#সুখ_ফড়িং_সিজন_২
#শেখ_মরিয়ম_বিবি
#পর্বসংখ্যা_০৯
এইটা সম্রাট পারীজাতের ভালোবাসার মানুষদের জন্য!😚
কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ‼️
ক্লাবের বাইরের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ভেতরে ঢুকতে ইতস্তত করছে পারিজাত আর তার সখিরা।এক কদম বাড়িয়ে দু কদম পিছিয়ে যায়। এমতাবস্থায় হুট করে তীব্র আওয়াজ করে তাদের একটু দুরত্ব এসে থামলো কালো ধূসর ইয়ামাহা বাইকটা। বাইকের অন্তরালে লুকিয়ে থাকা এক জোড়া ঈগল আঁখি তীব্র সন্ধানী নজরে চেয়ে থেকেই হেলমেটটা খুলে ফেললো।
হুট করেই বাইক এভাবে নিজেদের থেকে খানিকটা দূরে থামায় তিনজনই চমকে যায়। আড়ষ্ট ভঙ্গিতে একে অপরের সাথে লেপ্টে দাঁড়িয়ে পড়লো একদম থ হয়ে। নিজের হেলমেটটা খুলে এলোমেলো সিল্কি চুলগুলো মাথা ঝাঁকিয়ে সঠিক পথে এনে হেলমেট বোগল দাবা করে তিনজনের সামনে এসে দাড়ালো।
“ কি সমস্যা? কি চাই আবার?"
চোখ কুঁচকে কপালের মাঝে দুটো ভাঁজ ফেলে জিজ্ঞেস করলো,পাশেই দাঁড়ানো সুটবুটে সাহেব বাবু সাজা বাপ্পীকে এক পলক দেখে কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বলতে আরম্ভ করলো পারজিতা..
“ Actually ভা.ভা..ভা..ভাইয়া!"
“ উম; আমার মায়ের পেটের বোন আছে।"
এমন মুহূর্তে এমন কথায় রমনী তিনজন ভ্যাবাচ্যাকা খেলো,একে অপরের দিকে দৃষ্টি বিনিময় করে বোঝার চেষ্টা করছে, ঐদিকে বাপ্পী অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়ে মুচকি হাসলো। সম্রাট আগের মতোই কাঠখোট্টা স্বরেই বললো,
“ যার তার মুখে ভাইয়া ডাক শুনতে চাই না। তাছাড়াও দুনিয়ার সবাই বোন হলে বউ হবে কে?"
“ জ্বী মানে..স্যরি ভা.. একচুয়ালি.. আমি বলছিলাম?"
“তুমি থামো! ওরা বলুক!"
বলেই সম্রাট মেহরিন আজিমের দিকে ইশারা করে ইঙ্গিত করলো,এতে পারি একটু, অল্প একটু অপমানিত বোধ করে গাল ফুলিয়ে নিজের মুখটা বাংলার পাঁচ বানিয়ে দাঁড়িয়ে রইলো,সম্রাটের আদেশ পেয়ে মেহরিন বলতে আরম্ভ করলো,
“ আসলে হয়েছে কি ভাইয়া?ঐ পারিজাতের একটা স্কুল ইয়ে মানে.."
“ এ্যাই তোমরা কি ইয়ে মানে, জ্বী মানে তো..তো তো ছাড়া কথা বলতে পারো না?
_ এর তো দেখি মুখ দিয়ে বারুদ ছুটে অথচ আমার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলতে বললেই এর যত তোতলামি শুরু হয়ে যায়।কেন?"
“ আসলে আপনাকে দেখলে ভভভভয় লাগে ভাইয়া?"
এক রকম কাঁপতে কাঁপতেই কথাটা বললো ফারিহা।ফারিহার কথায় সম্রাপ হতভম্ব হয়ে গেলো।অবাক, বিস্ময় ভরা চোখে চেয়ে আছে।আর এদিকে বাপ্পীর তো হাসিই থামছেনা।সে মুখ ঘুরিয়ে বন্ধুর নাজেহাল অবস্থা দেখে অবিরত হাসছে,মাঝে মাঝে একটু উঁকি দিয়ে মেয়েদের মুখোভঙ্গি দেখছে।
নিজের অবাকতার চুড়া অতিক্রম করে, বিস্ময় কাটিয়ে সম্রাট জানতে চাইলো এই কথার কারণ কি?
“ মানে কি ? আমাকে দেখতে কি ভয়ংকর লাগে? আমি কি দেখতে খুবই বিশ্রী?"
ভয় পায় কিন্তু কেন পায় তার বিশ্লেষণ এদের কাছেও নেই কিন্তু সম্রাটের কথায়ও সম্মতি দেওয়া যাচ্ছে না তাই তীব্র গতিতে নিজদের মন্ডুটা দু দিকে ঘুরিয়ে বললো,
“ না না মোটেই না।আপনি মাশাআল্লাহ অনেক হ্যান্ডসাম,ইভেন আমার দেখা সবচেয়ে হ্যান্ডসাম ছেলেদের মধ্যে আপনি ফাস্ট তাই না রে মেহরিন,পারী?"
ফারিহা নিজের উত্তরের পক্ষে সাক্ষ্য নিতে নিজ সখির মতামত চাইলো।এক হাত দিয়ে পারীকেও খোঁচা দিলো সাক্ষী দিতে কিন্তু পারীতো কথা বলবে না।তাকে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছে না! তাহলে সে কেন কথা বলবে?বলবে না পারী একদম কথা। অন্তত এই লোকের সাথে তো নাই। কিন্তু না বললে হবে কি করে?কথা না বললে পারীর কাজ তো হবে না।এরা তো জানেও না ঠিকঠাক পারী ঠিক কেন এসেছে আজ!
সম্রাট উত্তরের আশা করছে, কিন্তু সবার নয়।কেবলি পারীর।সে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকালো পারীর বিরক্ত মাখা ঐ কাজল কালো আখিতে। আশ্চর্য; সম্রাট হঠাৎ করেই খেয়াল করলো পারীর চোখে কাজল! এই মেয়ে চোখে কাজল কেন টেনেছে? এমনিতেই ভয়ানক আকর্ষণ কাড়ে এই চোখ দুটো, তার মধ্যে আবার কাজল।নিজ মনেই বিরবির করে বলতে থাকলো,
“ উফ্; মাথা নষ্ট করেই ছাড়বে! ইস্! শুধু আমি হলেও তো চলতো! না জানি আর কতজনের মাথা খাচ্ছে এই মেয়ে!একে খুব তাড়াতাড়ি ভাঘে আনতে হবে নয়তো পাখি কখন কার ধান খেয়ে কার খাঁচায় বন্দী হয়ে যায় আল্লাহ মালুম! নো নো নো সম্রাট বি সিরিয়াস,এই পাখিকে এভাবে ছেড়ে রাখা যাবে না।যা কর শিগগিরই কর!"
“ ভাইয়া আপনি কিছু বলছেন?"
সম্রাটকে বিরবির করতে দেখে মেহরিন জিজ্ঞেস করলো, চমকে গিয়ে স্বাভাবিক গলায় বলার চেষ্টা করলো,
“ ইয়ে মানে না, তেমন কিছু না। হ্যাঁ পারী তুমি বলো কি বলতে এসেছো বা কি দরকার! আবার কেউ জ্বালাচ্ছে?"
শেষ কথায় তীব্র ক্ষোভ জাহির,পারী এই লোকের হুটহাট মুড সুইং এর মুন্ডুও বুঝলো না। কিন্তু মনে মনে বললো,
“ এত মুড সুইং তো আমার পিরিয়ডের সময়েও হয় না।"
“ পারী কি বলছো?"
পারী মনে মনে বললেও তার ঠোঁট ঠিকই নড়ছে।বাপ্পী এবার না পেরে শব্দ করেই হেসে দিলো।ওর হাসিতে বিরক্ত চোখে তাকালো দুই জোড়া আঁখি,
“ তুই হাসছিস কেন? মাছিতে কাঁতুকুঁতু দিচ্ছে?"
“ হাসছি তোদের অবস্থা দেখে।"
“ এখানে হাসির কি ছিলো?"
“ নাথিং,পারীজাত বলো বোন,কি সমস্যা যার জন্য এই ভরদুপুরে এই কাঠফাঁটা রোদের মধ্যে এখানে দাঁড়িয়ে আছো?"
বাপ্পীর গলায় নম্রতা, স্নেহাশিস আভাস,পারী যেন এখন একটু সহজ হলো,সে নিজের কথা গুছিয়ে বললো,
“ ভাইয়া আসলে আমি একটি অনুমতি নিতে এসেছি।"
“ অনুমতি! কিসের জন্য?"
সম্রাটের প্রশ্ন,পারীর এবার বেশ সাবলীল ভাবে বলতে থাকলো,
“ আপনাদের ক্লাবের পিছনে যেই খেলার মাঠটা আছে, পরিত্যক্ত জমিটা যেইটা!"
“ হ্যাঁ ঐটা কি?"
“ আমার একটা ছোট স্কুল আছে যেখানে সব পথশিশুদের শিক্ষা দেওয়া হয়,তো আমি যেখানে থাকি সেখানে একটা শাখা আছে, কিন্তু আমি আমার এখানেও মানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনেও একটি শাখা খুলতে চাই।কারণ এদিকে অনেক বাচ্চা আছে যারা স্কুলে যাওয়ার সামর্থ্য রাখে না কিন্তু ওদেরও তো পড়ার অধিকার আছে তাই না?
_ তাই আমি ভেবেছি প্রতিদিন ওদের পিছনে অন্তত দু ঘন্টা সময় দিবো আফটার ক্লাস,ক্যান আই দোস টাইম!"
“ জায়গা দরকার এই তো?"
পারীকে থামিয়ে শেষের কথাটা নিজেই বললো সম্রাট।
পারী মাথা উপর নিচ দুলিয়ে জ্বী আজ্ঞাবহ হলো,সম্রাট একবার নিজের বন্ধুর দিকে তাকিয়ে আবারও পারীর দিকে তাকালো এবং বললো,
“ আমি যত দুর জানি তুমি মোটামুটি একটা বেকিং বিজনেস করছো, এরপর পড়াশোনা আবার বলছো তোমার এলাকায়ও একটা শাখা আছে,সেখানেও পড়াও এরপর আবার এই দিকে শাখা খুলে সেখানেও সময় দিবে বলছো, এতকিছু কিভাবে ম্যানেজ করবে?"
“ না আমি যদি এখানে ক্লাস করাই তবে ঐখানে বাদ দিবো!"
“ তবে ঐখানের বাচ্চাদের কি হবে?"
“ ঐখানে আমাদের অনেক স্বেচ্ছাসেবক আছে,তারাই পড়াবেন।ইভেন এখানেও তো শুধু আমি একা নয়, অনেকেই মানে আমার অনেক ব্যাচমেট,ক্লাসমেট পড়ানোর জন্য রাজী আছে কিন্তু অতদূর গিয়ে পারবে না বলেই এখানে খোলার চেষ্টা করছি। কিন্তু পারফেক্ট জায়গায় পাচ্ছি না!"
“ আচ্ছা তাই, তোমাদের সংগঠনের নাম কি?"
“ আমাদের বিদ্যানিকেতন!"
“ ওহ,নাম শুনেছি। তুমি সেটার সদস্য নাকি?"
“ জ্বী ভা?"
দিচ্ছিলো আবারও ভাইয়া বলে,সম্রাট আঙ্গুল উঁচিয়ে ইশারায় বললো,
“ না!"
পারী গাল ফুলিয়ে নিলো,সম্রাট একটু সময় ভেবে অতঃপর বললো,
“ আচ্ছা ঠিক আছে, তুমি তাহলে কবে থেকে তোমার প্রোজেক্ট হাতে নিতে চাইছো?"
“ অনুমতি পেলে ইনশাআল্লাহ আগামী সপ্তাহ থেকেই করবো ভাইয়া?"
“ অর ইলস! নিড ইয়্যু এনি হেল্প?"
“ নো নো, শুধু এতটুকু হলেই চলবে! বাকীটা আমার ম্যানেজ করে নিতে পারবো!"
“ ওকে, যেহেতু ভালো কাজ আমাদের চাইলে ইনক্লুড করতে পারো।এনি টাইপ অফ হেল্প উই উইল বি রেডি ফ হেল্প ইয়্যু!"
“ থ্যাংকস! শুধু একটু দেখবেন যাতে কেউ বিরক্ত না করে! তাহলেই চলবে!"
“ তাতো অবশ্যই,রাত দিন জেগে পাহারা দিচ্ছি এর আর নতুন কি?"
“ মানে!"
“ ও তুমি বুঝবে না, বাচ্চা মানুষ!"
বলেই সম্রাট পারীর গাল টেনে দিলো। সম্রাটের হঠাৎ এমন কান্ডে পারী জমে গেলো।মেহরিন,ফারিহাও চোখ বড় বড় করে চেয়ে রইল। বাপ্পী ঠোঁট টিপে নিজের হাসি আটকে বন্ধুর আগে আগে এগিয়ে গেলো এবং চলতি পথে বিদায় নিতে বললো,
“ ওকে আল্লাহ হাফেজ বনুরা!"
সম্রাট পারীর বিস্ময়ে হা হয়ে যাওয়া মুখটা দেখে চমৎকার ভাবে হেসে নিজ গন্তব্যে পা বাড়ালো।আর রেখে গেলো বিস্ময়ে আহাম্মক বনে যাওয়া এক নারীকে।
⬜
রবীন্দ্র সরোবরের পাশেই মুক্ত মঞ্চের এক কর্ণারে বেশ জমকালো আয়োজন করে কারো বার্থডে সেলিব্রেশন চলছে,রাতের এই আধারী মাঝে এক অম্বর তারকারাজির ন্যায় ঝলমলে হয়ে উঠেছে এই জায়গা টুকু। নানারকম লাল নীল মরিচ বাতি আর প্রদীপের শিখায় জ্বলকিত এই প্রাঙ্গণ জুড়ে চলছে আধুনিক মনস্কের বেশ ক জোড়া পাখির কলকাকলি।নানা রকম বাদ্যযন্ত্রের টুং টুং আওয়াজ আর মৃদু ভলিউমে বাজা কারো মিষ্টি গলার সুরেলা গান পরিবেশকে করে তুলেছে মোহনীয়।
তার সাথে গুনগুন করে অবিরত চলছে গল্পগুজব।
“ হেই ইয়ার যার পার্টি তারই তো কোন খবর নেই?"
“ নিশ্চয়ই লায়লাকে ম্যানেজ করতে গিয়ে দেরি হচ্ছে! বেচারা মজনু!"
বলেই এক সঙ্গে হেসে উঠলো সবাই। তাদের হাসির মাঝেই কেউ একজন তীব্র বিতৃষ্ণা আর প্রকাণ্ড ঘৃণা ছুঁড়ে বললো,
“ আমি বুঝি না ও ঐ লো ক্লাস মেয়েটার মাঝে কি এমন পেয়েছে যার জন্য এমন হুর পরীকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে?ঐ মেয়ের না আছে ক্লাস আর না আছে রুপ-লাবণ্য; দেন হাউ ক্যান বি হিমস?"
“ সবাইতো ক্লাস আর রুপ লাবণ্যের পিছনে ছুটে না মোনালিসা জানু! কেউ কেউ পার্সন আই মিন রিয়েল মানুষ খুঁজে! এন্ড ট্রাস্ট মি ঐ মেয়েটাকে দেখলেই মনে হয় সি ইজ পারফেক্ট ওমেন ফ বিয়িং লাইফ পার্টনার!একচুয়ালি যদি ও না ঐ মেয়ের পিছনে থাকতো আমিই। পটিয়ে নিতাম!"
“ সিরিয়াসলি?"
বলেই মোনালিসা নামক নারীটা ছিটকে সরে দাঁড়ালো।নাক কুঁচকে মুখ তেতো হয়ে যাওয়া ভঙ্গিতে বললো,
“ তোর চয়েস যে লো কোয়ালিটির তা আমার আগেই আন্দাজ ছিলো কিন্তু আজ প্রমানিত হয়ে গেলো!
_ এনি ওয়ে তুই ঘুরলেও ঘুরতে পারিস কিন্তু আমি ইন শিওর করে বলতে পারি হৃদয়ের জীবনে পারমানেন্ট নারী এই হুরই হবে!ঐ চিপকু না,লো কোয়ালিটির কেউ না।"
সে নিজের কথা শেয়ার করেই চলে গেলো পিছনে রয়ে যাওয়া দলের মধ্যে থেকে একজন বললো,
“ সবাই চিপকু,লো কোয়ালিটির, থার্ড ক্লাস! বাকী সব ভালো খালি উনি একাই!"
তার কথা শেষ হতেই আরেকজন বললো,
“ আমি বুঝি না ভাই,হৃদয় কার বয়ফ্রেন্ড? ওর নাকি হুরের?"
“ হৃদয় পারীর! মাঝখানে ওরা কাবাব মে হাড্ডি!
বলেই তিনজন জুসের গ্লাসের চুমুক দিতে দিতে হাসিতে ফেটে পড়লো।যা দুর থেকে অবলোকন করে দাঁত কিড়মিড় করে নিজের হাতের অবস্থা বারোটা বাজাচ্ছে মোনালিসা নামক অতি ভয়ংকর ময়দা সুন্দরী!
চলমান...
বি:দ্র:- ধৈর্য্য ধরে পড়বেন,ধীরে ধীরে চ্যাপ্টার এগুবে।আমি আগেই বলছি,এই উপন্যাস বেশ বড় হবে, আস্তে ধীরে একটু একটু করে কাহিনী গড়াবে, হুট করেই দেখা আর হুট করেই প্রেমে পড়ায় না আমি বাস্তবে বিশ্বাসী আর না উপন্যাসের পাতায় পছন্দ করি।তাই কেউ আশা করবেন না দশ পর্বেও কেন নায়ক নায়িকার প্রেম হলো না।এটা তো আর বাংলা সিনেমা হবে না যে দেখা হতেই নায়ক নায়িকা জড়াজড়ি করে ইন্দোনেশিয়া চলে যাবে ভালোবাসার গান গাইতে। উপন্যাস এটা! নানা প্লটের পর স্লট সেজে অতঃপর নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাবে।তবে এতটুকু বলতে পারি ইনশাআল্লাহ আপনাদের মনোঃপুত হবে।
শুধু দরকার ধৈর্য্য আর ধৈর্য্য।
আমি ভাই কর্মজীবী শিক্ষার্থী অতঃপর একজন ঘরোয়া মানুষ।এতদিকে এক সাথে সামলাতে হিমশিম খাচ্ছি।দয়া করে আমাকে একটু সময় দেওয়ার অনুরোধ করছি,আমারও ইচ্ছা হয় সব উপন্যাস ইভেন মাথায় যে দশ বারোটা প্লট ঘুরপাক খাচ্ছে তাও দিয়ে দিতে কিন্তু পারি না তো।
সবাইকে অনেক অনেক ভালোবাসা আমাকে সবসময় সাপোর্ট করার জন্য।
হ্যাপি রিডিং 😘







0 মন্তব্যসমূহ