয়ের সের‌ওয়ানি, কমপ্লিট স্যুট গিফট দেওয়া হবে তার জন্য অবশ্যই ফাতিনের মাপ দরকার।তাই তো এক সাথেই কেনাকাটার হিড়িক।

“ কি হয়েছে? অসুস্থ বেশি লাগছে?"

“ না তেমন কিছু না।জাস্ট একটু দূর্বল লাগছে।

_ আমারা না খুব ক্ষুধাও লাগছে। মনে হচ্ছে একটু ঝাল ঝাল কিছু খেলে বেশ ভালো লাগতো।"

স্বামীর কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে নিজের মনের কথাটা বলেই ফেললো আফিয়া। ইচ্ছাটা তার অনেক আগেই চেপেছে কিন্তু ননদাইয়ের হবু পরিবারের সামনে লজ্জায় বলতে পারছিলো না।তাই নাফিস যখন সামনে এসেই শারীরিক অবস্থা জিজ্ঞেস করলো তখন বলেই ফেললো।নাসিফ অদ্ভুত চোখে তাকিয়ে দেখলো কেবল আফিয়াকে। এরপর সবার উদ্দেশ্যে বললো,

“ আমি বলছিলাম আগে যদি হালকা কিছু খেয়ে নেওয়া যেতো ভালো হতো না?

ইয়ে মানে অনেক সময় হয়েছে নিশ্চয় কেউ‌ই কিছু খান নি! আমার মনে হচ্ছে আগে খাওয়া দাওয়া সেড়ে গায়ে শক্তি এনে এরপর না হয় কেনাকাটার চাপ সামলানো যাবে।নয়তো মহিলা পার্টির ঘোরাঘুরির চাপে পড়লে পরে দুপুর পেরিয়ে রাত হয়ে যাবে কিন্তু খাওয়া আর হবেনা।"

যেহেতু দুপুরের আগেই বের হয়েছে সুতরাং নাফিসের প্রস্তাব সবার কাছেই পছন্দ হয়েছে।তাই একমত হতেই নাসিফ জিজ্ঞেস করলো,

“ তো কোথাও যাবো?"

“ চলেন এক জায়গায়,খেলেই হলো।"

বললেন আবদুল্লাহ মির্জা।আফিয়া নাসিফের হাতে চিমটি কেটে দৃষ্টি নিজের দিকে ফেরালো।নাসিফ মাথা ঝুঁকিয়ে আফিয়ার দিকে কান পাততেই ছোট করে বললো,

“ বাংলা হোটেলে চলেন।ভাত খাবো আমি।ঝাল ঝাল করে!"

নাসিফ আফিয়াকে বাইরে খেতে কখনো এমন অদ্ভুত আর্জি করতে দেখে না।তাই তার অবাক হ‌ওয়ার‌ই কথা।সে এক মিনিট আফিয়াকে দেখলো,কালো বোরকা নিকাবের মাঝে লুকিয়ে থাকা সুন্দর,সুশ্রী মুখের সব ভঙ্গি‌ই তার জানা।অতি গভীর কাজল কালো আঁখির সব অনুভূতি তার পাঠ করা। তবুও আজ কাল তার বড্ড অচেনা লাগে। কিন্তু....

“ হুম!"

উত্তর করে সবার দিকে চেয়ে বললো,

“ ফাতিন নিশ্চয়ই আমাদের দেশী খাবারে অভ্যস্ত হয়নি। চলো আজকে বাংলা খাবে।"

ফাতিন সুমন্ধির কথায় হালকা হাসলো। নাফিসা বললো,

“ তাড়াতাড়ি চলো। নয়তো দেরী হয়ে যাবে।"

◼️◼️◼️◼️◼️◼️◼️◼️◼️◼️◼️◼️◼️◼️◼️

“ আমাকে ঝাল ঝাল কোন ভর্তা আইটেম দিতে পারবেন?"

হোটেল বয়কে জিজ্ঞেস করলো আফিয়া।নাসিফ আফিয়ার অর্ডার দেখছে।সব ভর্তা এবং ঝাল ঝাল আইটেম অর্ডার করছে।অথচ স্পষ্ট তার এমন খাবার খাওয়া নিষেধ।যা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে আফিয়া।তবে আজ কি হয়েছে?

“ জ্বী!"

“ ওকে,তাহলে আমাকে আপনি খুব ঝাল করে ল‌ইট্টা শুঁটকি আর চ্যাপা শুটকির ভর্তা দিবেন।মশলা যেন বেশি হয়।আর হ্যা তার সাথে অবশ্যই শুকনো মরিচের ভর্তা দিবেন!"

হোটেল টা বেশ ভালো। নিজের ইচ্ছামত অর্ডার করেও খাবার খাওয়া যায়।তাই আফিয়া এই দোকানেই খাবার খেতে আগ্রহ দেখালো।ফাতিনের দেশীয় খাবারের মধ্যে প্রথম পছন্দ মুরগীর কষা মাংস।তবে তাতে থাকবে কাঁচা মরিচ এবং হলুদেলর পরিমাণ নেহায়েত কম।তার সাথে হাফ সিদ্ধ সবজির তরকারি।যাতে প্রচুর পরিমাণে কালোজিরা থাকবে। ফালি করে দেওয়া অল্প পরিমানের কাঁচা মরিচ।গরম গরম ভাতের সাথে বেশ লাগে।এই আইটেমটি তাকে সবার আগে নাফিসাই করে খাইয়ে ছিলো সেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে।তখন থেকেই তার এগুলো বেশ পছন্দ।তার ইচ্ছা অনুযায়ী‌ই খাবারের তালিকা নিলো হোটেল বয়।নাসিফ নিজের স্ত্রীর পছন্দের খাবার‌ই খেলো। বাকীরাও নিজেদের পছন্দের তালিকা বললো। তারপর হোটেল বয় চলে গেলো।

বেশ কয়েকদিন ধরে খাবার না পেলে মানুষ যেমন করে দিকবিদিক হয়ে খাবার মুখে তুলে আফিয়াও ঠিক তাই করছে।সে কারো দিকে না তাকিয়েই এমনকি তার পাশে থাকা তার স্বামী নামক মানুষটার দিকেও তাকালো না।সে খাচ্ছে কিনা সেদিকে খেয়াল করলো না।খাবারটা সামনে আসতেই তাতে হামলে পড়লো এবং সবাইকে চমকে দিয়ে সে পটাপট দু প্লেট ভাত সাবার করে ফেললো।ঝালে নাসিফের কান দিয়ে ধোঁয়া উড়ছে কিন্তু আফিয়া স্বাভাবিক হয়ে খাচ্ছে। যেহেতু আফিয়া পর্দার আড়ালেই খাবে তাই তাকে নিয়ে নাসিফ একটু আলাদাভাবে পর্দা দেওয়া কেবিনে বসেছে।বাকীরা খোলা জায়গায়।তাই আফিয়ার এই কীর্তি কেবল তার স্বামী‌ই দেখলো।

নাসিফ আরো খেয়াল করছে আফিয়ার মুখটা কেমন দিনদিনই ভেঙে যাচ্ছে, শুকিয়ে কেমন চিমসে যাচ্ছে। এতদিন ভেবেছে আফিয়া ডায়েট করছে বলেই এমন হচ্ছে কিন্তু এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে ‌আফিয়ার মানসিক সমস্যা হচ্ছে যার জন্য এমন অদ্ভুত আচরণ করছে।সে আফিয়ার দিকে চেয়ে বললো,

“ শোন কাল থেকে ডায়েট করবে না।"

নাসিফের দিকে চেয়ে আফিয়া উত্তর করলো,

“ কেন?"

“ দরকার নাই। ঠিকঠাক ভাবে খাওয়া দাওয়া করো।চেহারা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এইসব ডায়েটের কারণে!"

“ কিন্তু তাতে তো ওজন বেড়ে যাবে। তখন তো ড্রামের মতো লাগবে!"

“ লাগুক 

আমার সমস্যা নাই। সুস্থ থাকলেই চলবে!"

“ ওজন বাড়লে অস্থিরতা বেড়ে যায় আমার। তখন আরো বেশি খারাপ লাগে।"

“ ভিসার জন্য কাগজ জমা দিয়ে আসছি

ইনশাআল্লাহ নাফিসার বিয়ের পরপরই সব কনফার্ম হয়ে যাবে।তাই এক কয়টা দিন কষ্ট করো‌। খাওয়া দাওয়া ঠিকঠাক করো। এরপর ডাক্তার দেখিয়ে ওজন কমানো ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। ততদিন অন্তত এই ডায়েট চ্যাপ্টার বন্ধ রাখবে।"

“ কিন্তু?"

“ যা বলছি এর বাইরে আর কোন কথা নেই।"

◼️◼️◼️◼️◼️◼️◼️◼️◼️◼️◼️◼️◼️◼️◼️

খুশির মাঝে বিপদের আগমন থাকবেই।নাফিসার বিয়ের পর্ব শেষ হতেই বিপদ টুক করে নাসিফ আফিয়ার সংসারে ঢুকে পড়ছে। এর মধ্যেই ভিসা চলে এসেছে। দিন তিনের মধ্যেই তাদের বিমানে চড়ার তারিখ পড়েছে। কিন্তু ঐ যে? বিপদ মহাশয় তার চেহারা দর্শনে আগ্রহী হয়ে অযাচিত ভাবে ঢুকে পড়েছে।

নাবীহার গায়ে হাড় কাঁপানো জ্বর এসেছে। আবহাওয়া পরিবর্তন এবং হুট করেই গরম আবার হুট করেই শীতের নাচন। বাচ্চা মানুষ নাবীহার অতি কোমল দেহ নিতে পারেনি।মেয়েটা জ্বর বাঁধিয়ে তাকে নিউমোনিয়ায় রুপান্তরিত করেছে।

তাকে নিয়েই এখন গাজী পরিবারের সবাই ভীষন ব্যস্ত।

শ্বশুর বাড়িতে থাকা নব্য বধূ নাফিসার‌ও মনটা ভাতিজির কাছে পড়ে আছে। ছোট্ট থেকে সন্তানের স্নেহে বড় করা মেয়েটার এমন অবস্থায় তার পাশে না থাকতে পারায় সে ভিডিও কল করেই হাউমাউ করে কান্না শুরু করে দেয়।আফিয়াও নিজের অসুস্থ শরীরের সব অসুস্থতা ভুলে মেয়ের জন্য দিনরাত হাসপাতালে পড়ে আছে।

“ ম্যাম আপনার প্রেসার কিন্তু একেবারেই কম।

_ বুঝি বাচ্চা অসুস্থ থাকলে মায়েদের কোন হুশ জ্ঞান থাকে না।তবুও বলবো আপনি নিজের যত্ন না নিলে বাচ্চার যত্ন নেওয়ার মতো অবস্থায় থাকতে পারবেন না।"

“ আর কি যত্ন নিবো।আগে আমার বাচ্চাটা একটু সুস্থ হোক। ইনশাআল্লাহ তারপর।"

নাফিসা প্রেসার চেইক করিয়ে নিলো। যেহেতু হাসপাতালে আছে তাই ঘুমের অভাব অবশ্যই হচ্ছে।তাই শারীরিক দূর্বলতাকে এবার ঘুমের অভাবের উপর চাপিয়ে দিলো।

দিন পনেরো হাসপাতালে কাটিয়ে একেবারে হাড়ের সাথে মাংস মিশিয়ে অবশেষে নাবীহাকে বাড়িতে পাঠালো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মেয়ের অসুস্থতা নাসিফের মনেও বিরূপ মনোভাব তৈরি করেছে। সে এখন দিনরাত মেয়ের কাছে পড়ে থাকে।যেন সে থাকলেই তার বাচ্চাদের সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।বলতে গেল বলা যায় বাচ্চাদের প্রতি তার দূর্বলতা আরো বেড়েছে। অনুভূতি গুলো আরো বেশি জোড়ালো হচ্ছে যার প্রতিক্রিয়ার স্বীকার বরাবরের মতোই হতে হবে আফিয়াকে ।

হাসপাতালে থেকে ঘরে ঢুকেই আফিয়া সবার আগে নিজেকে সময় দিলো। বাথরুমে ঢুকে লম্বা সময় নিয়ে গোসল করলো। একদম পরিষ্কার হয়ে ঝড়ঝড়ে মনে নিজেকে গুছিয়ে নিলো।প্রচন্ড ক্ষুধায় কাউকে কিছু না বলেই একাই ভাত খেতে বসলো তাও সেই ঝাল ঝাল মরিচ ভর্তা আর আমের আচাড় দিয়ে।

নাসিফ মেয়েকে বিছানায় শুইয়ে সেও গিয়েছিল গোসল করতে।এসেই আফিয়াকে এমন করতে দেখে একটু বিরক্ত হলো।আফিয়া হাসপাতালেও এমন অদ্ভুত আচরণ করেছিলো।তখন সে কেবল দেখেছে।আফিয়াকে নিয়ে সংসার তার দুই বছরের 

দিকে যাচ্ছে।তাই একটু হলেও চেনা হয়েছে সেই চেনা থেকেই আফিয়ার এমন আচরণ তার কাছে অদ্ভুত লাগছে। কিন্তু কি বলবে তাও বুঝতে পারছে না।নাসিফের মনে হচ্ছে দৈহিক অসুস্থতার জন্য আফিয়ার মানসিক রোগ শুরু হচ্ছে যার প্রতিকার দ্রুত‌ই করা জরুরি।মেয়েটা আরো একটু সুস্থ হলেই আফিয়াকে নিয়ে উড়াল দিবে।

কিন্তু তার আগেই তাদের জীবনে ঘটতে চলেছে তা যদি নাসিফের জানা থাকতো তবে কি হতো?

চলমান.....

কি হবে বলেন তো?

আশাকরি উত্তর দিবেন!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ