সুখ_প্রান্তর | পর্বসংখ্যা_১১৬

 #সুখ_প্রান্তর 

#শেখ_মরিয়ম_বিবি 

#পর্বসংখ্যা_১১৬



কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ‼️ 


নাইফের আদেশে তুহি,রিফা, ফেরা তিন জন‌ই খাওয়া শেষ করলো দ্রুত।এই সময়টুকুর মধ্যে কেউ আর কোন কথা বললো না।ওরা যাওয়ার পর‌ আফিয়াই কথা তুললো,


“ তোর হঠাৎ করেই এই ষোল বছর বয়সী মেয়ের বিয়ে নিয়ে কেন পড়তে হলো?"


“ কি করবো তাহলে আপা! পড়াশোনায় একদমই নেই।এবার‌ও ফেইল আসছে। সারাদিন শুধু সাজগোজ আর এদিকে ওদিকে যাওয়ার কথা।"


“ তা এই সমস্যা কি বিয়ে দিলেই মিটে যাবে খালা মনি!"


“ সে না হয় মিটবে কি-না প্রশ্ন করছো কিন্তু ঘরে রেখেই বা কি লাভ বলো বাবা! আর হাতে একটা ভালো প্রস্তাব এসেছে তাই তোমার খালুজান‌ও ভাবছে..


“ ওহ,তাহলে এই কথা।"


বসার ঘরের সোফায় গা হেলিয়ে বসলো।সাফিয়াও উঠে এসে সোফায় বসলো।নাসিফ আফিয়ার দিকে চেয়ে হালকা শব্দে ছোট করে শ্বাস ফেলে উঠে দাঁড়ালো।তাইফ বড় ভাইয়ের পিছনে সোফায় ঠেক দিয়ে উবু হয়ে দাঁড়িয়েছে,নাবীহাও খালার পাশেই বসলো।নাসিফ এসে পায়ের উপর পা তুলে ডান হাতটা ভাজ করে মুষ্টিবদ্ধ কবজিটা মুখের উপর লাগিয়ে রেখে শ্যালিকার কথায় জিজ্ঞেস করলো,


“ কেমন প্রস্তাব? কি করে ছেলে?"


“ প্রবাসী ভাইয়া। ছেলে কাতারে কসমেটিকসের ব্যাবসা করে। বিয়ের জন্য দেশে আসছে। তাঁদের ডিমান্ড সুন্দরী মেয়ে।আর কিছু লাগবে না।

ওর বাবার‌ই এক পুরানো প্রবাসী বন্ধুর ছেলে।"


“ ওহ্!"


বলেই নাইফ পুরো গা ছেড়ে সোফায় মাথা পেতে আধ শোয়া হয়ে বসলো।তাইফ ঠোঁট বেঁকিয়ে নিচু শব্দে বললো,


“ পয়সার ডেকসি!"


নাইফ হেসে দিল ভাইয়ের কথায়।চোখ বন্ধ করে মুচকি হাসলো।এত‌ই নিচু শব্দে বললো যে শুধু নাইফের কানেই গেল।নাসিফ চোখ মুখ কুঁচকে ফেললো। বিরক্ত হয়ে শুধালো,


“ কি সমস্যা দুই ভাইয়ের?এমন গুরুত্বপূর্ণ কথায় তোমাদের মাঝে এখন কিসের এত খোশালাপ?"


“ স্যরি বাবা,এমন কিছু না।জাস্ট!"


তাইফ নিজের পক্ষে সাফাই দিতে কথা বলতেই নাসিফ হাতের ইশারায় থামিয়ে দিল।তাইফ‌ও চুপ হয়ে গেলো।নাইফ সোজা হয়ে বসলো‌।নাবীহা খালার দিকে চেয়ে কন্ঠে দুশ্চিন্তার আভাস রেখে শুধালো,


“ ছেলের বয়স কত খালা মনি?"


“ আটাশ চলছে।"


“ আর ফেরার মাত্র ষোল পড়লো! তুমি কি খালা মনি? পড়াশোনায় মনোযোগ নেই তাই বলে ষোল বছরের মেয়ের জন্য তার দ্বিগুণ বয়সী ছেলেকে পছন্দ করে গলায় ঝুলিয়ে দিবে!মানে সিরিয়াসলি!"


নাইফ পিঠ বাঁকিয়ে বসে খালার দিকে চেয়ে কথাটা বললো,সাফিয়া বোনের ছেলের কাছে অযুহাত দেখানোর মতো করেই বললো,


“ কি করবো তাহলে? পড়াশোনায় ভালো মেধা নেই,ঘরে শুধু শুধু বসিয়ে রেখে বয়স বাড়িয়ে কি করবো? পরে ভালো ছেলে পাবো বিয়ে দিতে? ছেলেটা ভালোই ধার্মিক আছে, দেখতেও মাশাআল্লাহ নায়কের মতো।বাবা মায়ের একমাত্র ছেলে।আর ভাই বোন কেউ নেই, ছেলের মা বলেছে তাদের শুধু একটা মেয়ে দরকার,আর কিছু চায় না।পড়াশোনার দৌড় যদিও খুব একটা না তবে তাতে আমাদের কি? আমাদের মেয়ে তো এত বছরেও মাধ্যমিকে‌ই উঠতে পারলো না।এখনো সে সেই প্রাইমারিতেই পড়ে আছে!"


“ কি সব বলছিস তুই? ঐ ছেলের অবস্থা দেখে কি মাথা নষ্ট হয়ে গিয়েছে তোর?এই বয়সী অনেক বাচ্চাই এই ক্লাসে থাকে। তাছাড়াও যে নিজের বাবার ঘরেই স্থির হতে পারেনি তাকে তুই বিয়ে দিবি কি শ্বাশুড়ির ঝাটার বারি খেতে?"


আফিয়া এদিকে এগিয়ে আসতে আসতে বললো কথাগুলো।


“ দেখো সাফিয়া, যদি আমাদের সাথে পরামর্শ করতে আসো এবং তা মানো তবে আমি বলছি,এখনো অনেক সময় পড়ে আছে।এর চেয়েও ভালো ভালো প্রস্তাব আসবে ইনশাআল্লাহ। মেয়ে আমাদের মাশাআল্লাহ অসম্ভব রুপসী।এই মেয়েকে নিয়ে তোমাদের স্বামী স্ত্রীর এত কিসের চিন্তা।ওর পড়াশোনা,ঘর দোরের কাজ নিয়ে কে ভাববে? চেহারা আর গায়ের রং দেখেই তো লোকে হামলে পড়বে ঘরের পুত্র বধূ বানানোর জন্য।অযথা এত চিন্তা করে কিশোরী মেয়েটাকে কষ্ট দিও না।এই প্রবাসী টবাসী ছেড়ে আরো একটু বড় হোক নিজেদের আশে পাশেই ভালো ব্যাবসায়ী, কর্মজীবী দেখে বিয়ে দিও। আমার পরিচিত অনেকের ছেলেরাই উপযুক্ত হচ্ছে, আল্লাহ দিলে ইনশাআল্লাহ মেয়ে আমরা নিজেদের কাছেই রাখতে পারবো।এত চাপ নেওয়ার কিছু নেই।বয়সটা উপযুক্ত হোক,পাকা পোক্ত জ্ঞান বাড়ুক। আল্লাহ ভরসা।"


“ কিন্তু ভাইয়া?"


“ কোন কিন্তু পরন্তু নেই খালামনি।এখন কোন বিয়ে টিয়ে হচ্ছে না,তোমরাও দিচ্ছো না।

আমাদের বোনকে আমরাই একটা রাজকুমার দেখে বিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ।ওর ভাইয়েরা যতদিন আছে তোমাদের চিন্তা করতে হবে না‌ ওকে নিয়ে।ব্যস কথা খতম!"


বলেই তাইফ স্থান পরিত্যাগ করে ডাইনিং টেবিলের পাশেই ওয়াটার পিউরিফায়ের থেকে গ্লাস ভর্তি করে ঢকঢক করে এক গ্লাস পানি খেলো।

নাসিফ সদ্য তরুনদের কাতারে পড়া ছেলেকে দেখলো,তার কথাও শুনলো।ভাইয়ের কথায় কথা মিলিয়ে নাইফ বললো,


“অযথা চাপ নিও না খালা মনি।ও কখনোই আমাদের কাছে তুলতুল,তুহির চেয়ে কম আদরের না।সময় হোক, ইনশাআল্লাহ আমরাই আমাদের বোনের জন্য সুযোগ্য পাত্র খুঁজে আনবো। ততদিন যদি তোমার ওকে লালন পালন করতে ভারি অসুবিধা হয় তবে আমাদের কাছে রেখে যাও। এখানেই কোন স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিবো নে। কিন্তু অযথা এই বিয়ে টিয়ে নিয়ে পড়ো না। ছোট মানুষ, বুদ্ধি সুদ্ধি কম পরে হিতে না বিপরীত হয়ে যায়।"


নিজের কথা শেষ করেই নাইফ উঠে দাঁড়িয়ে সবার উদ্দেশ্যে বললো,


“ আমি ঘরে যাই।"


নাসিফ ছেলেকে অনুমতি দিতেই সে চলে গেল। এদিকে তাইফ‌ও প্রস্থান করলো।বসে র‌ইলো বাকীরা।


_____________________


সকাল বেলার বৃষ্টির বিন্দু বিন্দু জল গড়িয়ে মানি প্ল্যান্টের মোটা নরম পল্লব কলি ছুঁয়ে পর্তুলিকায় পড়ছে আবার সেখান থেকে গড়িয়ে বড় মটকা ভর্তি পানিতে পড়ায় টপটপ ছন্দ সৃষ্টি হচ্ছে।মটকায় ভাসছে বড় বড় তিনটা পদ্ম কলি।শীতের প্রারম্ভিক পর্যায়ে।তাও বৃষ্টি হচ্ছে বিরামহীনভাবে। পুরোপুরি শীত না আসলেও এতেই বেশ ঠান্ডা লাগছে।এসির প্রয়োজন আপাতত আর হচ্ছে না।


নামাজের পর বারান্দায় মিনিট বিশ নিয়মিত হাটার অভ্যাস করছে আফিয়া।বাইরের বাগানে তো এখন যাওয়া যাচ্ছে না বৃষ্টির কারণে তাই আপাতত বারান্দায়‌ই হাঁটছে, টুকটাক মুক্ত যোগ-ব্যায়াম‌ও করে।ডান হাতটা ভীষণ ভুগাচ্ছে তাকে। ধারণা করছে এটাতে সিটিএস হয়েছে ‌। প্রাথমিক চিকিৎসা সে ঘরেই নিচ্ছে যদি এতে সমাধান না হয় তবে ভালো পিটির সাথে দেখা তাকে করতেই হবে।

তবে আপাতত সে ভীষণ চিন্তা গ্রস্থ অন্য বিষয়ে।


নাবীহার বিয়ের দিন থেকেই নামিরা বারবার এক‌ই প্রস্তাব নিয়ে কথা বলছে।নাসিফের সাথে আলাপ করার পর নাসিফ স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছে ছেলেদের বিয়ের বিষয়ে আফিয়ার কথাই শেষ কথা। এখানে নাসিফ কোন রকম হস্তক্ষেপ করবে না। এরপর থেকেই আফিয়াকে খোচাচ্ছে।আফিয়া সরাসরি কোন উত্তর দেয়নি। শুধু বলেছিল এখন‌ ভাবছে না।একটু সময় দিতে।এতে যে নামিরা ভীষণ চটেছে তাতে সন্দেহের অবকাশ নেই।


কি মুসিবত তার জীবনে হচ্ছে।এটা কি শুধু তার একার‌ই সমস্যা নাকি অন্য মায়েদের‌ও হয়।আর ছেলেটাও হচ্ছে যা তা।বিয়ে নিয়ে কোন ভাবনা নেই। কতবার করে তাহমিনার মেয়ের কথা বললো,একটু খোঁজ খবর নিতে বললো সে ছেলে কথাই শুনে না।তার এক‌ই কথা,


“ তুমি দেখে যাকে আনবে সেই চলবে আম্মু, খোঁড়া হলেও,কানা,বয়রা যাই হোক চলবে।আমার দেখার দরকার নেই।"


মানে বিয়ে না করার ধান্দা মনে হয়।ফাজিল ছেলে একটা।মনে মনে ছেলেকে বকতে থাকলো।


এই তো ছিল গত দু'দিন আগের চিন্তা ভাবনা। কিন্তু নামিরার প্রস্তাবিত মেয়ের ছবি আর বায়োডাটা নিয়ে গবেষণা করার পর আফিয়া নিজেই দ্বিধায় পড়ে গিয়েছে।


তাহমিনার মেয়ে তাহিনা,বয়সে নাইফের চেয়ে গুনে গুনে চার বছরের ছোট।লম্বায় পাঁচ ফুট পাঁচ ইঞ্চি,ফর্সা পাতলা দৈহিক গড়ন, গোলগাল মায়াবী চেহারা। কাঁধ সমান লেয়ারকাট চুলগুলো সবসময় খোলা রাখা।গত বছর অর্থনীতি নিয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করলো। এখন বর্তমানে তুরস্কের একটি সরকারি ব্যাংকে চাকরিরত।এই অবধি সব ঠিকঠাক‌ই ছিলো।

 কিন্তু?


নামিরার ননদের মেয়ে ফাতেমা নূর আব্বাস,বয়সে গুনে গুনে নাইফের পাঁচ বছরের ছোট, মাস্টার্সের শিক্ষার্থী।ইসলামিক হিস্ট্রি এন্ড পলিটিক্যাল কালচার নিয়ে আছে।বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান। ফর্সা সুন্দরী পাতলা গোলগাল দৈহিক গড়নের মেয়েটা লম্বায় পাঁচ ফুট ছয় ইঞ্চি, চুলগুলো বেশ লম্বা,কোমর ছাপিয়ে হাঁটুর নিচ অবধি যা আফিয়ার দৃষ্টি আঁকড়ে ধরতে পারলো। জার্মানির শহর বার্লিনের মাঝে বেড়ে উঠেও মেয়েটা পর্দায় থাকে। আগাগোড়া বোরকায় মুড়ানো।যদিও নামিরা একটা খোলামেলা ছবিও দিয়েছে নাইফকে দেখানোর জন্য।

আফিয়া ভরকাচ্ছে, দ্বিধান্বিত হচ্ছে, চিন্তা করছে নির্ঘুম হয়ে।চোখে আঁটকে থাকার মতো দু'টো মেয়েই।এই একটাই শুধু মিল।বাকী সব আলাদা আলাদা। দু'টো মেয়ের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য,চলন, বাচন আলাদা।তাহমিনার মেয়েকে যখন দেখেছিল তখন মেয়েটা নিছক নাদান ছিল,দেখতে যতটা সরল আর শান্ত ছিলো এখন ঠিক তার বিপরীত ধারনা মতে। পোশাক পরিচ্ছদেও আধুনিকতা চরমে।নামিরার প্রস্তাবিত মেয়েটাকে দেখেনি, চিনেও না।তবে শুনেছে,বেশ শান্ত আর ধীর স্থির মেয়েটা।

নাসিফ বলেছে নামিরার এই ননদের সাথে আমিরার বেশ ভালো সম্পর্ক ছিল।মেয়েটা মরহুমার বহু সাধনার ফসল,এই মেয়েটাকে দুনিয়াতে আনার পর‌ পর‌ই তিনি পরলোকগমন করেন। যোনীর বাল্বে ছোট টিউমার হয়েছিল, যতদিন ডাক্তার ধরতে সক্ষম হলো ততদিন সেথায় পচন ধরেছিল যেটা থেকে সন্তান জন্ম দানের সময় অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণে মারা যান তিনি।

এরপর আব্বাস সাহেব একাই হাতে পিঠে আদরে শাসনে দেখভাল করেন। সুন্দরী মেয়েটার জন্য ভরা সংসার খুঁজছে তার পিতা যাতে মেয়েটা মায়ের আদর ভালোবাসা পায়।


________________


“ না , কেন করবো না।বড় ছেলের বিয়ে বলে কথা।প্রথম পুত্র বধূ আসছে। আল্লাহ দিলে অবশ্যই ধুমধাম করেই আনবো ব‌উ।"


*****


“ এ্যাই না প্লিজ, অবশ্যই বিয়ের দিন হাজির থাকা চাই।কোন বাহনা শুনবো না।"


*****


“ ভাই, মেয়ের বিয়ে দেওয়ার চেয়েও কঠিন কাজ ছেলের বিয়ে দেওয়া নিয়ে।"


*****


“ ছেলের বউ নিয়ে আমাকে চলতে হবে,তার সাথে তার গতিবিধি মিলিয়ে নিজেকে গড়তে হবে।নয়তো ভাই....


*****


“ না মিললে নাই।আমার ছেলে ব‌উয়ের উপর কোন কিছু চাপিয়ে দেওয়ার মতো মনমানসিকতা নেই।

চেষ্টা করবো একসাথে মিলেমিশে থাকার যদি দেখি সম্ভব নয়, সুন্দর করে হাঁড়ি আলাদা করে দিয়ে বলবো নাও এখন তোমরা তোমাদের মতো সংসার করো। আমাদের নিয়ে তোমাদের ভাবতে হবে না।তাও ভাই ছেলেদের সংসারে বাড়তি বোঝা হয়ে থাকতে চাই না।"


*****


“ না দেখে শুনেই তো আনলাম।এখন আল্লাহ ছাড়া তো আর ভরসা কাউকেই করতে পারি না,করছিও না। সুতরাং সবটা আল্লাহর ইচ্ছা। দোয়া করো কেবল!"


****


“ নিশ্চয়ই,আমি কিন্তু অপেক্ষায় থাকবো।নাইফের বাবাও থাকবে। অবশ্যই অবশ্যই বিয়ের দিন ছেলের মাথায় আপনার দোয়ার হাতটা রাখা চাই। খুব করে অপেক্ষা করবো কিন্তু!"


****


“ আচ্ছা রাখছি তাহলে, আল্লাহ হাফেজ।বোঝ'ই তো কত কাজ।"


****


“না না বিয়ের কেনাকাটা মোটামুটি সব‌ই শেষ, শুধু নাইফের সের‌ওয়ানীটা বাকী‌।ওটাও সম্ভবত দুই একদিনের মধ্যেই হাতে পেয়ে যাবো।"


****


“ তা তো অবশ্যই ‌।যাই হোক,প্রথম ছেলের বিয়ে প্রথম ব‌উ আনবো।একটু আধটু চিন্তা, ভাবনা তো আছেই।তাও আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ যেভাবে যা করাচ্ছেন সব কিছুর জন্য‌ই আলহামদুলিল্লাহ।"


“ হ্যাঁ, আল্লাহ হাফেজ, আসসালামু আলাইকুম।"


****


চলমান.....


স্যরি হ্যা, অনেকদিন পর এলাম। ইনশাআল্লাহ চেষ্টা করবো নিয়মিত দেওয়ার যদি না হাত খুব ভোগায়।যাই হোক আগের পর্বেই বলেছিলাম,মূল দৃশ্যপট শুরু। শুধু মাত্র এতটুকু লেখার জন্য‌ই এতগুলো পর্ব লিখলাম আর আপনাদের পড়তে বাধ্য করলাম। আশাকরি আপনাদের ভালোই লাগবে।


ভালোবাসা সবাইকে 🌸

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ