সুখ_প্রান্তর | পর্বসংখ্যা_২৪

 #সুখ_প্রান্তর 

#শেখ_মরিয়ম_বিবি 

#পর্বসংখ্যা_২৪



‼️কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ‼️ 


“ সাবধানে পা রাখো বাবা; ব্যথা পাবে তুমি!"

নাইফকে কোলে করে এনে বিছানায় শোয়াতে গিয়ে নাইফের পায়ে ব্যথা লাগায় নাইফ আর্তনাদ করে উঠলো।তখন ছেলেকে সাবধান করতে গিয়েই উপরোক্ত কথাটা বললো নাসিফ, আফিয়া নাইফের মাথার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলো। অনেক সাহস করে নাসিফকে বললো,

“ আপনি সরুন আমি দেখছি,আমি ওকে..

আফিয়ার জবান বন্ধ হয়ে গেল নাসিফের রক্ত চক্ষুর প্রত্যক্ষ দর্শনে।আজ চার দিন হয়ে গেছে নাসিফ আফিয়ার সাথে কথা বলে না।নাইফকে পঙ্গুতে নেওয়ার কথা বললেও নাসিফের পারিবারিক ডাক্তারের নিয়মিত চেম্বার হচ্ছে ল্যাব এইড হাসপাতালে।উনার সাজেশনে নাইফকে ল্যাব এইডেই রাখা হয়।

সবরকমের পরীক্ষা নিরীক্ষার পর নির্ণয় হয় নাইফের পায়ের পাতার মাঝের বোনে ফাটল ধরেছে এবং দুটো আঙ্গুলের হাড় ভেঙেছে। তারপর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার পর চারদিন ছিলো কিন্তু নাইফ হাসপাতালে থাকতে চায় না।সে কান্না কাটি করে তার নিজের ঘরে ফেরার জন্য।তাই বাধ্য হয়েই আজ ডাক্তারের সাথে আলোচনা করে বাড়ি এনেছে। অবশ্য একদিন পরপর ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।এই সমস্যা মিটে গেলেও সমস্যার জট পেকে আছে নাসিফ আফিয়ার জীবনে!

হাত ঘড়িটা খুলে টেবিলের উপর ছুঁড়ে মারলো নাসিফ।আফিয়া তার থেকে হাত দুই দূরে দাঁড়িয়ে তার রাগের উত্তাপ সহ্য করে চলেছে, অবশ্য আজ চারদিন যাবত তাই করছে! শুধু তার একার‌ই না।নাযির আহমাদ গাজী ছাড়া সবার রাগের ঝাঁঝ‌ই তাকে নীরবে সয়ে যেতে হয়েছে!কথার খোঁচা, ব্যবহারের রুক্ষতা,দুঃছাই আচরণ সব,সব‌ই এখন আফিয়ার গলাধঃকরণ হচ্ছে। তবুও? একটা তবুও কেবল একজনেই এসে থেমে যায়।

একটা পাতলা গেঞ্জি আর লুঙ্গি নিয়ে নাসিফ বাথরুমে ঢুকে গেল।আর আফিয়া অসহায় চোখে তা দেখে নীরবে দুফোঁটা অশ্রু বিসর্জন ছাড়া কিছু করতে পারলো না।

নাসিফ গোসল করে মাথা তোয়ালে দিয়ে মুছতে মুছতে বের হলো।পড়নে তার লুঙ্গি আর গায়ে একটা সাদা পাতলা গেঞ্জি যেগুলো সে তখন নিয়ে ঢুকলো।আফিয়াকে ঘরে না দেখে মুখে চ জাতীয় শব্দ করে বিরক্তিতে চোখ মুখ কুঁচকে বারান্দায় গেলো।

 আফিয়া বারান্দার রেলিংয়ে কপাল ঠেকিয়ে মাথা নিচু করে চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে আছে।নাসিফ আফিয়ার পিঠের দিকে দাঁড়িয়ে কিছু একটা আন্দাজ করে চলে গেলো সেখান থেকে।যাওয়ার পথে মাথা মোছা তোয়ালে বিছানায় ছুঁড়ে মারলো। বিছানায় মারলেও তা গিয়ে পড়লো স্টাডি টেবিলের কোনায় যার কারণে মাটির কলমদানিটা নিচে পড়ে গেলো এবং সাথে সাথে কয়েক খন্ডে বিভক্ত হয়ে এদিক ওদিক ছিটকে পড়লো।ওটা পড়ার শব্দে আফিয়া চমকে উঠলো,দ্রুত ঘরে ঢুকলো কিন্তু কেউ নাই। একটু এগিয়ে গিয়ে খুঁজতেই চোখে পড়লো সেই কলমনিটা।আফিয়ার বুকটা ধক করে উঠলো।

এই ফুলদানিটা তাদের মধুচন্দ্রিমায় গিয়ে সর্বপ্রথম উপহার হিসেবে কিনে দিয়েছিল।মাটির তৈরি জিনিসের প্রতি আফিয়া ভীষন টান,তাই অনেক মাটির তৈজসপত্র কিনে সে।এটা জানার পর নাসিফ তাকে এটা উপহার দিয়েছিলো কিন্তু এখন তো এটা!

কলমদানির পাশেই পড়ে আছে নাসিফের তোয়ালে। বুঝতে একটুও সময় নিলো না কি ঘটতে পারে। আফিয়া পা ভেঙ্গে বসে ভাঙ্গা টুকরোগুলো তুলে নিলো,তার অগোচরেই কখন যে তার আখিরা ঝরঝর বারিধারার বর্ষন ঘটিয়েছে সে টের‌ই পেলো না। টুকরোগুলো টেবিলের উপর রেখে সাজিয়ে দেখলো, চেষ্টা করলো,ভাবলো আবারও নতুন করে এটাকে তৈরি করা যাবে কি-না! কিন্তু না! যা একবার ভেঙে যায় তা দ্বিতীয় বার আগের মতো ঠিক হয় না।তবে এখন সবচেয়ে বড় কথা হলো মাটির ঐ কলমদানির মতো বিশ্বাস ভরসা ভেঙে গেলো, তার কি কোন সংশোধন হবে? আফিয়া কান্না‌রও সময় পেলো না। হনহনিয়ে ঘরে ঢুকলো নাসিফ।আফিয়া স্বাভাবিক হ‌ওয়া চেষ্টা করে নিজের চোখ দুটো মুছে নিলো।যেই মানুষটা গত চারদিনের যন্ত্রনা বুঝেনি তাকে নিজের অহেতুক মূল্যহীন চোখের পানি দেখাতে চায় না।

কিছু কাগজপত্র নিয়ে নাসিফ বাচ্চাদের রুমে ঢুকে ধারাম করে দরজাটা লাগিয়ে নিলো।চমকে উঠলো আফিয়া, দরজার দিকে তাকিয়ে তার অক্ষুপটে ভেসে উঠলো হাসপাতালের প্রথম দিনটার সেই বীভৎস সময়টা!

ফ্ল্যাশব্যাক....

নাইফকে ডাক্তার দেখছে,বাইরে আফিয়া একপাশে জবুথবু হয়ে বসে চাপা কান্না করছে,গাড়ির চালক কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে আছে।আফিয়ার কান্নার জন্য ডাক্তার তাকে বাইরে বের করে দিয়েছে। অবশ্য ভেতরে এখন শুধু ডাক্তার নার্সরাই আছে।নাসিফ পথে,বাড়ির সবাই‌ও আসছে।যানজটের শহরে সবাই জটে আটকে আছে।

“ বাবু কোথায়?"

দৌড়ে এসে ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করলো নাসিফ।স্যার এই রুমে আছে বলে হাতের ইশারায় দেখিয়ে দিলো,নাসিফকে দেখে আফিয়ার আত্নায় পানি এলেও নাসিফের ব্যবহারে হতবাক হয়ে গেল। তার সাথে কোন কথা না বলেই নাসিফ সোজা ভেতরে ঢুকলো। কিন্তু কিছু সময় পর বেরিয়েও এলো।

ছেলের চিৎকার স‌ইতে না পেরে বাইরে বেরিয়ে আফিয়ার উপর ফেটে পড়লো, চিৎকার করে জিজ্ঞেস করলো,

“ ও একা রাস্তায় কিভাবে গেলো? তুমি কোথায় ছিলে?"

অশ্রুসিক্ত চেহারা; পুরোপুরি জবজবে হয়ে গেছে ভিজে।সেই অবস্থায় কৈফিয়ত দেওয়ার ভঙ্গিতে বলতে থাকলো,

“আমরা গাড়িতেই ছিলাম, বাড়ির সামনে গাড়ি থামতেই ও কখন যে নেমে গেছে আমি খেয়াল‌ই করি নাই!"

“ তুমি খেয়াল করো নি মানে?  তোমার খেয়াল কোথায় ছিল? কাকে নিয়ে এত ভাবছিলে যে আমার ছেলের এত বড় দূর্ঘটনা ঘটিয়েও তুমি বলছো খেয়াল ছিলো না!"

নাসিফ তীব্র রাগে চিৎকার করে কথাগুলো বলছে যার কারণে আশেপাশে উপস্থিত রোগীদের মানুষজন তাকিয়ে আছে ওদের দিকে,আফিয়া থমথমে চোখে তাকিয়ে র‌ইলো,নাসিফ আর‌ও বললো,

“ তোমার হাতে আমার বাচ্চাদের তুলে দেওয়ার সময়‌ই বলেছিলাম আমার বাচ্চাদের গায়ে একটা পিঁপড়ার কামড়‌ও আমি বরদাস্ত করবো না। পৃথিবীতে যত যাই ঘটে যাক তোমার নজর কেবল ওদের দিকেই থাকা চাই। তাহলে? কি করেছো তুমি? এত বড় একটা ঘটনা কি করে ঘটলো আমার বাচ্চার সাথে? তুমি থাকতেই ও একা গাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে পারলে তো আরও অনেক কিছুই ঘটতে পারে।তখন‌ও কি তোমার এই লো এক্সিকিউজ থাকবে? তোমার ধ্যান ছিলো কোথায়, কার ছিলো মন? কাকে নিয়ে এত ভাবনা চিন্তা! শোন আমার বাচ্চাদের থেকেও যদি গুরুত্বপূর্ন আর জরুরি চিন্তা ভাবনা তোমার থাকে তাহলে বলতে পারো? আমি তোমাকে সব দায়িত্ব থেকে মুক্তি দিয়ে দিবো কিন্তু আমার বাচ্চাদের নিয়ে অবহেলা সহ্য করবো!"

নাসিফ একদমে এতগুলো কথা বললো। পরিস্থিতি, পরিবেশ সব বেমালুম ভুলে গেলো। এদিকে আশেপাশের মানুষের দৃষ্টি ঘুরেফিরে আফিয়াকে দেখছে! কার মনে কি ভাবনা চলছে তা কি করে আফিয়া আন্দাজ করবে।তবে কেউই তে তাকে নিয়ে ভালো কিছু ভাবছে না তাতো নিশ্চিত।নাসিফ থেমে থেমে কয়েক দফা আফিয়ার উপর চিৎকার চেঁচামেচি করেছে,করেছে অপমানিত। কিন্তু আফিয়া ছিলো নিরুত্তাপ।সে একদম দু'পায়ের উপর ভর দিয়ে দেবদারু গাছের মতো অটল ছিলো এই বিষয়ে, সে একটাও প্রত্যুত্তর করবে না। কিছু সময় পরেই এলো নাফিসা,সে ছিলো তার মেডিক্যাল কলেজে।সেও বেশ করা শোনায়।এলেন সালমা ফাওযিয়া ও নাযির আহমাদ।সালমা ফাওযিয়া চিৎকার চেঁচামেচি না করলেও নিচু আওয়াজেই আফিয়াকে কথা শুনিয়েছে।

“ এই জন্যই বলে পিঠের ছাল পেটে লাগে না। 

_ নিজের পেট দিয়ে হলে কি আর এমন অবহেলা করতে পারতো।পেটের না বলেই এই ঘটনা চোখের সামনে ঘটিয়েছে!"

এরকম নানা কথায় আফিয়াকে বিক্ষিপ্ত করতে থাকলো। ডাক্তার যখন নাইফকে কেবিনে দিয়ে নাসিফের সাথে সব কিছু আলোচনা করে অবস্থা জানালো।তখন নাসিফের মাথা কিছুটা ঠান্ডা হলে আফিয়াকে উদ্দেশ্য করে বললো,

তুমি বাসায় চলে যাও! তোমাকে এখানে লাগবে না!"

“ আমি এখানে না থাকলে বাবুকে ...

“ তুমি যখন ছিলে না তখনও বাবুকে অবশ্যই খেয়াল রাখতো কেউ ।ইভেন তোমার চেয়েও হাজারগুন ভালো রেখেছে।তখন‌ও অন্তত আমার ছেলে মেয়ের গায়ে একটা মশাও পড়তে দেইনি।আর আজ তোমার কারণে আমার সুস্থ সবল ছেলেটা এখানে এই অবস্থায়!"

নাসিরের অবিরত দোষারোপ আফিয়ার দমবন্ধ করে দিচ্ছে তাই বাধ্য হয়েই কেবল শুধালো,

“ আমি কি ইচ্ছে করে ওকে গাড়ির তলে ফেলেছিলাম? কেন বারবার আমার..

“ কিভাবে হয়েছে সেটা বড় কথা নয়,কথা হলো আমার ছেলের এই অবস্থা তোমার জন্য হয়েছে, তোমার অবহেলার কারণে হয়েছে!"

“ এমন কোন কিছুই না; আপনি অযথা আমাকে দোষারোপ করছেন!”

“ বাসায় যাও, তোমার সাথে বাকী কথা ঘরে গিয়ে বলবো!আর হ্যা তোমার আর এখানে আসার দরকার নেই।"

“ কিন্তু আমি.."

“ বাসায় যাও!"

“ আম.."

“ ইস্।নো মোর এনি ওয়ার্ড !"

সেদিনের পর আফিয়ার সাথে নাসিফ আর কথা বলেনি। হাসপাতালে‌ও যাওয়ার অনুমতি পায়নি।

চারদিন নাসিফ নিজেই ছিল আর ওকে সহযোগিতা করেছে নার্স।সালমা ফাওযিয়া খাবার নিয়ে নিজেই যেতেন।

আফিয়ার ঘরে নাবীহাকে নিয়ে একাই থাকতো তখন‌ও সব সময় খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে কথা শুনাতে ভুলতো না নাসিফের খালা।

“ মা।"

নাবীহার আদুরে ডাকে আফিয়ার কল্পনার ঘোর কাটে।সে এসে পেছন দিকে মায়ের গলা জড়িয়ে কাঁধের উপর মাথা রেখে ঝুলে পড়ে, মেয়ের উপস্থিতিতে চোখ মুখ মুছে হাঁসি দিয়ে মেয়েকে সামনে টেনে এনে বুকের জড়িয়ে নিয়ে বলে,

“ হ্যা মা,কি চাই আমার মায়ের?"

“ চকলেট দাও!"

“ এখন চকোলেট? কিন্তু এখন তো আমরা দুপুরের খাবার খাবো।"

“ একটা প্লিজ!"

“ বাবা বকা দিবে!"

“ প্লিজ একটু!"

“ ঠিক আছে চলো।"

নাবীহা বেশ মা ন্যাওটা হয়েছে।যত কিছুই তার এখন মা চাই।সে সারাদিন মায়ের আঁচল ধরে ঘুরে বেড়ায়।

আফিয়া উঠে দাঁড়িয়ে মেয়েকে বললো,

“ তুমি এখানে বসো,মা আগে মুখ ধুয়ে নেই।চোখ জ্বলছে মায়ের।"

“ আচ্ছা!"

চার বছরের কাছাকাছি বাচ্চা নাবীহায কথা এখন বেশ স্পষ্ট। যেহেতু বুদ্ধি বড় হয়ে সে মা বলতে আফিয়াকেই দেখছে তার কাছে মা মানেই আফিয়া।

তাই মা যা বলে তাই সে মন দিয়ে শোনে

এখানে কোন ভুল সে করে না।জেদ‌ও করে না।

“ আম্মা, আপনি এখানে বাবা আপনাকে খুঁজছে!"

বাচ্চাদের ঘর থেকে বেরিয়ে নিজের ঘরে ঢুকে বিছানায় মেয়েকে গড়াগড়ি খেতে দেখে ডাক দিয়ে উক্ত কথাটা বললো নাসিফ।মেয়েও বাবাকে দেখে লাফ দিয়ে উঠে তার কোলে ঝাঁপিয়ে পড়লো,দক্ষ হাতে মেয়েকে কোলে নিয়ে হেঁটে বিছানার উপর বসে মেয়েকে দু পায়ের উপর বসিয়ে কপালে চুমু দিয়ে বললো,

“ দুপুরে খাবেন না? চলেন বাবা খাইয়ে দিবে আপনাদের!"

“ আমি মায়ের হাতে খাবো!"

নাবীহার সোজা আবদার।নাসিফ অদ্ভুত চোখে তাকালো। বাচ্চা দুটো খুব মা ভক্ত হচ্ছে।নাইফটাও চারদিন ভীষন জ্বালিয়েছে মা মা করে! অথচ মা তো তাদের! এতটা বেখেয়ালে কিভাবে থাকতে পারে বাচ্চাদের নিয়ে পথে থাকা অবস্থায়? এমন ভুল কোনমতেই মাফ করা যায় না সে অযুহাত যাই হোক।নাবীহা বাবার কোল থেকে গড়িয়ে নিচে নামলো, বাথরুমের দরজার সামনে গিয়ে ছোট ছোট হাতে বারবার চাপড় দিচ্ছে আর বলছে,

“ মা তাড়াতাড়ি বেরাও,তুলতুল চকলেট খাবে!নাবীহার বাবা ভাত খাবে!"

সে বলছে আর দরজায় আঘাত করছে।আফিয়া মুখে তোয়ালে চেপে পানি মুছতে মুছতে দরজা খুলে মেয়ের দিকে তাকিয়ে থাকলো কিছু সময় এরপর হুট করেই শব্দ করে হেসে দিলো,বললো,

“ তুলতুল চকোলেট খাবে,নাবীহার বাবা ভাত খাবে তাই না! পাজী মেয়ে! তুলতুল আর নাবীহা আলাদা।"

নাসিফ বিছানায় বসে দেখতে থাকলো মেয়ে আর ব‌উয়ের খুনসুটি। ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো একটা হেব্বি দীর্ঘশ্বাস যার সাথে মিশে ছিলো তার অনুশোচনা।সে এত সময় বাচ্চাদের ঘরে বসে ভেবেছিল বিগত কয়েকদিনে তার করা আফিয়ার সাথের দু্ঃব্যবহার।অথচ সত্যি যাচাই করলে এমন ঘটনা যেকারো উপস্থিতিতে ঘটতে পারতো কিন্তু কথা শুধু একজনের ক্ষেত্রেই উঠেছে কারণ সম্পর্কে সে সৎ মা!

চলমান......

জানাতে ভুলবেন না কেমন হচ্ছে।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ