#সুখ_প্রান্তর
#শেখ_মরিয়ম_বিবি
#পর্বসংখ্যা_২৯
কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ‼️
“ আপনার মেডিক্যাল রেকর্ড অনুযায়ী এর আগেও আপনার এমন হয়েছে।
অনেক টাইমের পর পিরিয়ড!তাহলে আজ হঠাৎ এমন কিছু কেন ভাবছেন? মানে আপনারা কি এক্সপেক্ট করছেন তৃতীয় বেবির জন্য?"
ডাক্তার মাধবী রজত প্রশ্ন গুলো আফিয়ার দিকে চেয়েই করলেন।পাশেই বসে আছে নাসিফ।নাসিফ কোন কথা বললো না এই প্রশ্নের বিষয়ে।আফিয়াই উত্তর দিলো,
“ না না ডক্টর এমন কিছু না।
_আসলে, আগে তো আমি অবিবাহিত ছিলাম।তাই এমন কিছু ভাবার অবকাশ ছিলো না।তবে এখন যেহেতু বিবাহিত! তাই ,আসলে আমার হাজব্যান্ডের মনে একটু খচখচানি শুরু হয়েছে আর আমার রেগুলার চেকাপেরও সময় চলে আসছে তাই আর কি!"
“ মিস্টার গাজী কি বাচ্চার আশা করছেন?"
নাসিফ একটু ইতস্তত করছে,এই প্রসঙ্গে কথা বলার মতো প্রস্ততি তার নেই। আফিয়া নাসিফের মনের খবর তো জানেই তাই সেই উত্তর দিলো,
“ এমন কিছু না।
_ আমাদের তো আল্লাহর রহমতে দুটো বাচ্চা আছেই।তাই আমরা আর কোনরকম আশা করছি না। আপাতত শুধু ইনসিওর হতে চাচ্ছি যে এমন অপ্রত্যাশিত কিছু না হোক।"
“ এটা আপনাদের কাছে অপ্রত্যাশিত!
_ জানেন একটা বাচ্চা একটা দম্পতির জন্য কতটা আকাঙ্ক্ষিত! কত দম্পতিকে দেখি এখানে বসে হাপিত্যেশ করতে!আর আপনারা বলছেন?"
“ হতে পারে তবে আমাদের জন্য নয়। আপাতত আমরা দুটোতেই খুশি আছি!"
“ এক্সকিউজ মি!"
বলেই এই আলাপচারিতা থেকে উঠে দাঁড়ালো নাসিফ। তারপর আফিয়ার দিকে চেয়ে বললো,
“ আমি বাইরে আছি।"
ডাক্তারের নির্দেশমতো তার সহকারী আর সেবিকা মিলে আফিয়ার রক্ত নেওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলো।তখনই নাসিফ বেরিয়ে গেল।আফিয়া জানেই কেন নাসিফ বেরিয়ে গেল।তাও হাসি মুখে ‘ হ্যা ' বললো।
এতসময় আফিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিবরণ ডাক্তারের কাছে দিচ্ছিলো তার পরিপ্রেক্ষিতেই ডাক্তার উক্ত প্রশ্ন করছিলো।
নাসিফ চলে যেতেই মাধবী রজত আফিয়ার মুখের দিকে তাকালো।আফিয়া একটা শুকনো হাসি দিলো।মাধবী আর কিছুই বললেন না।তিনি নিজের সহকারীকে তাড়া দিলেন আফিয়ার স্যাম্পল নিতে।তাই করলো পাশে দাঁড়িয়ে থাকা তরুণীটি।
ঘন্টা দেড় পরে....
জরুরী কিছু রিপোর্ট চলে আসছে। সেগুলোই মনোযোগ দিয়ে পড়ছে ডাক্তার মাধবী রজত।তার সামনেই গাজী দম্পতি।নাসিফের ভেতরে কেমন অজানা অস্থিরতা কাজ করছে। আফিয়ার মাঝে কোন হেলদোল নেই।কারণ ডাক্তার যা বলবে তা তারা জানাই, নতুন করে কিছু শোনার নেই।
“ তেমন কিছু না।যেমনটা মিস্টার গাজী এক্সপেক্ট করে ভয় পাচ্ছিলেন।তবে মিসেস নাসিফের শারীরিক অবস্থা কিন্তু খুব একটা স্থিতিশীল নেই।যতটা বুঝতে পারছি উনার TSH^4 এবং TSH^3 বৃদ্ধি পেয়েছে আগের চেয়ে।আর ব্লাডের লেভেলও অনেক কমেছে। মানে আশাকরি আমার কথা আপনারা বুঝতে পারছেন?
_ আপনি কি ওষুধ খাওয়ায় অনিয়ম করছেন মিসেস গাজী?"
“ না তো এমন কিছু না।আমি তো সবসময়ই চেষ্টা করি নিয়মের মাঝে থাকতে।"
“ আগের চেয়ে ওয়েট বেড়েছে না?"
“ জ্বী; তিন কেজি!"
“ অনেক বেড়েছে।এটা আর বাড়তে দিয়েন না।
_ আপনি এক কাজ করুন আমাদের নিউট্রিশনিস্ট মিসেস পাপড়ির কাছে আমি আপনাকে রেফার করছি,উনার সাথে আলোচনা করে একটা ডায়েট কোর্স সম্পন্ন করুন।ওয়েট বেড়ে যাওয়া আপনার জন্য রিস্কি বিষয় মিসেস আফিয়া।
_ তবে একটা কথা আপনাকে এখন বলছি।যদিও আমি একটু আগেই অন্যভাবে বলেছি তাও এখন বলছি একান্তই আপনার ভালোর জন্য, আপনি কিন্তু কনসিভ করবেন না।এতে আপনার লাইফ রিস্ক আছে! সবচেয়ে বড় কথা বাচ্চাটাও সারভাইব করতে পারবে না। উল্টো আপনার জীবন নিয়ে টানাটানি শুরু হয়ে যাবে।তাল তো দরকার নেই। আপনাদের তো আল্লাহর রহমতে দুটো সন্তান আছেই।"
“ জ্বী আপনার উপদেশ মেনে চলার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। অবশ্য তার দরকার হয়তো পড়বে না।"
এরপর নতুন করে প্রেসক্রিপশন আরো কিছু নিয়ম-কানুন বুঝিয়ে আফিয়া নাসিফকে ছাড়লো।
ডাক্তারের রুম থেকে বেরিয়ে এলো দুজন। পাশাপাশি হেটেও যোজন যোজন দূরত্ব দুজনের মাঝে।আফিয়ার মাঝে ঠিক কি প্রবাহিত হচ্ছে তা কেবল আফিয়াই জানে আর নাসিফ!
গাড়ীতে বসে স্টিয়ারিং এ হাত রাখতেই ফোঁস করে একটা দীর্ঘ চেপে রাখা শ্বাস ছাড়লো নাসিফ।যেন সব দুশ্চিন্তা দূর হয়ে গেছে মুহূর্তেই।অথচ তার ছেড়ে দেওয়া শ্বাস আফিয়ার বুক ভারি করে তুললো খনিকেই।এই যে একটা বিভৎস অনুভূতি কাল থেকে তার ভেতরে লালায়িত ছিলো তার কি ব্যাখ্যা সে দিবে! একটা নারী সে,অথচ তার মাতৃত্বের অধিকার নেই।না সৃষ্টিকর্তা দিয়েছে আর না সৃষ্টিকর্তার সৃষ্ট মানুষ দিচ্ছে। যদি তাই না দেবে তবে কেন নারীই করলো? কেন তার সমস্ত কায়া জুড়ে নারীত্বের ছাপ! শুধুই কি ভার বয়ে বেড়ানোর জন্য! এই ব্যর্থতার ভার বয়ে বেড়ানোর জন্য! নাকি আজীবন অন্যের দায়িত্বের ভার বইতে!
সারা রাস্তা নিরবেই পাড় করলো দু'জন মানব মানবী। নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের শব্দ, গাড়ীর হর্ন আর মানুষের কোলাহল বৈ আর কিছুই শোনা গেল না।একটা শব্দও উচ্চারণ করলো না কেউ কারো সাথে।
গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীত, শরৎ, হেমন্ত, বসন্ত! ষড় ঋতুর দেশ আমাদের এই প্রিয় বাংলাদেশ! যার পরদে পরদে রুপ আর শান্তির ছায়া।যাকে তুলনা করা হয় মায়ের আঁচলের সাথে,মায়ের মমতা আর মাটির ঘ্রাণ যে দেশের মানুষের নিঃশ্বাসের সাথে মিশে থাকে।এই ষড় ঋতুর দেশের মানুষের মাঝেও থাকে ষড় ঋতুর চরিত্র।তারা নিজেদের রঙে ঢঙে মেতে উঠে অন্যকে নিয়ে।তেমনি এরা ভালোবাসে একে অপরের সাথে মিলেমিশে থাকতে।
আতিথেয়তায় সকলের প্রিয় বাংলাদেশ।সেই দেশের নাগরিকদের অতিথি আপ্যায়নে মুগ্ধ হয় প্রাচ্য থেকে প্রাশ্চাত্যের সকলেই।তেমনি মুগ্ধ হচ্ছে সেই সুদূর কানাডা থেকে আগত এক প্রবাসী বাঙ্গালী পরিবার।
সে অনেক আগের কথা নাফিসার ইন্টার্ণি শেষ হয়েছে আরো দুই বছর আগেই।সে তখন নিয়মিত প্রাক্টিস করছে।এর মধ্যেই মাস চার সে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল কক্সবাজারের উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডিউটি করে আসছে।যখন সাফিয়ার বিয়ের আয়োজন চলছিলো তখনই তার ট্রান্সফারের আয়োজন করছিলো তার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ! ঠিক তার মাস একের মধ্যেই তাকে উখিয়া চলে যেতে হয়েছিল।যদিও নাযির আহমাদ রাজী হচ্ছিলো না তবুও যেতে দিতে হয়েছে।মেয়েকে তিনি অন্যের সেবায় গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন তাই হয়েছে তবে আটকাবে কিভাবে? আর আটকাবেই বা কেন?
তবে কে জানতো সেখানে গিয়েই নাফিসার জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করার সময় চলে আসবে!
জাতিসংঘের স্বাস্থ্য টিমের সাথে একদল ইয়াং ডাক্তার আসেন।তাদের মধ্যে থাকে একজন অতিব সুদর্শন সাদা মানুষ।যার দৃষ্টি রোগীর আগেই রোগীর চিকিৎসকের উপরে পড়ে। ফর্সা, লম্বা বঙ্গ নারীর লতানো কোমরে আটকে যায় ছয় ফুটের সেই সুদর্শন ফাতিন জিয়ানের নয়ন।ঘন লম্বা কেশের ঢেউ খেলানো বিণুনী তাকে ঘোর লাগিয়ে ছাড়ে।আসে তো সে চিকিৎসা সেবা দিতে কিন্তু নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। মনের রোগে আক্রান্ত হয়ে দিকবিদিক জ্ঞান হারানো ফাতিন ছুটে বেড়ায় বঙ্গ ললনার পিছনে।পুরো তিন মাসের মানসিক ক্লান্তির অবসান ঘটে সেই ললনার স্বীকারোক্তিতে।
নাফিসা স্পষ্ট জানান দেয় তার পরিবারের মতামতই তার মতামত।
দীর্ঘ প্রবাস জীবনের বিরতি দিয়ে জিয়ান পরিবারের মুরব্বিরা দেশের মাটিতে পা রাখেন। একমাত্র পুত্র সন্তানের ইচ্ছাকে গুরুত্ব দিয়ে বঙ্গ দেশের বঙ্গ কন্যাকে নিজেদের ঘরে নিয়ে যেতেই তাদের এই আগমন।
নাযির আহমাদ প্রথমে রাজী হোন নি।এক মাত্র মেয়েকে তিনি এত দূরে দিবেন না। কিন্তু নিজ পুত্রের বোঝানোয় বুঝলেন। এবং মতামত দিলেন কন্যাকে দেওয়ার। অতঃপর দুই পরিবারের মতামতেই পাত্র পাত্রীর মাঝে আংটি বদল করে রাখা হয়।তার কারণ হলো পাত্র এখন মিশনে আছে।এই মিশন শেষ করেই বউকে নিয়ে উড়াল দিবে জাকার্তা। কারণ তার চিকিৎসা কেন্দ্র জাকার্তার একটি স্বনামধন্য চিকিৎসালয়ে।কাবিন করে রাখতে চাইছিলেন সালমা ফাওযিয়া। কিন্তু নাযির আহমাদ এবং নাসিফের মতামত ছিলো কাবিন দরকার নাই। মাত্র একে অপরের চেনাজানার সময়। পারিবারিক ভাবে আগাতে চেয়েছে তাই পারিবারিক একটি আয়োজনে তাদের পরিচিত হতে সুযোগ দেওয়া হলো।এর মধ্যে নিজেদের মাঝে বুঝপড়া হোক, চেনাজানা বাড়ুক।একজন আরেকজনকে চিনুক ভালো করে। ভবিষ্যৎ বলখ যায় না। অনুষ্ঠানের কথা আরো তিন বছর পরে,তাই যা হবে তিন বছর পরেই হোক। আশাকরি এই সময়ের মধ্যে কোনরকম ভুলে নাফিসা জড়াবে না।
নাফিসা নিজের পরিবারের মর্যাদা রেখেছে। একদম বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুললেও কখনোই নিজেদের সীমা অতিক্রম করেনি। এক্ষেত্রে বলা যায় ফাতিন বেশি সতর্ক ছিলো।তার অবদান বেশি ছিলো এই বিষয়ে।
যদিও কথা ছিলো তিন বছরের তবুও এর মধ্যেই আমিরার মৃত্যু,নাফিসের একাকীত্ব, বাচ্চাদের দায়িত্ব পালন সব মিলিয়ে আরো সময় বেড়ে গেলো।ফাতিন তাতেও নাফিসাকে মানসিক সাহস দিয়েছে। এরপর যখন নাফিসের দ্বিতীয় বিয়ের কথা শুনলো তখন সে আগ্রহ দেখিয়েছিলো নাফিসাকে নিয়ে যাওয়ার। কিন্তু তাতেও নাফিসা অনুরোধ করে আরো একটু সময় চাইলো। সেই সময়ও শেষ হলো এবং অতঃপর জিয়ান পরিবার দ্বিতীয় বারের মতো গাজী বাড়িতে পদ ধুলি দিলো ।
আজকে গাজী পরিবারের একমাত্র বিবাহযোগ্য কন্যার পাত্র পক্ষের সাথে আলোচনা চলবে।আজকেই তারিখ এবং দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হবে।
সেদিনের সেই হাসপাতাল থেকে আফিয়া নাসিফের ফেরারও প্রায় সাত মাস হয়ে গেছে।বিয়ের দেড় বছরে আজ এই যুগল। তাদের মাঝে এখনও প্রেম প্রেম গল্প হয় ,ক্ষনিকেই তা বিষাদে রুপ নেয়।
আকাশের মতো রঙ ধারী স্বামীর মন আর তার দেওয়া আমানতের যথার্থ দেখভালেই আফিয়ার সময় কেটে যায়।তবে আজকাল শরীরটা যেন চলতেই চায় না।এই যে একমাত্র ননদের বিয়ে,তার জন্য কত আয়োজন।সব যে দৌড়ে দৌড়ে করবে তাও সে পারছে না।শরীর খানা কেমন ভারী ভারী লাগে। হুটহাট করেই বমি বমি ভাব হচ্ছে।গলার সামনে মনে হচ্ছে এক দলা মাংসপিণ্ড আঁটকে আছে। অস্থির লাগে অসম্ভব। সেদিন ডাক্তারের পরামর্শে অনুযায়ী নিউট্রিশনিস্টের সাথে দেখা করে তার দেওয়া ডায়েট চার্ট অনুসরণ করেই বেশ ওজন কমিয়েছে।এখন দেখতে তো বেশ শুকনো আর ফিটফাট লাগে তবে কেন এই অস্থিরতা,আর অস্বস্থি! যেন দেহের ওজন দশ কেজি বেড়ে গেছে।
আফিয়াকে বিছানার উপর পা ঝুলিয়ে বসে অবিরত হাঁপানি রোগীর মতো হাপড় নেওয়া দেখে এবং কপালের উপর চুঁইয়ে পড়া ঘামের অস্তিত্ব দেখে নাসিফ ভ্রু কুঁচকে তাকালো।কাছে এগিয়ে এসে বললো,
“ কি হয়েছে তোমার? অস্থির লাগছে?"
“ হ্যা,কেমন জানি লাগছে! বুকটা ধরফর করছে!উফ্!"
বলেই আফিয়া নিজের কপালের উপর হাত রেখে ঘাম মুছতে চেষ্টা করলো।নাসিফ উঠে গিয়ে টিস্যু এনে আফিয়ার সারা মুখের ঘাম মুছে দিলো। এরপর আফিয়ার দিকে চেয়ে বললো,
“ চলো বোরকা পড়ো!"
আফিয়া জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকালো। বিস্ময় তার চোখে।নাসিফ আফিয়ার হাতের কনুই ধরে উঠানোর চেষ্টা করে বললো,
“ ডাক্তার দেখিয়ে আসি।"
“ পাগল হয়ে গেছেন! একটু সময় বাদেই মেহমান চলে আসবে আর আমি এখন!"
“ তুমি ঠিক থাকলে সব ঠিক থাকবে নয়তো কিছুই হবে না।চলো,উঠো!"
“ না।ছাড়েন তো।আমি এখানে একটু রেস্ট নেই তাহলেই ঠিক হয়ে যাবে!"
“ আফিয়া,জেদ করো না।উঠো চলো।"
“ জেদ আমি করছি? জেদ তো আপনি করতাছেন! এখন আমি কোথাও যাবো না।"
” একটু রেস্ট নেই তাহলেই ঠিক হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ!"
“ কিন্তু এটা তো হার্টের সমস্যাও হতে পারে!"
“ হলে হবে! তাতে এমন বড় কি আছে! আল্লাহ যদি মৃত্যু লেখা থাকে তা আপনি আলমারিতে লুকিং রাখলেও হবে। সুতরাং অযথা চিন্তা না করে আমাকে একটু বিশ্রাম নিতে দেন!"
“ আমি বুঝি না তোমার এত অনীহা কেন চিকিৎসা নিতে!"
” আর কত নিবো! সেই যে সাত বছর আগে শুরু করেছি তা এখনও বহমান।আর কি নিতে বলেন চিকিৎসা। এখন তো মনে হয় এভাবেই মরে গেলেই বাঁচি!"
“ আফিয়া!"
” আচ্ছা ঠিক আছে,আর উল্টাপাল্টা বলবো না।এখন একটু জিরাই আপনি যান গিয়ে দেখেন ঐদিকে কতদূর!আর আপনার মেয়ে কি খবর?"
চলমান......







0 মন্তব্যসমূহ