#চুড়িওয়ালা
#শেখ_মরিয়ম_বিবি
#পর্বসংখ্যা_০১
[কপি করা/চুরি করা,নিজ ফিডে শেয়ার করাও নিষেধ।দয়া করে এগুলো করবেন না কেউ। আপনার ভালো লাগলে আপনার উপন্যাস প্রেমী বন্ধুদের মেনশন দিন।ধন্যবাদ সবাইকে।]
মেলা মেলা মেলা! এক বিরাট ইদ মেলা!
আসন্ন ইদ উল আযহা উপলক্ষে কামরাঙ্গীরচর মাদবর বাজার ঠোডা খেয়াঘাট মাঠে এক বিরাট ইদ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত মেলায় পাওয়া যাবে কসমেটিকস, ক্রোকারিজ সহ শাড়ী কাপড়ের দোকান, মুখরোচক নানা খাবার, নাগরদোলা,চরকি,
পালকি, বিখ্যাত জাদুকর ও জোকার মিল্লুর চোখধাঁধানো অভিনয় ও জাদুর খেলা।আরও থাকবে পুতুল নাচ,মটর সাইকেলের কেরামতি,জমিলা সুন্দরীর যাত্রাপালা,সুমনের কুইজের ধামাকাদার সব উপহার।
মেলার এন্ট্রি ফি ফ্রি!
আসুন, দেখুন, উপভোগ করুন।
মেলা মেলা মেলা মেলা...এক বিরাআআআ...
“ঐ মেলায় যাবি নি?"
“ আগে বাড়ি যাই,নাইলে মা পিঠের ছাল তুইলা নিবো!"
তড়িঘড়ি করে নৌকা থেকে ঘাটে পা রাখতে রাখতেই কথাটা বলেছিলো তাওশি। সঙ্গে তার বান্ধবী, পাঠ সঙ্গী, সহযাত্রী মুনিয়া।
উচ্চ মাধ্যমিকের প্রথম ধাপ পেরিয়ে এখন তারা দ্বিতীয় ধাপে অর্থাৎ দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
নৌকা ভাড়া দুই টাকা পরিশোধ করে বাকী তিন টাকা নিজের ব্যাগের ছোট পকেটে ঢুকিয়ে দ্বিতীয় ধাপ পা বাড়াতেই চট করে মচকে গেলো খন্ডকৃত ইটের অংশে বেকায়দায় পা পড়ে।
তবে কপাল ভালো তাই এ যাত্রায় মুনিয়া হাতটা ধরায় পানিতে পড়া থেকে রক্ষা হলো।
“ সাবধানে হাট।
তাড়াহুড়ো করে উল্টো ব্যথা পাইয়াও মায়ের কেনুর থেকে রক্ষা পাবি না।"
কথাটায় তাওশি থমকালো খানিকটা সময়, অতঃপর ঠোঁটে জোর করে হাসি টেনে বললো,
“ মায়েরা এমনই হয়।"
“ মোটেই না
সব মায়েরা এমন হয় না।খালি তোর মা'ই এমন!"
“ আইচ্ছা বাদ দে, চল তাড়াতাড়ি।"
“ আইচ্ছা শোন না,মেলায় যাই। তারপর বাড়ি। তুই বাড়ি ঢুকলে আর বের হইতে পারবি না।"
“ কিন্তু এখন গেলে বাড়ি যাইতে দেরি হইয়া যাইবো!"
“ হইবো না।"
মুনিয়া তাওশির হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে গেলো।
মেলার মাঠে এসে তাওশি, মুনিয়া হতাশ হলো। কারণ এখনও দোকান সাজানো হয়নি।এখনও অনেক দোকানের বাঁশ গাড়ার কাজ চলমান। অর্থাৎ মেলায় দোকান বানানোর কাজ অসম্পন্ন, চলমান।
“ ধ্যাত! দোকানই তো এহোনও বসে নাই।"
মুনিয়ার আক্ষেপ।তাওশি নিজের দু কাঁধে ঝুলিয়ে রাখা বই ভর্তি ভারী ব্যাগটার দুই ফিতা দুই হাত দিয়ে টেনে ধরে ফিতাটা সামনের দিকে এনে ব্যাগটা পিঠের সাথে ভালো করে এঁটে ধরে বললো,
“ আইসাই যখন পড়ছি, একবার ভেতরে গিয়া দেখি!"
মুনিয়া মাথাটা দুদিকে দুলিয়ে সম্মতি দিলো।তাওশির ডান হাতটা নিজের বাম হাতের মুঠোয় আঁকড়ে পা বাড়ায়।
চারদিকে বাঁশ কাঠের খন্ডাংশ, অ্যালুমিনিয়ামের টিন,হাতুড়ির ঠুকঠাক।তার মধ্যেই দুই চারটা দোকান সাজানো, নানা রকম পণ্যের সমাহার।বাহারি রঙ আর মজার মজার নামের সব দোকান।তার মধ্যে তাওশি, মুনিয়ার চোখ আটকালো চোখ ধাঁধানো হলুদ, লাল, সবুজ, সাদা,কমলা আর বহু রঙের চুড়ির নকশায় তৈরি ব্যানার আর তাকে জড়িয়ে রাখা বাংলা ভাষার বিশাল নামটা,‘চুড়িওয়ালা' (শেখ মরিয়ম বিবি),যার নিচে সহজ ভাষ্যে রচিত, এখানে সব রকমের চুড়ি পাওয়া যায়।রেশমি,প্যাচ,এমিটিশন সহ সবরকমের চুড়ি, চুলের ফিতা, থেকে মেয়েদের সাজসজ্জার সকল প্রসাধনী।
“ ম্যাও চল,ঐ দোকানে গিয়ে দেখি।"
তাওশি মুনিয়ার কথায় চোখ কুঁচকে তাকিয়ে বিরক্তি ঝেড়ে বললো,
“ম্যাও বলবি না বলছি না।
মুনিয়া ফোঁস করে একটা হাওয়া বের করলো দু ঠোঁটের ফাঁক দিয়ে, অতঃপর নিজের দুই বিনুনি গাঁথা চুলের একটা বিনুনি সামনে থেকে পেছনে ছুড়ে বললো,
“ বলবোই,পারলে তুইও বল!"
“ চুন্নি,তোর সাথে আর আসবোই না।"
“ যখন আইসাই পড়ছিস এখন চল!"
মুনিয়া তাওশির হাত ধরে টান দিয়ে এগুতে থাকলো।
_____________________________________
“ ওস্তাদ,লাল রেশমি চুড়ি গুলা কি এহোন বক্সে সাজামু?"
“ আইজ না,কাইল।"
“ ঠিকই কইছো ওস্তাদ,আজকে তেমন কাস্টমার আইবো না। সবাই দোকান মেলে নাই।পরে দ্যাহা যাইবো এমনি এমনি ময়লা হইয়া যাইবো!"
“ আইচ্ছা তুই এক কাজ কর, এদিকে ওদিকে ঘুইরা
খোঁজ নে বাজার ঘাটের কি অবস্থা?রান্ধন বসাইতে হইবো!"
“ কি রানবা ওস্তাদ!"
“ আগে দ্যাখ বাজারের জিনিসপত্রের দাম কিরকম!"
“ ওস্তাদ কইছিলাম তুমি রান্ধনের কষ্ট না নিয়া যদি আশেপাশের হোটেল থেইকা খাওনের বন্দোবস্ত করতা ঐডা ভালো হইতো না?"
” হোটেলের খরচ জানোস?
একবেলার খাওনের খরচেই পঞ্চাশ থেকে ষাইট টাকা নাইমা যাইবো। মানে তিন বেলা ১৫০-১৮০ টেকা।এক কেজী চাইল আর এক পাতিল ডাইল রাইন্ধা লগে যেকোন এক পদ থাকলে আমরা নিশ্চিন্তে তিন বেলা এইহানে বইয়া খাইতে পারুম।খরচ আর কত? চল্লিশ টাকার চাইল,বিশ টাকার ডাইল আর মনে কর মাছ,মাংস নিয়া আরো আশি থেকে একশো টেকা।তার মান অইলো সর্বসাকুল্যে দুই শো টেকাও যদি তেল নুন লাকড়ি সহ খরচ করি তাইলে তিন জনে পেট পুরে খাইতে পারমু,আর দোকান তিনজনে কত লাগবো?"
“ ম্যালা টেকা ওস্তাদ। তুমি তো ভালোই হিসাব জানো!এই লইগাই বুঝি নিজেই রান্ধো!"
ছেলেটার নাম তারেক।ওর এহেন অবুঝ কথায় হাসলো কৃষ্ণ বর্ণের মিনহাজ। দু ঠোঁটের ফাঁক গলিয়ে দাঁত দিয়ে চেপে ধরে বিশাল বড় প্লাস্টিকের বস্তাটায় গিঁট দিচ্ছিলো সে।মাথা ভর্তি ঘন সিল্ক চুল। যেগুলো অনাদর অবহেলায় কান ছাপিয়ে নিচে নামছে।ঘাড়ের দিকের চুলগুলো কাঁধ ছুঁইছুঁই হয়েছে তাও কাটছে না,চুল কাটানোর তাড়া তার মাঝে বিশেষ একটা নেই,দেখাও যাচ্ছে না।
বস্তাটা গিঁট দিয়ে হাসি প্রশমিত করে বললো,
“ নুন আনতে পান্তা ফুরায় ঘরের ছাওয়াল আমরা। আমাদের হিসাবে করেই চলতে হয়।নয়তো থাল পাততে সময় লাগবে না।"
“ কথা সইত্য ওস্তাদ।এই জন্যই আম্মায় কয় তোমারে দেখতে, তোমারে দেখলেই নাকি আমি মানুষ হমু। আইচ্ছা ওস্তাদ একটা কথা কও তো,আমি কি মানুষ না? মানুষ হয়েই তো জন্ম নিছি,তাইলে আম্মা আবার কোন মানুষ হওয়ার সবক তোমার থেকে নিতে কয়? হ তোমার বুদ্ধি জ্ঞান ভালা,বেশ মাথা খাটাও তাও .. আইচ্ছা ওস্তাদ একটা কথা কই?"
তারেক একটু বেশিই বকে।মিনহাজ জানে।তাও সে বিশেষ একটা বাঁধা দেয় না। কারণ তারেকের বোকা বোকা কথাগুলো শুনতে ভীষণ ভালো লাগে।প্রায় সমবয়সী তারা। কিন্তু সকলের কাছে বুদ্ধিমান, জ্ঞানী বলে সমাদৃত মিনহাজ তারেকের কাছে বিশেষ লোক মনে হয় কারণ তার বিধবা বয়স্কা আম্মা তাকে সবসময় মিনহাজকে অনুসরণ করার উপদেশ দেয়।তাই সে মিনহাজকে ওস্তাদ বলে সম্মান করে।
তবে এখন তারেকের বকবক শোনার সময় মিনহাজের কাছে নাই। কারণ দোকান সাজিয়ে সব গোছগাছ শেষ না হলে মালিকের মুখ দিয়ে একচোট রস ছাড়া বাক্য নির্গত হবে যা মিনহাজের ভালো লাগবে না।তাই কৌশল খাটিয়ে যেন তারেকের মনে কষ্ট না লাগে সেভাবেই বললো,
“ আইচ্ছা তোর কথা শুনতে কখন ভালো লাগে জানিস?"
অযাচিত খুশিতে ডগমগিয়ে তারেক শুধালো,
“ কহন ওস্তাদ?"
“ যহন খাইতে বসি।খাওন মুখে দিয়ে চিবাইতে চিবাইতে তোর কথাও চিবিয়ে হজম করে ফেলতে।"
“ কি কও? কথাও চিবানো যায়?"
“ হ যায় তো,এহোন যা। রান্ধনের বন্দোবস্ত কর,আমার ক্ষুধা লাগছে।খাইতে খাইতে কথাও খামু!"
“ ওকে ওস্তাদ,আমি এই যাই ঐ আহি।"
বলেই তারেক দোকানের জন্য সাজানো কাউন্টার টেবিল টপকে দোকানের বাইরে বেরিয়ে আসলো ঠিক তখনই কারো সাথে ধাক্কা লাগলো।
“ আরে আরে করেন কি? চোখে দেখেন না নাকি?"
মুনিয়া নিচে পড়ে আছে। তার পাশে হাঁটু মুড়ে বসে পড়েছে তাওশি।মুনিয়ার আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে জ্বলুনি হচ্ছে কারণ তার হাতের তালুটা একটা খন্ড ইটের কোনায় পড়েছে। ঐদিকে তাওশি মুনিয়ার কষ্ট দেখে কাঁদো কাঁদো চোখে চেয়ে আতংকিত কন্ঠে শুধালো,
“ খুব বেশি লাগছে নি?"
” দ্যাখ না!"
মুনিয়া হাতটা উঁচিয়ে ধরলো।আসলেই রিস্টে অনেকখানি চামড়া ছুঁলে গিয়েছে। তারেক বিব্রত, আতংকে কাঁপা গলায় বললো,
” মাফ করবেন আফা, দেহি নাই। আমি আসলে...."
“ কি হইছে এইহানে?"
মিনহাজ বেরিয়ে আসলো।মিনহাজকে দেখে মুনিয়া খানিকটা চেঁচিয়ে তেতানো গলায় বলতে থাকলো,
“ আরে বইলেন না ভাই, কোথায় থেকে এই ভূমিকম্পটা আমার গায়ের উপর আইসা পড়ছে।দ্যাখেন কি হাল করছে আমার হাতটার!"
হাতটা তুলে দেখালো।তাওশি বান্ধবীর হাত ধরে টেনে তুলার চেষ্টা চালাচ্ছে, কিন্তু মুনিয়ার কাছে উঠার চেয়ে বিচার বসানো বেশি জরুরি।সে নিজের মতো করে বলেই গেলো।তার কথা শুনে মিনহাজ বিরক্ত হলেও,এখন বেশি আতংক কাজ করছে। কারণ? ভীনদেশ,তাও আবার নারী সমস্যা। অর্থাৎ এই মেয়ে যেই পরিমান বকছে এ যদি স্থানীয় কারো কাছে শালিস করেই বসে তবেই না হলো কেল্লাফতে!বহু কষ্টে এবার এই শরিকের দোকানটা নিতে পেরেছে।এখন যদি এই উটকো ঝামেলায় পেঁচিয়ে তাও ছেড়ে জান বাঁচাতে পালাতে হয় তবে কি হবে?
মিনহাজ হাত বাড়িয়ে মুনিয়াকে তোলার কথা ভাবলেও সাহস করলো না।সে দুশ্চিন্তায় এত সময় আশেপাশে কোথাও তাকায়নি। কিন্তু এখন খেয়াল করলো মুনিয়ার হাত ধরে টানাটানি করা এক শিনশিনে দেহের কিশোরীকে।যার পরণে এখনো সবুজ জামা,সাদা সালোয়ার ওড়না।দুই কাঁধে ব্যাগ ঝুলানো,দুই বিনুনি গাঁথা চুলগুলো এলোমেলো হয়ে কানের গোড়ায় ঘাড়ে আঁছড়ে পড়েছে।শিনশিনে দেহের নারীটি এবার নিজ স্বভাব বহির্ভূত কাজ করলো, মৃদু চেঁচিয়ে বলল,
“ উঠ না!তোর জন্য আজকে বকাই খেতে হবে দেখছি।"
মুনিয়া তাওশির সহযোগিতা নিয়ে উঠলো। হাত জামার কাপড়ে ঘষতে ঘষতে বললো,
“ ইচ্ছা করছে!"
“ কোন ইচ্ছা টিচ্ছা করার দরকার নেই, আজকে চল। অনেক দেরি হয়ে গেছে আম্মা বকা দিবো!"
তাওশি মূলত ভয় পাচ্ছে।কারণ মুনিয়া ভীষণ ঝগড়ুটে প্রতিবাদী।তার প্রতিবাদ মানেই কাছা বেঁধে ঝগড়ায় নামা।
বাড়ির পাশের মাঠে মেলা,এখানে অপরিচিত দুজন তাগড়া পুরুষের সঙ্গে এতটুকু পুঁচকে মেয়ে হয়ে তারা যদি ঝগড়া নামক একটা বিচ্ছিরি দৃশ্য সাজায় তবে ভীষণ জঘন্য হবে সেটা দেখতে এবং নিঃসন্দেহে এই কথাটা তার বাবা মায়ের কানে পৌঁছে যাবে অতঃপর তার এদিক ওদিক যাওয়া বন্ধ।
এই যে তাওশি কলেজের পরে এদিকে ওদিকে ঢু মারতে পারছে এটা একদম বন্ধ করে দিবে।আর কখনোই সুযোগ মিলবে না সুতরাং কোনভাবেই এখানে কোন বাজে পট তুলে ধরে নিজের স্বাধীনতার পায়ে কুড়াল মারতে ইচ্ছুক নয় সে। বরং তার চেয়ে যত যাই হোক এখন কেটে পড়াটাই উত্তম।
“ আ.."
মুনিয়া আ শব্দ উচ্চারণ করতেই তাওশি থামিয়ে দিয়ে,
“ আ উ বাসায় গিয়ে করিস, এখন চল!"
“ আজকে কিছু কিনবো না?"
“ না কিনবো না,এখন পয়সা নেই।"
“ আরে ঐ যে রেশমি চুড়ি লেখা দেখলাম যে!"
“এখন না গেলে চুড়ি পরার জন্য হাত আস্তো থাকবে না তুই ভালো করেই জানিস!"
“ ধ্যাত ভালো লাগে না,আসলাম এত কষ্ট করে এখন নাকি কিছুই কিনবো না!ধুরু মেজাজ গরম হয়ে গেলো। ইচ্ছা করছে ঐ কালুটাকে ধরে ইচ্ছে মতো ঠ্যাঙ্গাই!"
“ কোন কালু?"
“ ঐ যে ধাক্কা লাগলো যেটার সাথে!"
“ এভাবে বলতে হয় না মুনি,কারো রুপ রঙ নিয়ে তাকে ভেংগাতে হয় না। আল্লাহ সৃষ্টি করেছে অর্থাৎ সবই সুন্দর!"
“ তাও ঠিক, আচ্ছা ঠিক আছে কালু বলবো না।খাম্বা বলবো তবে, ঠিক আছে?"
তাওশি কপাল চাপড়ালো, মুনিয়ার দিকে চেয়ে চোখ নাক কুঁচকে বিরবির করে বললো,
“ আল্লাহ তোকে হেদায়েত দিক।"
এরপর মুনিয়াকে ছেড়ে হনহন করে মেলা গেট পেরিয়ে বেরিয়ে গেলো। এদিকে মুনিয়া একবার পিছনে ফিরে ‘চুড়িওয়ালা' নামক দোকানটা দেখলো অতঃপর সেও মনে মনে ঐ কালো লম্বা খাম্বা ছেলেটাকে বকতে বকতে চলে গেলো।
তাদের পথের পানে চেয়ে মিনহাজ খানিকটা দুশ্চিন্তিত কন্ঠে তারেককে বললো,
“ এলাকার স্থানীয় গেদি মনে হয়, আল্লাহ জানে কি হয়; হোন সাবধানে চলাফেরা করবি।আমরা এইহানে ব্যাবসার কামে আইছি, বদনাম কামাইতে না।"
“ হ ওস্তাদ!"






0 মন্তব্যসমূহ