সুখ_ফড়িং_সিজন_২ | পর্বসংখ্যা_৫

 #সুখ_ফড়িং_সিজন_২ 

#শেখ_মরিয়ম_বিবি 

#পর্বসংখ্যা_৫ 



কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ‼️ 


“ ভাই মেয়েগুলো মানে ঐ আপুগুলো এই কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী, ইতিহাসের শিক্ষার্থী।আর তাদের অভিযোগ সত্য! কয়েকদিন ধরেই এক বদমাশ মেয়েগুলো কে ভীষন বিরক্ত করছে। ওরা কিভাবে কলেজের ভেতরে ঢুকে বোঝার উপায় নাই কারণ প্রায়‌ই বিভিন্ন বেশে ঢুকে। মেয়েগুলো কতৃপক্ষের কাছে কমপ্লেইন করলেও প্রতিকার পায়নি।তারা নিজেদের কলেজের রেপুটেশনের চিন্তায় মেয়েদেরকেই চুপ থাকতে বলছে।

আশ্চর্যের বিষয় ঢোকার সময় কেউই দেখে না কিন্তু বের হবার সময় ঠিক‌ই দেখে।"


“ চিনতে পেরেছিস কে?"

“ না ভাই।তয় ও আমাদের লোক না। আমার মনে হচ্ছে নিজেকে সেইফ জোনে রাখতেই আমাদের ক্লাবের নাম বলেছে।"


“ ফুটেজ কি পরিষ্কার?"


“ না ভাই।আর কলেজের প্রধান গেইটের সিসিটিভি নষ্ট।ওটা কাজ হয় না।তাই সরাসরি কোন পিক আনতে পারিনি।"


“ হুম।

_ ঐ মেয়েটা কি যেন নাম?"


“ কোন মেয়েটা ভাই?"

“ ঐ যে বোরকা পড়া থাকে।কি নাম,কি নাম!"

“ ঐ যে কাউয়ার মতো কা কা করে ঐটা?"


রাব্বী একটু জোরেই বললো। সম্রাট বাম ভ্রু উঁচিয়ে কপালে ভাঁজ ফেলে চোখ লাল করে রাব্বীকে দেখলো।রাব্বী নিজের ভুল শুধরে বললো,


“ ঐ বোরকা পরিহিত আপুটা?"


“ পারীজাত।পারীজাত মেয়েটা বলেছিলো ওকে আমাদের নাফিদের সাথে চা খেতে দেখেছিলো।এক কাজ কর সময় আর দিন জেনে নিয়ে ঠিক ঐ সময়টার...চল আমিও যাবো!"


বলেই সম্রাট উঠে দাঁড়ালো। সম্রাটকে এই বিষয়ে বেশি মাথা ঘামাতে দেখে সবাই কৌতুহলী হলো।বাপ্পী বন্ধুকে মন দিয়ে খেয়াল করছে।গতকাল থেকেই তার উদ্বেগ নজরকাড়া। বিশেষ করে মেয়েটার জন্য! বাপ্পীও উঠে দাঁড়ালো বললো,


“ চল আমিও যাবো।"


“ আপডেট দিও ব্রো!"


তাহসান কাব্য বললো কথাটা। সিয়াম‌ও চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালো বললো,


“ চলো আমিও যাই

গিয়ে দেখি আসলেই শালাটা কে?"


“ আসো"


সম্রাট,বাপ্পী,সিয়ামদের সাথে গেলো মাহাদ, রাব্বী,মুন্সি,নাফিদ সহ আরো তিনজন।


চায়ের দোকানটা কলেজ গেইট থেকে খানিকটা দূরে, মিনিটে হিসেবে পাঁচ মিনিটের দূরত্বে। কলেজের সামনে এমন একটি চায়ের দোকান থাকায় শিক্ষার্থীদের বেশ উপকার হয়।যদিও কলেজ ক্যান্টিন আছে তবুও। ক্যান্টিনের চেয়ে এই দোকানের মিঠু মামার চা বেশি মজাদার হয় যার কারণে মিঠু মামা শিক্ষার্থীদের মাঝে বেশ জনপ্রিয়।


ওরা সবাই মিলে ভালো করে চিরুনি তল্লাশি চালিয়ে খুঁজে বের করলো গোপন ক্যামেরা।যা গাছের ডালের আড়ালে থাকায় অনেকেই বুঝতে পারে না

তবে সুবিধা বিষয় হচ্ছে সেটার প্রধান ফোকাস সরাসরি দোকানের উপরে পড়ে।যার কারণে চায়ের দোকানে আগত সকলকেই খুব সহজেই চিহ্নিত করা যায়।


নাফিদকে চা খেতে খেতে কারো সাথে খোশ আলাপে ব্যস্ত দেখা যাচ্ছে এমন একটি চিত্র ফুটেজ থেকে সংগ্রহ করা হলো। কিন্তু এই যে কলেজের ভেতরে ঢুকে তার প্রমান কি? ওহ পারীজাত বলেছিলো এই।


সম্রাট পারীজাতের ঘোলা প্রিন্ট করা চিত্র থেকে আদো আদো বোঝা যায় চিত্রটার সাথে নিজেদের সংগ্রহ করা চিত্রের মিল খুঁজে নিলো অতঃপর পরের দিন সকাল থেকে ছেলেদের কাজে লাগিয়ে কলেজে ঢোকা প্রতিটি ছাত্রী এবং তার অভিভাবকদের উপর নজর রাখায়।যার এক পর্যায়ে বোরকা পরিহিত এক লম্বা দেহধারীকে ভীষণ অস্বাভাবিক ভাবে কলেজে ঢুকতে দেখেই সন্দেহ জাগে। অতঃপর তারাও ঢুকে পড়ে এবং তাকে তাকে থেকে হাতে নাতে ধরে।

নিশি তখন ওয়াশরুমে যাওয়ার জন্য ক্লাস থেকে বেরিয়েছিল। যেহেতু ক্লাস টাইম তাই ওয়াশ রুমের দিকের বারান্দাটা একদিন শুনশান ছিলো।বদমাইশটাও তার‌ই সুযোগ কাজে লাগায়।

রাব্বীরাও তাই করে।


ক্লাবে যখন খুঁজে পাওয়া গেলো না অপরাধীকে তখন ভেতরে বসে এভাবেই তথ্য উপাত্ত নিয়ে পর্যালোচনা চললো।

এভাবেই ঐ ইভটিজারকে খুঁজে বের করে এবং তাকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করে।তার সাথে কলেজ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয় যাতে ভবিষ্যতে এমন সমস্যায় পড়লে আগে মেয়েদের চিন্তা করে, নিজেদের কলেজের না।


পারীজাতকে ডেকে এনে নিশ্চিত হয় অপরাধী চিহ্নিত করায়। অতঃপর শাস্তির প্রথম ধাপ তো আপনারা আগেই দেখছেন।


পারীজাত যখন বেদম পিটাচ্ছিলো তখন সম্রাট মনে মনে কল্পনা করলো কাল থেকে এই মুহুর্ত অবধি।


“ শোন পারী গুন্ডাটার পা ভেঙে দে।যাতে হেঁটে হেঁটে কোথাও যেতেই না পারে!"


“ না পারী এক কাজ কর,ওর শয়তানি বুদ্ধি ভরা মাথাটাই ফাটিয়ে দে।মাথাও থাকবে না কুৎসিত চিন্তা‌ও করবে না!"


“ 


মেহরিন পারীকে উৎসাহ দিয়ে কথাটা বললো। তাকে অনুসরণ করে শেষের লাইনটা বললো নিশি।রাব্বী এই কথাগুলো শুনে বাপ্পীর কানে কানে বললো,


“ ভাই,আমরাও মারার সময় একটু আধটু মায়া করি অথচ এই মেয়েদের দেখি তাও নাই!"


বাপ্পীও  রাব্বীর মতো ফিসফিস করে বললো,


“ কারণ ওরা মেয়ে! ওরা নিজের খুনিকেও মাফ করবে কিন্তু ইজ্জতের উপর হাত দেয় এমন কাউকে মাফ করবে না! তাই বলি সবসময় মেয়েদের রেসপেক্ট করে কথা বলবি।"


“ জ্বী ভাই!"


“ হয়েছে, হয়েছে, থামো এবার!"


বলেই সম্রাট এগিয়ে এলো। কিন্তু পারী থামলো না ।সে ঐ ছেলের হাঁটুতে একটি জোরালো ভারী মারলো,যার ব্যথায় আর্তনাদ করে উঠলো ছেলেটা।পুরো কলেজ ক্যাম্পাস থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এহেন ঘটনায়। কতৃপক্ষের অনেকেই এর মধ্যেই দৌড়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন।তারা বলছে যা করার আইনের মাধ্যমেই করতে,নয়তো ক্যাম্পাসের বাইরে গিয়ে করতে।


পারী আঘাত করতে থাকা অবস্থায় বললো,


“ আমি ওর মেশিন‌ই নষ্ট করে দিবো। মেশিনের জোরেই তো এত বাহাদুরি।মেশিন না থাকলেই সব ঠিকঠাক থাকবে।"


“ থামো বলছি।আর না।এবার থামো, ক্লান্ত হয়ে যাবে।"


বলেই সম্রাট পারীজাতের পিছনে দাঁড়িয়ে দুই ইঞ্চির মতো ফাঁক রেখে পারীজাতের হাত থেকে হকি স্টিকটা নিলো।স্টিক নিতে গিয়েই পারীজাতের ঘাড়ের কাছাকাছি তার মুখ চলে যায়।হাতের উপর হাতের ছোঁয়া লাগে। হঠাৎ করেই বেগানা পুরুষের ছোঁয়ায় পারী জমে যায়। স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে।তার হাত আলগা হয়ে স্টিক পড়ে যেতে নিতেই সম্রাট ধরে ফেলে।পারীর থমথমে মুখ দেখে দ্রুত সরে আসে। মুখটা শুকিয়ে যায় পারীর থমথমে চেহারা দেখে।সে পরিস্থিতি সামলাতে গলা খাঁকারি দিলো। অতঃপর বললো,


“ মাহাদ এটাকে নিজের ক্লাবে যা।যা হবার ওখানেই হবে। তোমরাও এসো।


বলেই সম্রাট এগিয়ে যায়।পারীর পা জমে গিয়ে নিজের যেন। তার ভেতর কোন অনুভূতি জেগে উঠলো।তার মাথায় বারবার ঘুরছে হুট করেই লাগা সে অযাচিত ছোঁয়া। কানের কাছে কারো গরম নিঃশ্বাসের অনু্প্রবেশ।

পারীকে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে দৌড়ে এলো নিশি, মেহরিন। মেহরিন পারীকে হালকা ধাক্কা দিয়ে বললো,


“ কি লো যাবি না? চল, তাড়াতাড়ি যাই! গিয়ে দেখি কুকুরের বাচ্চাটাকে কি করছে ভাইয়ারা!"


“ হুম।"


বলেই নিশি পারীর হাত ধরে এগিয়ে যেতেই আবার‌ও পিছনে তাকাতে বাধ্য হলো।কারণ পারী এখনও নড়ছে না।মেহরিন ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করলো,


“ কি রে কি হয়েছে?

_ এক মিনিট,ঐটাকে মারতে গিয়ে কোথাও ব্যথা পেয়েছিস?"


চিন্তিত মেহরিন পারীর হাতে পায়ে আঘাত লেগেছে কি-না দেখার চেষ্টা করলো।নিশি বান্ধবীর কাঁধে হালকা ধাক্কা দিয়ে বললো,


“ কোথায় ব্যথা পেয়েছিস বল!"


পারীর তো হুশ‌ই ছিলো না এত সময়।নিশির ধাক্কায় সে হুশে আসে। চমকে উঠলো,বললো,


“ কোথাও ব্যথা লাগেনি।চল তাড়াতাড়ি!"


বলেই সে আগেই দ্রুত কদমে হেঁটে এগিয়ে গেলো।মেহরিন নিশি এঁকে অপরের দিকে তাকিয়ে কাঁধ উঁচিয়ে ধরে ইশারায় প্রশ্ন করলো,


“ কি হলো!"


উত্তর তো নাই। তাই কেউ দিলো না।

ক্লাবের নিয়ম অনুযায়ী আগে ইচ্ছা মতো ধোলাই অতঃপর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এবং এখানেই এই এই কেচ্ছার সমাপ্তি ঘটে।

পারীরা যখন বিচার শেষে ফিরে আসতে চাইলো তখন পিছন থেকে তাহসান ঢেকে বললো,


“ এক্সকিউজ মি আপু?"


পারীরা তিনজন‌ই ফিরে তাকালো। তাহসান কাব্য এগিয়ে এসে বিনিত কন্ঠে বললো,


“ সরি আপু আমার মিস বিহেভিয়ার এর জন্য! আসলে বুঝেন‌ই তো প্রমান ছাড়া তো যে কাউকেই আমরা হেনস্থা করতে পারি না!"


“ ইটস্ ওখে ভাইয়া।আমরা কিছু মনে করিনি।এটা স্বাভাবিক বিষয়।

_ আসি হ্যা আসসালামু আলাইকুম!"


“ ওয়া আলাইকুম আসসালাম আসবেন আবার,যেকোন প্রয়োজনে ভাইদের দরজা সবসময় খোলা আপনাদের জন্য!"


সিয়াম এভাবেই বিদায় দিলো পারীজাতদের।


দুইদিন পর....


নিশি আর মেহরিন ভীতু ভীতু চোখে ধীর পায়ে বাগান বিলাসের দরজায় কড়া নাড়লো।

দোতলা বিশিষ্ট বিশাল এড়িয়া নিয়ে এই ক্লাব।দোতলায় জিম ঘর,আর রেস্ট হাউজ।নিচ তলায় সুসজ্জিত মিটিং রুম, সাংস্কৃতিক কাজ করার জন্য একটি মাঝারি আকারের রুম সাজানো মানে সেখানে গিটার থেকে সব ধরনের বাদ্যযন্ত্র রাখা আছে।আর‌ও আছে ব্লিয়ার্ড বোর্ড,ছোট একটি কিচেন,বাইরের বারান্দায় ক্যারাম বোর্ড,লুডু কোর্ট,দাবা কোর্ট থেকে বাস্কেটবল,ক্রিকেট, ফুটবলের মতো খেলার আয়োজন করা আছে।আর সকালে এখানে কায়িম ব্যায়াম‌ও করানো হয়।


অত্র এলাকায় সমাজকল্যাণের অনেক কাজ‌ই এখান থেকে করা হয়। মোটামুটি ভালো ফান্ড‌ও কালেক্ট হয়। যেহেতু অরাজনৈতিক সংগঠন তাই কোন ছেলেদের পরিবার‌ও কোন অভিযোগ করে না

বরং তারা খুশিই হয় এই ক্লাবের সদস্য হতে পারলে।


নিশির হাতে একটা ইয়া বড় প্যাকেট। কেকের প্যাকেট।যার উপরে সুন্দর করে ব্র্যান্ডের নাম লেখা আছে,  “ Piyont's Sweet's and cake " Owner by Parijat Abrar Chowdhury . লেখাটার উপর খুব‌ই আলতো ভাবে হাত বুলিয়ে দিলো নিশি।


বাগান বিলাসের পরেই একটা বিশাল লৌহ দরজা।যেটা সবসময় খোলা থাকলেও আপাতত বন্ধ।হয়তো ভেতরে খুবই বিশেষ কোন মিটিং চলছে।তাই বন্ধ করে রাখা হয়েছে।নিশি মেহরিনকে বললো,


“ আমরা কি ভুল সময়ে এসে পড়েছি দোস্ত?

_তোর কি মনে হয় উনারা বিরক্ত হবেন আমাদের উপর?"


মিহি মিষ্টি কন্ঠের অধিকারীনি নিশি। চুপচাপ আর শান্ত স্বভাবের। একটু নাজুক প্রকৃতির‌ও বলা যায়।

চুন থেকে পান খসলেই তার কাঁপা কাঁপি শুরু হয়ে যায়।সেই মেয়ে ওমন একটা হিংস্র লোকের নজরে পড়ে ছিলো,ভাবতেই গায়ে কাঁটা দেয় মেহরিনের।

নিশি বান্ধবীর থেকে কোন সাড়া না পেয়ে নিজের ব্যস্ত হাতের কনুই দিয়ে খোঁচা দিলো বান্ধবীর পেটের ডান কোনে। মেহরিন খোঁচা খেয়ে নিশির দিকে চোখ খিচিয়ে তাকালো,আস্তে করে বললো,


“ খামচাখামচির স্বভাব বদলাবি না? নাকি আমিও তোকে.."


“ জ্বী বলুন।"


মেহরিনের কথা শেষ হ‌ওয়ার আগেই দরজা খুলে উঁকি দিয়ে প্রশ্নটি করলো এক যুবক।নাম জানা নেই।সে হয়তো চিনলো ওদের তাই আবার‌ও কথা সেই বললো,


“ আপু আপনারা? আবার কোন সমস্যা হয়েছে?"


নিশি মেহরিন একে অপরের দিকে তাকালো।তারা পারীর মতো ফটাফট উত্তর দিতে পটু নয়। প্রসঙ্গত তারা এহেন সময়ে ঠিকঠাক কথা বলতেই পটু নয়।তাই একটু ভীত আর জড়তা নিয়ে নিশি মেহরিনের দিকে চেয়ে বললো,


“ তুই বল!"


মেহরিন বান্ধবীর এমন মুহুর্তেও তাকে ফাসানোয় ভীষণ নারাজ হলো। কিন্তু কিছু করারও নেই।তাকেই কথা বলতে হবে সেটা সে বুঝেই গিয়েছে।এই সময়ে সে পারীকে খুব মিস করছে। ইস্ মেয়েটা একটু বেশি কথা বলে! কিন্তু তাতে কি? কথা বলতে পারাও একটা বিশাল গুন।যা সবাই পারে না।এই যে নিশি আর মেহরিন পারছে না অথচ পারী থাকলে এতক্ষণে কাজ খতম হয়ে যেতো।


“ আপু? এনিথিং সিরিয়াস?"


ঐ যুবকের কথায় মেহরিন,নিশি সোজা হয়ে দাঁড়ালো।মেহরিন নিজের কথা গুছিয়ে নিয়ে বললো,


“ আসলে আমরা সম্রাট ভাইয়ার সাথেই একটু দেখা করতে এসেছিলাম।

_এই যে এই কেকটা উনাকে দিবো!"


নিশির হাত দেখিয়ে কথাটা বললো।যুবক একবার কেকের প্যাকেট দেখে মেহরিনকে বললো,


“ ভেতরে জরুরী মিটিং চলছে। আপনাদের বাইরে অপেক্ষা করতে হবে। তাছাড়াও মনে হয় ভাই কেক নিবে।হেলথ মেইনটেইন করে চলে তো!"


নিশি মেহরিন আবারও একে অপরের দেখলো এবং বললো,


“ সমস্যা নাই। আমরা অপেক্ষা করবো। ভাইয়া না নিলে জোর করবো না!


“ আচ্ছা আসুন।"


নিশি মেহরিন ভেতরে ঢুকতেই যুবক দরজাটা আবার‌ও ভেতর থেকে লাগিয়ে দিলো।

সাহস করে ভেতরে ঢুকলেও এখন তারা ভীষণ আতংকিত হয়ে পড়েছে কারণ এত বড় ক্লাব,দরজা বন্ধ অথচ ভেতরে কতকত পুরুষ!


চলমান....

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ