সুখ_প্রান্তর | পর্বসংখ্যা_১০০

 #সুখ_প্রান্তর 

#শেখ_মরিয়ম_বিবি 

#পর্বসংখ্যা_১০০



কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ‼️ 


বেলা বেলায় অনেকদিন পেরিয়ে গেলো।নাইফের দ্বিতীয় বর্ষের ফলাফল বের হয়েছে আজ...

নোটিস বোর্ডে টানানো নোটিশ দেখে ইউনিভার্সিটি ওয়েবসাইটে ঢুকে নিজেদের রেজাল্ট চেইক করতেই নাইফের হাত পা শীতল হয়ে গেলো।চোখের পলক ঝাপটে বারবার দেখছে সে আসলেই ঠিক দেখছে কি-না? 

তৃতীয় সেমিস্টার অবধি টানা টপার ছেলেটা কি-না এবার সিরিয়াল অনুযায়ী চতুর্থ! কপালের ভাঁজে ভাঁজে সৃষ্টি হলো বিন্দু বিন্দু ঘাম,হাতের মুঠো শক্ত করে মুখের সামনে ধরে জোরে জোরে শ্বাস ফেললো। কেমন একটা অনুভুতি হচ্ছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাবজেক্টেই সবচেয়ে খারাপ ফলাফল।

আজ বাবা খুব আগ্রহ নিয়ে তার ফলাফল জানতে চেয়েছিলো,মামুও ফোন করেছিলো সকালে কিন্তু!


ফলাফল দেখা শেষ করতেই পেছন থেকে কেউ কাঁধ পেঁচিয়ে জিজ্ঞেস করলো,


“ কি ব্যাপার সি আর সাহেব? নিশ্চয়ই এবার‌ও টপার!"


নাইফ প্রত্যুত্তর করলো না,শুকনো মুখে মুখ ফিরিয়ে চেয়ে রইলো মোবাইলের ফ্লাশে জ্বলজ্বল করা নামটার দিকে; মিথি জামান। এবারের টপার ।ঘোর নাইফ বিরোধী। তৃতীয় সেমিস্টার অবধি নাইফের টপার হ‌ওয়া নিয়ে ভীষণ ক্ষ্যাপাটে ভাবাচরন করেছে। ভয়ানক একটা মেয়ে। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় লালিত,বাবা ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচিত চেয়ারম্যান,ভাই জেলা সভাপতি।তাই একটু বেশিই ক্ষ্যাপাটে ।যদিও তাতে নাইফের কি?নাইফ নিজের মেধা আর যোগ্যতা দিয়ে টিকে আছে। অর্থ প্রতিপত্তি কি তার‌ও কম নাকি ।তার বাবার অর্থ হিসেবে করলে এইসব মিথিটিথি কিছু না। সবচেয়ে বড় কথা তাদের পারিবারিক হালাল ব্যাবসা, রাজনীতির অসৎ পথে কামাই করা না।তবে সেটা ঐ মেয়েটাকে বুঝাবে কে?মেয়েটা যেমনি অহংকারী তেমনি হিংসুটে।খুশবুকে তো সহ্য‌'ই করতে পারে না।কেমন খিটখিট করে দেখলেই।নাইফ সিদ্ধান্ত নিয়েছে আর যদি কখনো খুশবুর সাথে এমন দুর্ব্যবহার মিথি করে তবে সোজা কমপ্লেইন করে দিবে অথরিটির কাছে।


নিজের ফলাফল দেখেই খুশবুর কথা খুব মনে পড়ছে।নাইফ টপার বলে খুশবুর সে কি আনন্দ কিন্তু এবার তো নাইফ নিজের পজিশন থেকে ছিটকে পড়েছে এখন কি করবে? আল্লাহ মালুম!

কাঁধ পেঁচিয়ে ধরে রাখা ছেলেটার থেকে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে আসলো ক্যাম্পাস থেকে।


নিজ একাডেমিক বিল্ডিং থেকে বেরিয়ে বুয়েট শহীদ আবরার ফাহাদ কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের দিকে হাঁটা ধরলো।

পথি মধ্যেই দেখা হয়ে গেলো তার এক ব্যাচ জুনিয়র মিল্লাত নামক ছেলের সাথে।তাকে দেখেই সালাম দিলো,


“ আসসালামু আলাইকুম নাইফ ভাইয়া, কেমন আছেন?"


নাইফের মনমেজাজ ভালো না,তা তার মুখেই স্পষ্ট অনুমেয় তাই ছেলেটা আগ বাড়িয়ে আরো একটি প্রশ্ন করলো,


“ ভাইয়া কিছু হয়েছে? শুনলাম আপনাকে না কি টি এস সির মোড়ে ডাকছিলো আজকের মিটিংয়ের সেটিং করার জন্য কিন্তু আপনি যান নাই!"


“ হ্যাঁ!"


“ ভাই কিছু হ‌ইছে?"


“ না,তেমন কিছু না।আসলে এই মিটিং সেটিং নিয়ে পড়ে থাকলে তো আমাদের চলবে না। পড়াশোনা‌ও করা লাগবে।

আমি তো আর পারমানেন্ট পলিটিক্সে নামছি না।অযথা.."


“ কিন্তু ভাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হ‌ইতে হ‌ইলে রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড থাকা জরুরি।নয়তো যত‌ই মেধা থাকুক ঝামেলায় পইড়া যাইবেন!"


“ এইটাই তো ঝামেলা, তাছাড়াও! দেখো না কাল কতবার বললাম ছেলেটাকে না মারতে,শুনলোই না আমার কথা।গরীব ছেলে,বাবা কৃষি কাজ করে।কি দরকার ছিলো এই ছেলেটার সাথে এত কঠোর হ‌ওয়ার!"


“ এর জন্য যান নাই? আপনার উচিত ছিলো জিমি ভাইয়াকে একবার বলা। আপনার কথা খুব মানে জিমি ভাই!"


" আমাকে মানে না ছাই, আমার টাকায়..."


কথাটা নাইফ মনে মনে বললো। মিল্লাত নামক জুনিয়রকে বললো,


“ তোমাদের রেজাল্ট দিয়েছে?"


“ হ,ভাই। একটু আগেই পাবলিসড হ‌ইছে!"


“ কেমন আসলো ফলাফল?"


“ আমার আর ফলাফল ভা‌ই,শুনতে চাইয়া লজ্জা দিলেন!"


“ ওমা লজ্জার কি আছে? যা আসবে তাই তো, ওয়েল না বলতে চাইলে সমস্যা নাই!"


“ আপনি তো সবসময়ই টপার,ভাই ট্রিট চাই কিন্তু!"


মিল্লাতের কথায় নাইফের মুখটা আবারও ছোট হয়ে গেলো।নিজের অবনতি নিয়ে সে নিজেই অসন্তোষ,বাবা মা'কে কিভাবে বুঝাবে।নাইফের চেহারার রঙ বদল মিল্লাতের দৃষ্টি এড়ালো না,সে উদগ্রীব হয়ে জিজ্ঞেস করলো,


“ ভাই কি হ‌ইছে, আপনেরে কেমন জানি,টেন্সড লাগতেছে।এনি থিং রং ভাই?"


“ না আসলে,এবার আমি টপার হ‌ইনি।টপার হয়েছে মিথি জামান!"


“ কিহ! কি কন? পজিশন বদল হ‌ইছে? কত হ‌ইছেন, দ্বিতীয়?

_ আর মিথি জামান ঐ মাইয়াডা না,ঐ যে ভাবীর সাথে যে সেদিন ঝগড়া বাধাইছিলো।"


“ মিল্লাত তোমাকে আগেও বলেছি ওকে ভাবী ডাকবা না।এটা এখনো ফিক্সড নয়, অযথা কেন ছড়াচ্ছো?"


“ স্যরি ভাই। কিন্তু আপনি যেমনে তার পিছনে সময় নষ্ট করতাছেন, শুধু সময় কেন! পয়সাও তো কম খরচ করেন না এরপরও কেমনে মানি বিষয়টি সিরিয়াস নয়!"


“ পয়সা আমি অনেকের পিছনেই খরচ করি মিল্লাত,আর এটা তুমি জানো, খুব ভালো করেই জানো।পয়সা ছড়াই মানেই তার সঙ্গে সম্পর্ক আছে বা থাকবেই এমন নয়।

তবে আমি বলতে চাচ্ছি এখন‌ও আমরা অফিসিয়ালি একে অপরকে নিজেদের ফিলিংস জানাইনি।আগে আমরা নিজেদের মধ্যে ফিক্সড হ‌ই অতঃপর তোমাদের নিয়ে পার্টি থ্রো করবো। আশাকরি তার আগেই আমাদের কোন বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলবে না,বড় ভাই হিসেবে রিকুয়েস্ট!"


“ জ্বী ভাই, ইনশাআল্লাহ এমন কিছু হবে না! আচ্ছা ভাই আপনার ছোট ভাই মানে নাফিস কেমন আছে?"


“ আছে আলহামদুলিল্লাহ, পড়াশোনার চাপে একটু এইতো আছে আলহামদুলিল্লাহ।এসো একদিন আমার বাসায়, ও যখন বাসায় থাকবে আমি বলবো তোমাকে।মিট করিয়ে দিবো নে!"


“ জ্বী ভাই, অবশ্যই!"


“ আচ্ছা তুমি কি ঐদিকে খুশবু অথবা ওর বন্ধু মহলের কাউকে দেখেছো?"


“ উমমম,না তাদের কাউকে তো দেখিনি।ওহ ভাই আপনাকে একটা খবর দেওয়ার দরকার ছিলো কিন্তু আমি ভুলেই গেছিলাম!"


“ কি?"


“ ভাই মিথি মানে ঐ আপুটা যে আপনার ব্যাচের টপার হলো মাত্র, উনার যে কাজিন আছে আপনার সিনিয়র; তার সাথে খুশবু আপুর বন্ধু জুবায়েরের বেশ ভাব! গতকাল দেখলাম দুইজনে খুব হা হা হি হি করছিলো।"


“ ওহ,এটা তেমন কি!থাকতেই পারে!"


“ কিন্তু ভাই, যে আপনার সাথে খারাপ ব্যবহার করে তার সাথে খুশবু আপুর নিকটবর্তী লোকের এত ভাব কেন? মানে কেমনে সম্ভব?"


“ আমার জন্য তো আমি খুশবুকে পুরো পৃথিবী ছাড়তে বলতে পারি না মিল্লাত!ওর'ও ব্যক্তিগত জীবন আছে ,থাকতে পারে। সেখানে আমি হস্তক্ষেপ করাটা, কেমন দেখায় না? তাও যেখানে এখনো আমরা অফিসিয়ালি কোন সম্পর্কে নাই!"


“ আপনি যাই কন ভাই , ব্যাপারটা আমার কাছে বেশ ঘাপলা লাগছে!"


“ আচ্ছা ঠিক আছে,থাকো তাহলে তুমি আমি আসছি। ওকে খুঁজতে হবে।ফোন করছি কখন থেকে, তুলছেই না।"


“ আচ্ছা ভাই আসসালামু আলাইকুম!"


“ ওয়া আলাইকুম আসসালাম,ভালো থেকো।"


বলেই নাইফ বিদায় নিয়ে এগিয়ে গেলো । গ্রন্থাগার ঘুরে না পেয়ে মোটামুটি আরো বেশ সময় এদিক ওদিক খুঁজলো অতঃপর নিজ ডিপার্টমেন্টের সীমানা ছাড়িয়ে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের রাস্তা ধরে শহীদ মিনারের দিকে আসতেই গনিত অনুষদের সামনে নাইফ বলে ডাক দিলো কেউ। কাঁধের ব্যাগটা শক্ত করে চেপে ধরে নাইফ পিছনে ফিরলো।


নাবীহার মধ্য বার্ষিক পরীক্ষার শেষদিন ছিলো আজ। এরপর মোটামুটি এক সপ্তাহের সিজনাল ছুটি।তাই সম্ভবত কাল তারা গ্রামে যাবে,নানু বাড়িতে। সুলতানা আযিযাহ'র শরীরটা ভালো যাচ্ছে না। নাতি - নাতনিদের দেখার জন্য খুব ছটফট করছে,আফিয়া তাই ভেবেছে এবার নাবীহার ছুটিটা নাবীহা গ্রামে তার নানা বাড়িতে কাটাবে।তুহি,তাইফের ক্লাস চলছে তারপরেও তাদের ছুটি নিয়েই নিয়ে যাবে।


আফিয়া দ্রুত ব্যাগপত্তর গুছিয়ে নিচ্ছিলো।নাসিফ ফোন করে জানিয়েছে আজ রাতেই র‌ওনা দিবে কারন রাতে গেলে বাচ্চারা কাল দিন থেকেই নানা বাড়ির মজা উপভোগ করতে পারবে।


নাবীহার বাড়ি পৌঁছাতে পৌঁছাতে সন্ধ্যা হয়,কারণ পাঁচটার পর ক্লাস শেষে কলেজের গনিত শিক্ষকের কাছেই প্রাইভেট পড়ে। মেয়েটা জানপ্রাণ দিয়ে খাটছে ভালো ফলাফলের জন্য। ঐদিকে নাইফ আসার পথে তাইফকে নিয়ে আসবে।তুহি ভীষণ বিরক্ত করছিলো তাই পিঠের উপর দু'টো দিয়েছিল এরপরে যা হবার তাই হয়েছে।তার দাদা দাদী ভীষণ চটেছে তার উপর। অতঃপর নাযির আহমাদ ব্যথায় অসাড় হয়ে যাওয়া পা নিয়েই স্ত্রী আর নাতনিকে নিয়ে রাস্তায় বের হয়েছে হাঁটতে ।

হাঁটা তো বাহনা মাত্র,মূলত রাস্তার যত আজেবাজে খাবার আছে তাই খেতে গিয়েছে দাদা নাতনি মিলে।

সালমা ফাওযিয়া খান না আবার ওসব। ইদানিং নাযির আহমাদের শরীর খুব একটা সুবিধের যাচ্ছে না।নাসিফ ভয়ে তটস্থ থাকে কখন বাবার কি হয়ে যায়।যদিও জন্ম মৃত্যু সবটাই আল্লাহর ইচ্ছায় তাও মানুষের বাঁচার আর বাঁচানোর খোয়াইশ তো কখনো ফুরায় না।

নাসিফ ভেবেছ বাবাকে নিয়ে বিদেশে যাবে,ভালো ডাক্তার দেখিয়ে পায়ের এই ব্যথার কিছু একটা করবে। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছা তো আল্লাহ‌ই ভালো জানেন।


“ আম্মা আসসালামু আলাইকুম,আমি চলে এসেছি আম্মা!"


দরজা খোলাই ছিলো,সেই খোলা দরজা দিয়েই তাইফ চেঁচাতে চেঁচাতে ঘরে ঢুকলো।তার ব্যাগপ্যাক তার বড় ভাইয়ের হাতে। যেহেতু তাইফের যথেষ্ট কাপড়চোপড় আছে তাই মাদ্রাসা থেকে আসার সময় ব‌ই-পত্তুর ছাড়া কিছুই সে আনে না।নাইফ‌ও সালাম দিলো,


“ আসসালামু আলাইকুম সবাইকে,রুকাইয়া খালা দরজা খোলা কেন?"


রুকাইয়া ছুটে এসে নাইফের হাত থেকে তাইফের ব্যাগটা নিলো, এবং খুবই নিচু কন্ঠে বললো,


“ খালু খালাম্মা বাবুনিরে নিয়ে বাইরে গিয়েছে একটু আগেই।"


“ তাই বলে দরজা খোলাই রাখবে? 

যদি কেউ হুট করেই ঢুকে পড়ে? তুমি তো রান্না ঘরে। আম্মু কোথায়?"


“ কি হয়েছে কি ? দুই ভাই বাড়িতে পা দিতে না দিতেই এত কিসের হ‌ইচ‌ই!"


“ আম্মা!"


তাইফ নিজের মায়ের কোমর পেঁচিয়ে ধরে খুশিতে লাফাচ্ছে।তার খুশি ছুটি ছাড়াই সে ছুটি কাটাচ্ছে।এটা তার জন্য প্রথম,তাই একটু বেশিই খুশি সে।আফিয়া ছেলেকে সাবধান করে বললো,


“ আস্তে লাফাও। পড়ে ব্যথা পাবে। আম্মাকে‌ও ব্যথা দিবে!"


“ দিবো না।ইয়েএএএএ নানুমনির কাছে যাবো?"


তাইফ মায়ের কোমর পেঁচিয়ে চঞ্চল চাহনিতে মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলো,আফিয়াও ছেলের মাথায় হাত বুলিয়ে চুলগুলো গুছিয়ে দিয়ে আদুরে গলায় বললো,


“ হ্যাঁ,যাও তাড়াতাড়ি দুই ভাই ফ্রেশ হয়ে খেয়ে দেয়ে নাও। তোমাদের বাবা চলে আসলে এক মিনিট সময়‌ও দিবে না।"


মায়ের আদেশ মতো নাইফ তাইফ দুই ভাই নিজেদের ঘরে চলে গেলো। আফিয়া রুকাইয়াকে খাবার গরম করার কথা বলে নিজেও ঘরের দিকে গেলো।


আফিয়ার ফোনটা বেজে উঠলো,সময় দেখে ভ্রু কুঁচকে বোঝার চেষ্টা করছে এই সময়ে সালাহর ফোন! কেন? নিশ্চয়ই গ্রামে মায়ের কাছে বোনেরা যাচ্ছে শুনে তার মনটা খারাপ করেছে, ‘ উফ্ ভাইটা কত দূরে!’ মনে মনে আফসোস সূচক বাক্য পাঠ করে ফোনটা তুলে রিসিভারে টান দিতেই সালাহর উদ্বিগ্ন কন্ঠে ভেসে এলো,


“ আপা আসসালামু আলাইকুম,নাইফ কোথায়?"


“ ওয়া আলাইকুম আসসালাম,নাইফ আছে, মাত্র‌ই এলো বাসায়? কেন রে কি হয়েছে?"


“ না তেমন কিছু না।আমি অনেক সময় ধরে ওকে ফোন দিচ্ছি কিন্তু রিসিভ করছে না তাই চিন্তা হচ্ছিল একটু!"


“ আশ্চর্য তোর ফোন কেন ধরবে না। দাঁড়া দেখছি তার সমস্যা কোথায়?"


“ আহ্ বকাঝকা করো না। নিশ্চয়ই কোন কারণে ফোন সাইলেন্ট করে রেখেছে যে কারণে টের পায়নি।"


“ ফোন সাইলেন্ট করার কারণটা আবার কি?"


“ অনেক কারণ থাকতে পারে আপা, টিউশনে গিয়েছিলো,গার্ডিয়ানরা পছন্দ করেন না ঐ সময়ে টিচার্স এর ফোন কল আসা।আবার ক্লাসেও ছিলো,তখন‌ও মিউট করে রাখতে পারে।যাই হোক তুমি ওকে গিয়ে ফোনটা দাও,ওর সাথে আমার কথা আছে।"


“ হ্যাঁ হ্যাঁ যাচ্ছি!"


চলমান.....


আমি চেষ্টা করছি ভালো করে ফিনিশিং টানার তাই এত এত কাহিনী পেচাচ্ছি যাতে ঐ কাঙ্খিত পর্বে গিয়ে আপনারাও এক‌ই অনুভব করতে পারেন যা আমি এখন পারছি, খানিকটা কল্পনায় আর খানিকটা বাস্তবে।


ধন্যবাদ সবাইকে এত লম্বা সময় ধরে আমার পাশে থাকার জন্য।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ