#সুখ_প্রান্তর
#শেখ_মরিয়ম_বিবি
#পর্বসংখ্যা_১৪
‼️কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ‼️
বেশ বড় একটা বারান্দা,তবে তেমন কিছু নেই।একটা দোলনা,এক কোনায় বাচ্চাদের একটা গাড়ী পড়ে আছে আর একটা চেয়ার পাতা এক পাশে।ব্যস,এই এতটুকু জিনিসই দেখা যাচ্ছে বেশ খোলামেলা এই বারান্দায়।যদিও বারান্দার পেছনের খালি অংশ খুব একটা না।হাত তিন পরেই দেওয়াল। দেওয়ালের ওপারে প্রধান সড়ক। দেওয়ালটা অবশ্য ছয় সাত ফুট লম্বা হবে।তবে এই সামান্য জায়গা দিয়েই বেশ ফুরফুরে বাতাস আসছে, যেহেতু ঐ পাশে রাস্তা তার অর্থ ও পাশ খোলা তাই বাতাসের যাতায়াত ব্যবস্থা নিয়ে সমস্যা হয়নি।আফিয়া বারান্দার গ্রিল ধরে দাঁড়িয়ে আছে, চেষ্টা করছে আকাশের ঐ মেঘের ভেলায় ভেসা যাওয়া জলকন্যাকে দেখার।
নাসিফ দুই হাতে করে দুটো কাপ নিয়ে ঢুকলো।অবশ্য একটাকে কাপ বললেও অন্যটাকে মগ বলতে হবে,কফি মগ।
নাসিফ গোসল থেকে যখন বের হলো তখন আফিয়া সেই আগের মতোই খাটের এক কোনে জড়সড় হয়ে বসেছিলো।নাসিফ তোয়ালে দিয়ে মাথা মুছতে মুছতে বাথরুম থেকে বের হয়েই আফিয়ার মুখোমুখি হয়ে পড়ায় বেশ সংকোচ বোধ করে,মাথাটা নুইয়ে রেখেই নিজের কাজ করতে করতে ঘরের ভেতরে এসে হাঁটতে থাকলো,নাসিফকে দেখে আফিয়া হুট করেই দাঁড়িয়ে পড়লো,ওর দাঁড়িয়ে পড়ায় নাসিফের পা থেমে গেল,সে দৃষ্টি ঘুরিয়ে নত মস্তকের আফিয়াকে দেখে থমকে গেছে।যদিও পরিস্থিতি এখন তেমন নয় তবুও,সদ্য স্নান করা সিক্ত বদনের আফিয়াকে তার চোখে এক অপরুপ রমনী লাগছে,আফিয়ার পড়নে হালকা গোলাপি একটি থ্রী পিস যার ওড়নার পাড় গাঢ় মেজেন্ডা রঙের।নাসিফের চোখের পলক পড়ছে না।সে মন্ত্রমুগ্ধের মতো দেখছে কেবল।আফিয়া আড়চোখে নাসিফের এমন চাহনিতে লজ্জা পেল।আরো আড়ষ্ট হয়ে দাঁড়ালো।আফিয়ার নড়চড়ে নাসিফের ধ্যান ভাঙ্গলো। নিজের কাজে নিজেই লজ্জা পেল।গলা খাঁকারি দিয়ে স্বাভাবিক হলো।চোখ ঘুরিয়ে কিছু খুঁজে না পেয়ে আফিয়াকে বললো,
“ তুমি বসো,আমি আসছি!"
তোয়ালেটা বিছানার উপর রেখেই চলে গেল। সুন্দর গোছানো বিছানার উপর ভেজা তোয়ালে! আফিয়া চোখ উঁচিয়ে গমনরত লোকটাকে দেখে ভেজা তোয়ালে তুলে হাতে নিলো, এরপর সেটা নিয়ে ভাবতে থাকলো কি করবে? ঘরে তো শুকাতে দেওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই তাই বুদ্ধি খাটিয়ে বারান্দায় গেল, কিন্তু হায়! সেখানেও হতাশ হলো।কাপড় শুকানোর জন্য কোন দড়ি টানানো নেই।তাই অবশেষে উপায় না পেয়ে সেই চেয়ারের উপরেই মেলতে বাধ্য হলো।
নাসিফ কফি আনতে গিয়েছিল।নাসিফ রান্না ঘরের কাছাকাছি যেতেই দেখলো নাফিসা দুটো কাপ নিয়ে আসছে। নাফিসাকে আর আসতে না দিয়ে নিজেই নিয়ে আসলো।ঘরে এসে আফিয়াকে পেলো না,চোখ পড়লো বিছানায় সেখানে তোয়ালেও নাই।তাই অনুমান করেই বারান্দায় গিয়ে দেখলো আফিয়া উদাসি চোখে আকাশ পানে চেয়ে আছে। নিজের প্রতি ঘৃণা কাজ করলো কিছু সময় আগের কর্মের জন্য।মেয়েটাকে এনে প্রথম রাতেই একটি খারাপ স্মৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দিলো।
শুকনো কাশি দিয়ে নিজের উপস্থিতি জানান দিলো, আফিয়া ঘুরে দাঁড়ালো।নাসিফের হাতে দুটো পাত্র দেখে একটু আশ্চর্য হলো,নাসিফ হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললো,
“ তোমার কি ভীষন মাথা ব্যথা করছে?"
আফিয়া চমকালো নাসিফের প্রশ্নে,তার মাথা আসলেই ধরেছে কিন্তু নাসিফ কি করে বুঝলো!নাসিফ আবারও জিজ্ঞেস করলো,
“ শুধু মাথাই ব্যথা করছে না কি অন্য কোন সমস্যাও হচ্ছে?"
আফিয়া নিজের চমককে তাকে তুলে উত্তর দিলো,
“ তেমন কিছু না। শুধু হালকা মাথাই ধরেছে,চা খেলে ঠিক হয়ে যাবে!"
“ চা শেষ করো, ওষুধ দিচ্ছি!"
নাসিফের কথার আর কোন বিপরীত উত্তর দিলো না আফিয়া।চায়ে চুমুক দিলো আকাশের দিকে চেয়ে।ওর বরাবর এসে দাঁড়ালো নাসিফ, আফিয়া বুঝতে পারছে নাসিফ তার ব্যবহারের জন্য অনুতপ্ত হচ্ছে তার জন্যই হয়তো কিছু বলতে চাইছে কিন্তু লজ্জায় পারছে না। কিন্তু আফিয়াও বা কি বলবে! তাই চুপ থাকাই শ্রেয় মনে করলো,নাসিফই বলা শুরু করলো,
“ তোমাকে বিয়ের আগে বলেছিলাম আমার সন্তানদের জন্য যে শুধু মাই দরকার কেবল তাই না, আমার নিজের জন্যেও একজন মানুষ দরকার যার কাছে আমি নিজেকে মেলে ধরতে পারবো!আমি ভীষন লোনলি ফিল করি,কতদিন আগে ঠিক এভাবে এখানে কারো পাশে দাঁড়িয়ে চা খেয়েছি....
_ আমি আমার তখনকার ব্যবহারের জন্য সরি! সত্যি বলছি হঠাৎ করেই তোমাকে এভাবে এ ঘরে দেখে আমি কিছু সময়ের জন্য ভরকে গিয়েছিলাম।মনে হয়েছিল আমিরা আমার সাথে রাগ করেছে,ও তো আমার ছায়ায়ও অন্য নারীকে সহ্য করতে পারতো না অথচ আজ ওর ঘরে ওর সংসারে অন্য নারীকে নিয়ে এসেছি তাই,আসলে এই ঘরে এভাবে তো সর্বপ্রথম আমিরাই এসেছিল তাই যখন তুমি আমার সামনে ঘুরঘুর করছিলে আমার কেন জানিনা আমিরার কথা খুব মনে হচ্ছিল, খুব!কিন্তু...
“ এখন মনে হচ্ছে না?"
জিজ্ঞেস করলো আফিয়া,নাসিফের দিকে চেয়ে আছে আফিয়া।নাসিফও চাইলো আফিয়ার দিকে,ঐ নিস্পৃহ চোখ পড়ার সামর্থ্য নাসিফের নেই।
নাসিফ নিজের ডান হাতের তর্জনী আঙ্গুল নিজের বুকের বাম পাশে ঠেকিয়ে স্পষ্ট স্বরে বললো,
“ এখানে,এই যে এখানে তার বাস! তাকে কি করে ভুলে যাই!"
আফিয়ার মনে হলো তার বুকের ভেতর কেউ এক টনের একটা পাথর দিয়ে আঘাত করলো। ভালোবাসা! অবশ্যই নাসিফ তার প্রথম স্ত্রীকে অসম্ভব ভালোবাসে সেটা তো তার করা পাগলামি দেখেই অনুমান করা যায়, বুঝতে আফিয়া প্রথমেই পেড়েছিলো। কিন্তু তবুও! নাসিফ কি একবারও আফিয়ার মনের অবস্থা নিয়ে ভাবলো না! এত কঠিনভাবে বলার আগে একবারও কি তার অন্তর কাপলো না! তার কি এক মুহুর্তও মনে হয়নি তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এই নারীটাও তার সহধর্মিণী,তার স্ত্রী! তার কষ্ট হতে পারে এই কথাটাতে! না হতে পারে না! হওয়াও উচিত নয়। তাছাড়াও নাসিফ কেন মিথ্যা বলবে? সে তো সত্যিই তার আগের স্ত্রীকে ভালোবাসে, সুতরাং সত্যটাই বলা উচিত! নাসিফ আফিয়ার থেকে চোখ সরিয়ে বাইরে তাকিয়ে বললো,
“ আফিয়া তোমার হয়তো কষ্ট হচ্ছে কিন্তু এটাই সত্য! আমিরা কেবলই আমার স্ত্রী'ই ছিলো তেমন নয়। ও আমার জীবনের প্রথম নারী, প্রথম প্রেম, আমার প্রথম জীবনসঙ্গীনি, প্রথম স্ত্রী, আমার সন্তানদের মা! আমার জীবনের সব প্রথমেই ঐ নারীটা ছিলো, আছে, থাকবে! কিন্তু তাই বলে..
এই অবধি থামলো, নিজের হাতের মগটা রেলিংয়ের উপর রেখে আফিয়ার দিকে ঘুরে তাকালো, কাছাকাছি আসলো,আরো কাছে গেলো।ঠিক যতটা কাছে গেলে একজনে বুকের উচাটন লক্ষ্য করা যায় ঠিক ততটাই।নাসিফের লোমশ পুরুষালি অঙ্গের ছোঁয়া আফিয়ার কোমল নরম অঙ্গে লাগতেই আফিয়ার বুকের ধুকপুকানি বেড়ে গেল।নাসিফ অতি নম্র আর নিচু গলায় বললো,
“ আমি তোমাকে একটু ছুঁতে পারি?"
আফিয়ার হাত পা কাঁপতে শুরু করলো,তার হাতে থাকা চায়ের কাপটা তার জলন্ত প্রমান দিচ্ছে।নাসিফ আফিয়ার হাত থেকে কাপটা নিয়ে রেলিংয়ের উপর রাখলো, এরপর আফিয়ার দুটো হাত নিজের দুই হাতের তালুতে আবদ্ধ করে খুবই মোহনীয় কন্ঠে বললো,
“ তুমি আমার স্ত্রী, সহধর্মিণী, অর্ধাঙ্গিনী,আজকে বিয়ের পর থেকেই এমনিতেই আমার সব তোমার!তবুও আমি নাসিফ ওয়াসীত্ব গাজী বলছি,এখন এই মুহুর্ত থেকে আমার জীবনের সব কিছুই তোমার! এমনকি আমিও তোমার! হ্যা বলছি, মিথ্যা বলবো না। মিথ্যা আশায় তোমাকে মিথ্যে স্বপ্ন দেখাবো না।সত্যি বলছি, আমার জীবনের প্রথম নারী আমিরা,যে আমাকে ধোঁকা দিয়ে মাঝপথে একা করে চলে গিয়েছে,আমার দুটো সন্তানকে অনাথদের মতো রেখে গিয়েছে। আল্লাহ তাকে আমার জীবন থেকে নিয়ে গিয়েছে।সেই নারীকে আমি প্রচন্ড ভালোবাসতাম,বাসি,বাসবোও। কিন্তু তার মানে এই নয় যে চলে গেছে তার জন্য আমি যে আছে তাকে অসম্মান করবো,তার অধিকার দিবো না।আমি হয়তো সমপরিমাণ ভালোবাসা দিতে পারবো না,তবে ওয়াদা করছি আমার তরফ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে। কোনদিন অভিযোগ করার সুযোগ দিবো না।আমি ভালোবাসতে পারবো কি-না জানিনা কিন্তু আমি তোমাকে ভালো রাখতে নিজের শেষ নিঃশ্বাস অবধি চেষ্টা করবো,তার সাথে চেষ্টা করবো তোমাকে নিয়ে শেষ নিঃশ্বাস অবধি বাঁচতে! আফিয়া একটা কথা মনে রেখো প্রথম তো অনেকেই হয় কিন্তু শেষটা কিছু মানুষই হয়।আমি চাই,খুব করেই চাই তোমার সাথেই আমার বৃদ্ধ বয়সটা কাটাতে। আমার শেষ সময়ে তোমার ভালোবাসা মাখা আদর নিতে চাই,শেষ নিঃশ্বাসটা তোমার কোলে মাথা পেতে ফেলতে চাই।তুমি কি আমার কথাগুলো বুঝতে পারছো?
_আমি চাই তোমার সাথে নিজের সুখ-দুঃখ গুলো ভাগাভাগি করে নিতে ! এই যে ভীষন একা আমিটা,এই আমিটাকে আমি তোমায় দিতে চাই,তুমি কি নিবে? আমার মতো ভঙ্গুর নিঃস্ব একটা জড় পদার্থকে! যার ভেতরে কেবল হাহাকার আর হাহাকার! তুমি পারবে ভালোবাসা বিহীন একটি সম্পর্কের সূচনা করতে! তুমি পারবে আমার অসহায় দুটো নাদান বাচ্চাকে মাতৃস্নেহে বড় করতে? আমি খুব করে কৃতজ্ঞ থাকবো তোমার! এই জীবনে এই, এতটুকু চাওয়া কেবল তোমার কাছে আমার,তার বিনিময়ে জীবন চাইলে তাও দিয়ে দিবো!"
“ আমার জীবন চাই না। আমার আপনাকে চাই! আমি আমার স্বামীকে কেবল আমার করে চাই, আমি আমার স্বামীর ভাগ কাউকে দিবো না।সে এই পৃথিবীতে থাকুক আর না থাকুক! আমি শুধু আমার স্বামীকে একান্ত আমার করেই চাই! বুঝেছেন আপনি?"
আফিয়া নাসিফের বুকে ঝাঁপিয়ে পড়লো, ঝরঝর করে কেঁদে দিলো।নাসিফের সর্বাঙ্গে কেমন শীতলতা নেমে আসলো।ও একদমই প্রস্তুত ছিলো না আফিয়ার এমন ব্যবহারের জন্য। কিন্তু আফিয়া একদম স্বাভাবিক ভাবেই ওকে জাপটে ধরে রেখেছে।যেন কত জন্মের বৈবাহিক জীবন ওদের।এটা কি কেবল বিয়ের জন্যই! বিয়ের কারণেই তো
ওরা আজ এত কাছাকাছি এসেছে।বিয়েই তো একজন নারী আর পুরুষের মাঝের দুরত্ব ঘুচিয়ে দেয়।নাসিফ নিজের হাত উঠিয়ে আফিয়াকে শক্ত করে চেপে ধরলো নিজের সাথে। আফিয়ার কাছে ও একটু আগেই অনুমতি চেয়েছিল তাকে ছোঁয়ার,আফিয়া অনুমতি দেওয়ার আগেই তার হাত নিজের হাতের মুঠোয় নিয়েছিলো অথচ এখন আফিয়া তার বুকে পড়ে কাঁদছে। কেন কাঁদছে! তাকে আপন করে নেওয়ার জন্য! নাসিফের ভালো লাগতে শুরু করলো সবটা।সে ভেবেছিল চুক্তি পত্র এরপর ঘরের ঐ কাহিনী সবকিছু মিলিয়ে আফিয়া এই বিয়েটাকে স্বাভাবিক ভাবে নিবে না।সে হয়তো এটাকে একটা কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ ভেবে বসে থাকবে।
যতই নাসিফ চুক্তি পত্র বানাক কিংবা আইনি জটিলতায় আফিয়াকে ঘোল খাইয়ে রাখুক আসল সত্য তো এটাই প্রথম দর্শনেই আফিয়া নাসিফের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। কিন্তু সেটা নাফিস এত তাড়াতাড়ি আফিয়াকে বলবে না
আর না বুঝতে দিবে।কারণ যতই হোক আফিয়াকে আগে তার সন্তানদের মা হতে হবে।অবশ্য আফিয়া সেটাও পারবে কারণ সে দেখেছে বাচ্চাদের বিষয়ে আফিয়ার ধৈর্য্য আর সহনশীলতা, মমত্ববোধ,যত্ন।
আফিয়াকে আরও শক্ত করে নিজের সাথে চেপে ধরলো।অক্ষিকোটরে ভেসে উঠলো,
কুড়ার ঘাট হাসপাতালের গেটে এক ঝাঁক ছিন্নমূল শিশুদের পড়াতে ব্যস্ত এক রমনীকে। যে দশ বারোজন শিশুর মাঝে বসে নিজের কোলে চার সাড়ে চার বছরের একটা বাচ্চাকে বসিয়ে সমানতালে সবদিক খেয়াল করে সুন্দর আদুরে গলায় পড়া বুঝাচ্ছে।সেদিন একটা কাজে কাউন্সিলরের সাথে দেখা করতেই ঐখানে গিয়েছিল নাসিফ,কথা বলার এক পর্যায়ে তার দৃষ্টি গিয়ে অর্পিত হয় ডাগর ডাগর এক জোড়া নয়নে,থমকে যায় নাসিফ ওয়াসীত্ব গাজীর চাহনি কিন্তু বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় নিজের অপারগতা।সদ্য বিপত্নীক আর দুই বাচ্চার বাবা হয়ে যতই ভালো লাগুক আর যতই মনে টানুক এটা তার জন্য অসম্ভব আর অরুচিকর লাগতো। কিন্তু ঘটক যখন পাত্রীর ছবি দেখালো সে নিজেকে দমাতে ব্যর্থ হলো।আসলে সেও চাইলো খুব করে কাউকে, নিঃসঙ্গতা কাটিয়ে জীবনটাকে সঙ্গীর রঙে রাঙাতে।তাই তো রাজী হয়েই গেল বিয়েতে।
চলমান.....
অনুভূতি কেমন আমনেগো 🙄 জানাইবেন কইলাম😒
আইজগো দেরি হরার জইন্য বেমালা দুঃখিত,কাইলগো হক্কালে দিমুনে! ইনশাআল্লাহ ❤️😘
ওখে আমনেরা খুশি খুশি পড়েন আল্লাহ হাফেজ 🤍😘







0 মন্তব্যসমূহ