সুখ_প্রান্তর | পর্বসংখ্যা_১০২

 #সুখ_প্রান্তর 

#শেখ_মরিয়ম_বিবি 

#পর্বসংখ্যা_১০২



কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ‼️ 


“ এভাবে কেন রেখেছো এটা?"


তাইফ ভেজা তোয়ালেটা ঘাড়ের উপর রেখে ঘুরঘুর করছে। আফিয়া খেকিয়ে উঠলো ছেলের উপর। সবসময় ঠান্ডা লেগে থাকে, এত বড় ছেলে, তারপরও সর্দির থেকে রেহাই নেই।আর এই ছেলে তাও সবসময় ভেজা কাপড়ে মুড়িয়ে থাকবে।তাইফ মা'কে দেখে তাড়াতাড়ি তোয়ালেটা সোফার উপর মেলে দিলো,তা দেখ আফিয়া চোখ রাঙানি দিতেই নাইফ এসে তোয়ালে নিয়ে বারান্দায় গিয়ে মেলে দিলো।আফিয়া ছোটটাকে ধমকে বললো,


“ সামান্য তোয়ালেটাও মেলতে পারো না আবার পড়বে ক্যাডেটে!"


মায়ের কথায় গাল ফুলিয়ে নিলো তাইফ,আফিয়া চিৎকার করে বললো,


“ নাইফ কথা শেষ করো তাড়াতাড়ি! এদিকে এসো!

_ তুমি এখানে বসো। একটা ভাই বোনের খাওয়া দাওয়ার নাম নেওয়ার খবর থাকে না!"


বড় ছেলেকে ডাক দিয়ে ছোটটাকে বিছানার উপর বসতে বললো। তাইফ‌ও ভদ্র বাচ্চার মতো হাঁটু মুড়ে বসলো।


“ জ্বী মামী মনি, আল্লাহ হাফেজ ভালো, থেকো,আসসালামু আলাইকুম!"


নাইফ মামা মামীর সাথে ফোনালাপ শেষ করে ঘরে ঢুকলো ধীর পায়ে।তার কানে বাজছে মামীর বলা কথাগুলো,মামার তাকে নিয়ে হ‌ওয়া হতাশা,মামীর বলা মায়ের ইচ্ছা,বাবার স্বপ্ন ভাঙ্গার ভয়, মায়ের আশ্বাস-বিশ্বাস, নিজের সদ্য জন্মানো অনুভূতি ,তাকে ঘিরে ছোট ছোট স্বপ্ন আর ...!


“ ওখানে কেন দাঁড়িয়ে আছো বাবা? মায়ের কি আর কোন কাজ নেই? এখনো তো তোমাদের দুই ভাইয়ের ব্যাগ গুছানো হয়নি! সেগুলো গুছানো লাগবে না?"


মায়ের ডাকে নাইফের চিন্তা গ্রস্থ ভাবনার বিচ্ছেদ ঘটলো, ধীর পায়ে হেঁটে এসে ছোট ভাইয়ের পাশে বসলো,আফিয়া ভাতের সাথে মাছের টুকরো মিশিয়ে লোকমা বানিয়ে মাছ ভাতের দলাটা বড় ছেলের মুখের সামনে তুললো,নাইফ এক পলক মায়ের দিকে চেয়ে লোকমাটা পুরে নিলো গালে। সঙ্গে সঙ্গে চোখ বুজে অনুভব করলো এই লোকমায় ঠিক কি কি আছে? না এটা শুধু কয়েকটি দানার ভাত নয়, তেল মশলা মাখানো মাছের খন্ড নয়।এটা হচ্ছে ভালোবাসা! আস্তো একটা ভালোবাসা! এই ভালোবাসার তুলনা পৃথিবীর কোন কিছুর সাথে হয় না।এই ভালোবাসা কোন কিছুর সাথে বিনিময় যোগ্য না।এখানে কোন স্বার্থ নেই,নেই কোন আকাঙ্ক্ষা,নেই কোন লাভ লোকসানের হিসাব! এখানে শুধু ভালোবাসা আর ভালোবাসা, বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন এটা। 

মায়ের মতো ভালো কেউ বাসতে পারে না,মায়ের ভালোবাসার বিনিময়ে কারো ভালোবাসার বিনিময় হয় না।মায়ের ভালোবাসার চেয়ে কোন কিছু দামী নয়। কোরআন, হাদিসের পরতে পরতে যেখানে জানান দেওয়া হয়েছে মায়ের ভালোবাসার গুরুত্ব,মায়ের মর্যাদা আর মায়ের অবস্থান, মায়ের সম্মান, সেখানে কেউ কি করে মায়ের তুলনা অন্য কিছুর সাথে করবে?

আফিয়া আবারও লোকমা বানিয়ে ছোট ছেলের মুখে পুরে দিয়ে বললো,


“ দ্রুত চিবাও,এত স্লো কেন তুমি?

_ ভাইয়া কিভাবে খাচ্ছে দেখো? আমি তোমাকে নিয়ে চিন্তায় আছি! আগামী বছর কিভাবে তুমি ক্যাডেটে যাবে? এখন‌ও আদব শিখলে না কোন কিছুর!"


তাইফ খাওয়ার চেয়ে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে তার খেলায়।যার কারণে অজান্তেই ধীরে ধীরে চিবুচ্ছে।

আফিয়া এই ছেলেটার সাথে ক্যাচর ক্যাচর করতেও চায় না আবার না করলেও পারে না। পুরো বেয়ারা হচ্ছে। কাউকে তোয়াজ করে না। ইদানিং আরেকটি মুসিবত হচ্ছে এই ছেলেকে নিয়ে নাসিফের অতিরিক্ত আহ্লাদ। সেদিন কে প্রশংসা করেছিলো তার ছেলের কন্ঠ দুর্দান্ত, আলোকিত মানুষ চাই নামক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য ছেলের নাম দিতে বলেছিলো।

ঐ কুড়ার ঘাট মাঠে আয়োজিত মাহফিলে কোরআন তেলাওয়াত করায় বেশ প্রশংসিত হয়েছে এলাকা জুড়ে এরপর থেকেই সে অতিরিক্ত আহ্লাদ শুরু করে দিয়েছে।যার দরুন এই ফালতু গেইমস ঘরে ঢুকেছে।যেই ঘরে টিভি নেই একটা সেই ঘরে এখন এমন সব গেইম।যদিও করার কিছু নেই,আসে মাত্র দু'টো দিনের জন্য। তো খেলবে না কি করবে? খেলাধুলা তো বাচ্চাদের জন‌্য‌ই।বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেয় না তারা পরিবেশগত সমস্যার জন্য। আশেপাশে কত কি শোনা যায়।পাছে আল্লাহ না করুক ছেলে দুটো বখে গেলো তখন? সুতরাং ঘরে বসেই খেলুক,খেলুক এসব গেইমস-টেইমস। 


আফিয়া আরেক লোকমা তুলে বড় ছেলের মুখে দিতে দিতে শুধালো,


“ এত কি বললো তোমার মামা? খুব টেন্সড লাগছিলো! কি হয়েছে?"


নাইফ লোকমাটা মুখে পুরে মায়ের কোমর জড়িয়ে মায়ের পেটের মধ্যে মুখ গুঁজে নিলো,চোখ বন্ধ করে ভাত চিবুচ্ছে আর ভাবছে এই খাইয়ে দেওয়া ঠিক কবে শুরু হয়েছিল? সেই তো সেদিন, যেদিন বাবার হাত ধরে একটা পরীকে আম্মু করে নিয়ে এসেছিল।

সে বাবার হাতে খাবে বলে বায়না করেছিলো,তখন এই পরীটাই খাইয়ে দিয়েছিলো প্রথম মমতা মাখিয়ে।তখন যে নাইফ বুঝতো না এমনটা তো নয়।নাইফকে যত‌ই বলা হয়েছিল তার মাম্মাকে নতুন রুপে আনতে যাবে কিন্তু মানুষ মরলে আর ফিরে আসে না এতটুকু বোঝার মতো বড় তো নাইফ তখন হয়েছিল।যদিও তাৎক্ষণিকভাবে সে ঠিক ঠাহর করতে পারেনি কিন্তু..

তবে নাইফ জানে এই মায়ের মমতা মাখানো ভালোবাসা, যত্ন,আগলে রাখা কোনভাবেই জন্ম দাত্রীর চেয়ে কম নয়।নাবীহা তো জানেই না, হয়তো! ও আর কত টুকু ছিলো? এই তো এতটুকু পুচকি,ওর কি মনে আছে? আমাদের যে আরেকটা মাম্মা ছিলো,যে আমাদের রেখে আকাশের তারা হয়ে গিয়েছে! যে আর কোনদিন আসবে না!

কি করে নাবীহা জানবে? যেখানে নাবীহাকে কোলেপিঠে করে মানুষ করেছে এই মা। যে জন্ম না দিয়েও জন্মদাত্রী হয়েছে নিজের যোগ্যতায়! ভালোবাসা,মমতা, স্নেহ,আগলে আগলে রাখা কোনটায় পার্থক্য আছে? নাইফ‌'ই তো বুঝলো না কোনদিন আপন আর সৎ এর মাঝে পার্থক্য, কোথায়? তাহলে নাবীহা কি করে বুঝবে যেখানে আপন মায়ের ভালোবাসা পেলোই মাত্র কটা দিন।


আফিয়া ছেলেকে এত শান্ত আর চুপচাপ দেখে একটু ভ্রু কুঁচকে নিলো, সাধারণত দুই ভাই পাশাপাশি বসে খেলে এরা এত শান্ত থাকে না।তাইফ তো খেলায় মজে আছে,আর নাইফটা!

ভাতের থালাটা শক্ত করে ডান হাতে ধরলো,বাম হাত ছেলের মাথায় রেখে চুলের গোড়ায় আঙ্গুল চালিয়ে ধীর কন্ঠে জিজ্ঞেস করলো,


“ আজকে রেজাল্ট দেওয়ার কথা ছিলো। কি হয়েছে বললে না তো!"


মায়ের কথায় নাইফ মাথা উঁচু করে মুখটা তুলে মায়ের দিকে চাইলো,নাইফের চোখ ভেজা, ছলছল করছে অক্ষিকোটর। আফিয়ার অন্তর ছ্যাত করে উঠলো।এত বড় ছেলে তার,এত শক্তপোক্ত মনের ছেলে।কি হয়েছে যার জন্য এতটা নরম হয়ে বসে আছে! আফিয়া প্লেটটা টি-টেবিলের উপর রেখে ছেলের মুখটা তুলে গভীর চাহনিতে পুরো মুখটা অবলোকন করে বললো,


“ কি হয়েছে আমার বাপজানের? এত কষ্ট কিসের?"


নাইফ আবারও মায়ের কোলে মুখটা গুঁজে ফুঁপিয়ে উঠলো, আফিয়ার চিত্ত আরো অস্থির হলো।সে ঐ এঁটো মাখানো হাতেই ছেলের মুখ তুলে দুই গালে হাত রেখে একদমই শান্ত কন্ঠে শুধালো,


“ কি হয়েছে মা'কে বলো,ন‌ইলে বুঝবো কি করে?"


ভাইয়ের ফুপানোর শব্দে তা‌ইফ‌ও ফিরে তাকালো। রিমোটে হাত রেখে হতবাক চোখে চেয়ে আছে।তার ইহজীবনে ভাইয়াকে কাঁদতে দেখেনি। কাঁদবে কেন? কেউ তো ভাইয়াকে বকে না।তাকে যেভাবে বকুনি দেয়,ধমক দেয় তেমন তো কেউ ভাইয়াকে বকে না।

বুবুনকেও তো আম্মু মাঝে মাঝে বকুনি দেয়,তুহিকে তো রোজ নিয়ম করে পিঠে কয়েকটি করে কিল দেয়।তাই তারা সবাই কাঁদে। কিন্তু ভাইয়া কেন?


“ নাইফ কি হচ্ছে কি? মা'কে বলো কি হয়েছে? চিন্তা হচ্ছে তো আমার!

_ আচ্ছা মামু কি বলছে? আমি মামুকেই ফোন করে জিজ্ঞেস করছি!"


বলেই আফিয়া ফোন নেওয়ার জন্য পা ঘুরিয়ে নিজের ঘরের দিকে দিতেই নাইফ মায়ের ওড়নার কোনা খামচে ধরে আঁটকে দিলো।আফিয়া ছেলের দিকে ঘুরে তাকাতেই নাইফ বললো,


“ ফোন দিতে হবে না!" 


বলেই আবারও মায়ের কোমর জড়িয়ে ধরে কোলে মুখ গুজে একদম চুপ হয়ে বসে র‌ইলো। এদিকে ছেলের এমন নিস্তেজ ভাব আফিয়াকে অস্থির করে তুলছে।কি হলো কি? 


“ আম্মু আমি তোমাকে কখনো হতাশ করবো না, কখ্খনো না প্রমিজ!"


নাইফ মুখ তুলেই এই কথাটা বললো।আফিয়া ভ্রু কুঁচকে বোঝার চেষ্টা করছে এমন কথার কারণ কি এই সময়ে?নাইফ আবার‌ও মায়ের কোমর পেঁচিয়ে চুপচাপ বসে রইলো।আফিয়া আলতো হাতে ছেলের মাথায় আদর দিয়ে বললো,


“ তাতো আমি জানি।আমার ছেলে মেয়ে কখনো আমাকে হতাশ করে না।

_ কিন্তু এখন কি হয়েছে আমার সেটা জানা দরকার!"


নাইফ চুপ হয়েই আছে। আফিয়া একটু বুদ্ধি খাটিয়ে অনুমান করে বললো,


“ ভার্সিটিতে কিছু হয়েছে? রেজাল্ট কেমন আসলো!"


“ ভালো না!"


আফিয়া একটু চমকালো।নাইফের রেজাল্ট সবসময় ভালো হয়। কিন্তু নাইফকে জিজ্ঞেস করলে সোজা বলে আলহামদুলিল্লাহ! সে কখনো না অতিরিক্ত বাড়িয়ে বলে আর না কখনো বেশি উচ্ছাসিত হয়।তবে এবারের বলার টোনে তো ছেলের কথা অবিশ্বাস করার কোন কারণ দেখছে না।তাও আফিয়া একদম স্বাভাবিক কন্ঠে জিজ্ঞেস করলো,


“ ফেইল করেছো?"


নাসিফ মুখটা উঁচিয়ে মায়ের দিকে তাকিয়ে আবারও আগের মতো বসে মাথা দু দিকে দুলিয়ে বললো,


“ না!"


“ ওহ ফেইল করো নি! তবে কেমন খারাপ হলো?"


নাইফ মায়ের এমন স্বাভাবিক কন্ঠস্বরে বলা কথায় খানিকটা চমকিত হলো,মাথা তুলে সোজা হয়ে বসে এক পলক ছোট ভাইয়ের দিকে চাইলো।কেমন ড্যাবড্যাব করে চেয়ে আছে তার ভাই তার দিকে।

ছোট ভাইয়ের সামনে সে এতক্ষন কাদছিলো ভাবতেই এখন তাকে লজ্জারা ঘিরে ধরলো।তাও কোন ভাবে নিজেকে স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে মায়ের চোখে চোখ মিলিয়ে দৃষ্টি নামিয়ে মিনমিন করে বললো,


“ ফোর্থ হয়েছি!"


“ মানে সিরিয়ালে পজিশন ফোরে?"


“ হুম!"


“ তো,এটা খারাপ কোথায়? আমি তো আরো ভাবলাম ফেইল-টেইল করেছো বোধহয়! কিন্তু তা তো না, তুমি তো টপে আছো। তাতে এত মন খারাপের কি হলো বুঝলাম না তো!"


নাইফ মায়ের এত শান্ত আর স্বাভাবিক কথা হজম করতে পারছে না।যদিও সে কখনো ফে‌ইলো তো দূরের কথা প্রথম পজিশন থেকেই সরেনি।তাই তার অভিজ্ঞতাও নেই পরীক্ষায় খারাপ করলে বাবা মা কেমন প্রতিক্রিয়া দেখায়।আর জীবনে সেই যে একবার একটু খারাপ করলো।তখন‌‌ও তার বাবা মা তার সাথে স্বাভাবিক ব্যবহার করেছিলো।তবে সে ভেবেছিল প্রথমবার দেখেই এমন মাফ পেয়েছে কিন্তু এবার‌ও যে পাবে তাতো ... 


“ শোন,এতে মন খারাপের কিছু নেই।এমন একটু আধটু হয়। তাছাড়াও তুমি খারাপ না করলে ভালোর প্রতি তৃপ্তি পাবে কিভাবে?ভালো কিছু করার জন্য আরো যে পরিশ্রম করতে হবে তার জন্য আগ্রহ, প্রচেষ্টার আকাঙ্ক্ষা আসবে কোথা থেকে।কখনো কখনো খারাপ ফলাফল জীবনে অনেক কিছু শিখিয়ে যায় যেটা ভালোর মাঝে থাকে না।তাই ভালোর যেমন কদর করা হয় খারাপের‌ও করতে হয়।

_ সবসময় শুধু ভালো'র‌ই আশা রাখতে নেই। তোমার খারাপ সময় হোক কিংবা ফলাফল সবটাই সাদরে গ্রহণ করতে হবে।

আর তুমি যথেষ্ট ভালো করেছো।টপ টেনের মাঝে আছো। তাহলে? এত হতাশ কেন হচ্ছো? আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করো বাবা। আল্লাহ নিশ্চয়ই এতেই তোমার জন্য কল্যাণ রেখেছেন।"


নাইফ মাথা নিচু করে মায়ের কথা শুনে গেলো শুধু।আফিয়া ছেলেকে আর বুঝাতে চাইলো না তাই ভাতের প্লেট তুলে নিয়ে লোকমা বানাতে বানাতে বললো,


“ হয়েছে অনেক মন খারাপ করা।এখন হা করো, দ্রুত খেয়ে দ্রুত তৈরি হ‌ও।আমাকেও তৈরি হতে হবে।কত কিছু গুছানো বাকী এখনো!"


মায়ের তড়িঘড়িতে নাইফ স্বাভাবিক হ‌ওয়ার চেষ্টা করে পটাপট খাওয়া শেষ করলো।আফিয়া দুই ছেলের খাওয়ার পাট চুকিয়ে নিজের কাজে গেলো যাওয়ার আগে আরো একবার ছেলেকে বুঝ দিয়ে গেলো।

মায়ের গমন পথে অপলক চেয়ে থেকে মনে মনে আওড়ালো নাইফ,


“ তোমার খুশির চেয়ে আমার জন্য দামী আর কিছু নেই আম্মু, আমার জন্য পৃথিবীতে সবচেয়ে দামী আর সুন্দর কেবলি তুমি! তোমার জন্য আমি নিজের কলিজাটাও কেটে দিতে পারবো। সেখানে দুদিনের অনুভূতি বলি দেওয়া তেমন আর কি !"


চলমান....

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ